সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ১১০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহীদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের লাশ শনাক্তকরণ কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ।

তিনি বলেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে ১১৪ মরদেহ উত্তোলন করে আবেদনকারী ৯টি পরিবারের মধ্যে আটজনের ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেছে সিআইডি। পরিচয় শনাক্তের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের স্বজনরা। 

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া আটজন হলেন- ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার মো. মাহিন মিয়া (২৫), শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার আসাদুল্লাহ, চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বারোহাটিয়া গ্রামের পারভেজ বেপারী, পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার সোহেল রানা, ফেনীর রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদার কাবিল হোসেন (৫৮)।

সিআইডি জানায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

সিআইডি আরও জানায়, এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত ডিএনএ নমুনার মাধ্যমে এরই মধ্যে আটজন অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় সফলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত

আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহীদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের লাশ শনাক্তকরণ কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ।

তিনি বলেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে ১১৪ মরদেহ উত্তোলন করে আবেদনকারী ৯টি পরিবারের মধ্যে আটজনের ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেছে সিআইডি। পরিচয় শনাক্তের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের স্বজনরা। 

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া আটজন হলেন- ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার মো. মাহিন মিয়া (২৫), শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার আসাদুল্লাহ, চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বারোহাটিয়া গ্রামের পারভেজ বেপারী, পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার সোহেল রানা, ফেনীর রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদার কাবিল হোসেন (৫৮)।

সিআইডি জানায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

সিআইডি আরও জানায়, এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত ডিএনএ নমুনার মাধ্যমে এরই মধ্যে আটজন অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় সফলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।