মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ – ৩০০ আসনে বৈধ প্রার্থী ১৮৪২, বাতিল ৭২৩
- আপডেট সময় : ০২:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা হওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্র্নিং কর্মকর্তারা। প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার পর বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল এক হাজার ৮৪২ জন। বর্তমানে ৯টি আসনে দুজন করে এবং ২২টিতে তিনজন করে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া অবশিষ্ট আসনগুলোয় প্রার্থী সংখ্যা তিনজনের বেশি। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করায় ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসনে তার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়নি। রোববার বিকালে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় শেষ হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, যাচাইয়ে বিএনপির ২৭, জামায়াতে ইসলামীর ৯, জাতীয় পার্টির ৫৭ ও ইসলামী আন্দোলনের ৪১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিএনপির বাতিল হওয়া ২৭ জনের মধ্যে বেশির ভাগই দলীয় পরিচয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কিন্তু তাদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলীয় প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয়ন ছিল না। এ নির্বাচনে বিএনপির ৩৩১ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। অপর দিকে জামায়াতে ইসলামীর ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় দলটির ২৬৭ জন প্রার্থী রয়েছে। এ দলের ২৭৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৬৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪১ জনের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় মাঠে রয়েছেন ২২৭ জন। দলগতভাবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে জাতীয় পার্টির। দলটির ২২৪ জনের মধ্যে ৫৭ জন বাতিল হয়েছে। এখন রয়েছে ১৬৭ জন প্রার্থী। চূড়ান্ত প্রার্থীর হিসাবে উপরোক্ত সংখ্যা কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্বৈত নাগরিকত্ব, হলফনামায় স্বাক্ষর না করা, তথ্য গোপন এবং আয়কর বিবরণী সঠিকভাবে জমা না দেওয়া।
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যাচাই-বাছাইয়ে ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই স্বতন্ত্র। প্রার্থিতার জন্য নিজ নিজ আসনে ভোটারের এক শতাংশের স্বাক্ষর জমা দিতে হয়। তবে স্বাক্ষর গরমিলের কারণে বেশির ভাগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
জমা হওয়া মনোনয়নপত্র গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে রোববার পর্যন্ত পাঁচ দিন যাচাই-বাছাই করা হয়। মনোনয়নপত্র বাতিল ও বৈধ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আজ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন সংক্ষুব্ধরা। ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবে ইসি। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হবে। এরপর নির্ধারণ হবে চূড়ান্ত প্রার্থী। তখন প্রার্থী সংখ্যা আরও কমতে পারে। এ নির্বাচনে তিন হাজার ৪০৬ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তাদের মধ্যে জমা দেন দুই হাজার ৫৬৮ জন। ১১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়ার পর ৯টি আসনে দুজন করে প্রার্থী রয়েছেন। আসনগুলো হলো : নীলফামারী-৩, বগুড়া-৬, রাজশাহী-৪ ও ৫, পিরোজপুর-১, শেরপুর-২, নেত্রকোনা-৫, ঢাকা-২ এবং চট্টগ্রাম-৩। ২২টি আসনে তিনজন করে প্রার্থী রয়েছেন। সেগুলো হলো : ঠাকুরগাঁও-১, জয়পুরহাট-২, বগুড়া-২ ও ৭, রাজশাহী-১, ৩ ও ৬, সিরাজগঞ্জ-৩, মেহেরপুর-১ ও ২, যশোর-৬, মাগুরা-২, সাতক্ষীরা-৪, টাঙ্গাইল-৭, জামালপুর-১ ও ২, ময়মনসিংহ-৭, মানিকগঞ্জ-২, শরীয়তপুর-৩, হবিগঞ্জ-২, চট্টগ্রাম-১৫ এবং কক্সবাজার-১।
অপর দিকে ঢাকা-৫ আসনে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। আরও ১৯টি আসনে প্রার্থী আছেন কমপক্ষে ১০ জন করে। আসনগুলো হলো : নাটোর-১, সিরাজগঞ্জ-৬, খুলনা-১, ঢাকা-৭, ৯, ১২, ১৬ ও ১৭, গাজীপুর-২, নারায়ণগঞ্জ-৩ ও ৪, গোপালগঞ্জ-৩, মাদারীপুর-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১, ২, ৫ ও ৬ এবং নোয়াখালী-৫ ও ৬।
আপিল শুরু হচ্ছে আজ : ইসি জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। এজন্য ১০টি নির্বাচনি অঞ্চলের জন্য পৃথক বুথ নির্মাণ করা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলের জন্য বুথ নং-১, রাজশাহী অঞ্চলের জন্য বুথ-২, রংপুর অঞ্চলের বুথ-৩, চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য বুথ-৪, কুমিল্লা অঞ্চলের বুথ-৫, সিলেট অঞ্চলের বুথ-৬, ঢাকা অঞ্চলের বুথ-৭, ময়মনসিংহ অঞ্চলের বুথ-৮, বরিশাল অঞ্চলের বুথ-৯ ও ফরিদপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-১০ নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সাতটি নির্দেশনা মেনে সংক্ষুব্ধদের আপিল করতে হবে।
সারা দেশে মনোনয়নপত্র বাতিল হলো যাদের-
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের সাতটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হকসহ ১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৪৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন। চট্টগ্রাম-৯ আসনে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ডা. ফজলুল হক হলফনামায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি উপস্থাপন করলেও এর পক্ষে কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আলী আব্বাস ও গণঅধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
রংপুর : রংপুর-১ (গংগাচড়া-সিটি আংশিক) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ অবস্থায় ওই আসনে নতুন করে ভোটের মেরুকরণ শুরু হয়েছে।
খুলনা : খুলনার ছয়টি আসনে ৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ও ১১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
ময়মনসিংহ : জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং একজন প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
ফরিদপুর : ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, মধুখালী, আলফাডাঙ্গা) আসনে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন মৃন্ময় কান্তি দাস (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি), মো. হাসিবুর রহমান (জাতীয় নাগরিক পার্টি), শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু (বিএনপি, স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ আরিফুর রহমান দোলন (স্বতন্ত্র), মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ (স্বতন্ত্র), লায়লা আরজুমান বানু (স্বতন্ত্র), মো. গোলাম কবীর মিয়া (স্বতন্ত্র), মো. আব্দুর রহমান জিকো (স্বতন্ত্র)।
