ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে: প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব- এম এ মালিক এমপি প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কার্ড শিগগির চালু হবে : প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী  সিলেট একদিনে ধরা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ১৬ জন দেশের জন্য ট্যাক্স জিডিপি রেশিও বাড়াতে হবে- বাণিজ্যমন্ত্রী মন্ত্রীদের কাঁচা কথাবার্তায় অপরাধ উস্কে দিচ্ছে- ডা, শফিকুর জনগণের কাজ আমাদেরকে ঠিকমতো করতে হবে – কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট থেকে সংসদে আলোচিত ৬ নেত্রীর নাম সিলেট বিভাগের এক এমপিকে হ ত্যা চেষ্টার মামলায় জামায়াত প্রার্থীসহ আসামি দুই শতাধিক

জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহীদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের লাশ শনাক্তকরণ কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ।

তিনি বলেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে ১১৪ মরদেহ উত্তোলন করে আবেদনকারী ৯টি পরিবারের মধ্যে আটজনের ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেছে সিআইডি। পরিচয় শনাক্তের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের স্বজনরা। 

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া আটজন হলেন- ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার মো. মাহিন মিয়া (২৫), শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার আসাদুল্লাহ, চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বারোহাটিয়া গ্রামের পারভেজ বেপারী, পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার সোহেল রানা, ফেনীর রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদার কাবিল হোসেন (৫৮)।

সিআইডি জানায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

সিআইডি আরও জানায়, এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত ডিএনএ নমুনার মাধ্যমে এরই মধ্যে আটজন অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় সফলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত

আপডেট সময় : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহীদের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের লাশ শনাক্তকরণ কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ।

তিনি বলেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে ১১৪ মরদেহ উত্তোলন করে আবেদনকারী ৯টি পরিবারের মধ্যে আটজনের ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করেছে সিআইডি। পরিচয় শনাক্তের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের স্বজনরা। 

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া আটজন হলেন- ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার মো. মাহিন মিয়া (২৫), শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার আসাদুল্লাহ, চাঁদপুরের মতলব উপজেলার বারোহাটিয়া গ্রামের পারভেজ বেপারী, পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিনা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার সোহেল রানা, ফেনীর রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদার কাবিল হোসেন (৫৮)।

সিআইডি জানায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

সিআইডি আরও জানায়, এ পর্যন্ত অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত ডিএনএ নমুনার মাধ্যমে এরই মধ্যে আটজন অজ্ঞাতপরিচয় শহীদের পরিচয় সফলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।