সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ সিলেট নগরীতে সড়ক ও জনপথ সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যায়ক্রমে এ গ্রেডে উন্নীত করা হবে- এমপি মুক্তাদির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডা. শফিকুর রহমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার

১৬ বছর পর আজ শুরু হয়েছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ শুরু হয়েছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর পাঁচটি বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। দেশের ৬১১ কেন্দ্রে একযোগে এ মেধা যাচাই লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী। পরীক্ষা নির্বিঘ্ন করতে শিক্ষা বোর্ডগুলো জারি করেছে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা, যা অমান্য করলে বাতিল হতে পারে পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা।

জানা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফেরাতে প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতি ২০ শিক্ষার্থীর জন্য রাখা হয়েছে একজন করে কক্ষ পরিদর্শক। ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনো ধরনের স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ বা ব্লুটুথ ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য পরীক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অনুমতিপ্রাপ্ত ক্যাসিও ব্র্যান্ডের নির্দিষ্ট কিছু মডেল (যেমন: Fx-82MS, Fx-100MS, Fx-991ES Plus, Fx-991CW প্রভৃতি) এবং সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।

প্রোগ্রামেবল কোনো ক্যালকুলেটর পাওয়া গেলে তা তাৎক্ষণিক বাজেয়াপ্ত করা হবে। ৪০০ নম্বরের এই পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ এবং বিজ্ঞান ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রেখেছে এনসিটিবি।

এর আগে ২০০৯ সালের পর জেএসসি-জেডিসিপ্রথা চালু হওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এই বিশেষ বৃত্তি পরীক্ষা। বৈষম্যবিরোঘী ছাত্র অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে আবারও এই ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এবারের নীতিমালায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে, যার ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীর জন্য সংরক্ষিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১৬ বছর পর আজ শুরু হয়েছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ শুরু হয়েছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর পাঁচটি বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। দেশের ৬১১ কেন্দ্রে একযোগে এ মেধা যাচাই লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী। পরীক্ষা নির্বিঘ্ন করতে শিক্ষা বোর্ডগুলো জারি করেছে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা, যা অমান্য করলে বাতিল হতে পারে পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা।

জানা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফেরাতে প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতি ২০ শিক্ষার্থীর জন্য রাখা হয়েছে একজন করে কক্ষ পরিদর্শক। ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনো ধরনের স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ বা ব্লুটুথ ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য পরীক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অনুমতিপ্রাপ্ত ক্যাসিও ব্র্যান্ডের নির্দিষ্ট কিছু মডেল (যেমন: Fx-82MS, Fx-100MS, Fx-991ES Plus, Fx-991CW প্রভৃতি) এবং সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।

প্রোগ্রামেবল কোনো ক্যালকুলেটর পাওয়া গেলে তা তাৎক্ষণিক বাজেয়াপ্ত করা হবে। ৪০০ নম্বরের এই পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ এবং বিজ্ঞান ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রেখেছে এনসিটিবি।

এর আগে ২০০৯ সালের পর জেএসসি-জেডিসিপ্রথা চালু হওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এই বিশেষ বৃত্তি পরীক্ষা। বৈষম্যবিরোঘী ছাত্র অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে আবারও এই ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এবারের নীতিমালায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে, যার ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীর জন্য সংরক্ষিত।