কিশোরগঞ্জ, কটিয়াদি ও পাকুন্দিয়া : জাতীয় পার্টির (এরশাদ) সাবেক মহাসচিব এবং বর্তমানে জাতীয় পার্টির একাংশের নির্বাহী সভাপতি সাবেক মন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে এমপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। রূপালী ব্যাংকের ঋণখেলাপির কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। একই আসনে বিএনপি প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. এম ওসমান ফারুকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপর দিকে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবুল বাশার রেজওয়ান, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. বিল্লাল হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান খোকন ও নূর উদ্দীন আহমেদ।
নওগাঁ ও মহাদেবপুর : জেলার ছয়টি আসনে ৪১ জনের মধ্যে ৩৩ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব আসনে আটজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসনে আটজনের মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তাদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নুরুল ইসলাম মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নিজ রাজনৈতিক দলের স্বপক্ষে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া সাবেক যুবদল নেতা মাহমুদুস সালেহীন ও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব হোসেনের ১ শতাংশ সমর্থনসূচক তালিকায় গড়মিল পাওয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর ও বদলগাছী) আসনে আটজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ আসনে স্বতন্ত্র হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া দুজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক যুবদল নেতা ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার প্রয়াত আখতার হামিদ সিদ্দিকীর ছেলে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী এবং আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন রয়েছেন।
নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তাদের মধ্যে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ওই প্রার্থী হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সমবায়বিষয়ক সম্পাদক নজমুল হক।
মানিকগঞ্জ ও সিংগাইর : জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী রোমান, আব্দুল হক মোল্লাসহ জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম আব্দুল মান্নান ঋণখেলাপির দায়ে ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতাসহ তিনজন রয়েছেন।
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) : কুষ্টিয়া-৪ আসনে ১০ জন এমপি প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদি এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির খাইরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনে ২৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ এবং ১১ জনের বাতিল করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে মুসলিম লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ গোফরান, লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার, এবি পার্টির কেফায়েত উল্যা, কল্যাণ পার্টির ফরহাদ মিয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে জেএসডির প্রার্থী হারুন অর রশিদ, এনসিপির সেলিম মাহমুদ ও এনপিপির প্রার্থী সামছুদ্দিন এবং লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আ ন ম মঞ্জুর মোরশেদ, শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ও নুরুল হুদা চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
জামালপুর : জেলার পাঁচটি আসনে ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৬ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ১৯ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জামালপুর-৫ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জাকির হোসেন খানসহ চারজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
ফেনী ও ছাগলনাইয়া : ফেনীর তিনটি আসনে ৩৫টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ২২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ও ১৩ জনের বাতিল করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফেনী-১ আসনে তার মনোনয়নপত্রটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এ আসনে বিএনপির অপর মনোনীত প্রার্থী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মুন্সি রফিকুল আলম মজনুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
নরসিংদী : জেলার পাঁচটি আসনে ৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নরসিংদী-১ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টি থেকে সাবেক এমপি মো. মোস্তফা জামানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম : জেলার চারটি আসনে ৩০ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে ২৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ও চারজনের বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন-কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল প্রতীক) সাবেক এমপি পনির আহমেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (কাঁঠাল প্রতীক) প্রার্থী আতিকুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুল আলম সালেহী এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল খালেক সরকার।
পাবনা : জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু পাবনা-৫ (সদর) আসনে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি। পাবনা-৪ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। পাবনা-২ আসনে বাতিল একজন হলেন গণফোরামের প্রার্থী শেখ নাসির উদ্দিন। পাবনা-৩ আসনে বাতিল একজন হলেন গণধিকার পরিষদের প্রার্থী হাসানুল ইসলাম রাজা (জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা)।
সিলেট : সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এমএ মালিক ও সিলেট-৬ আসনে দলটির প্রার্থী ফয়সল চৌধুরীসহ সিলেটে স্থগিত হওয়া চার প্রার্থীর মনোনয়ন গৃহীত হয়েছে। তবে সিলেট-১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী এহতেশামুল হকের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

















