ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হাইকমিশনে গিয়ে খালেদা জিয়ার প্রতি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ – ৩০০ আসনে বৈধ প্রার্থী ১৮৪২, বাতিল ৭২৩ নতুন বছরে এলপি গ্যাসের দামে ধাক্কা, বাড়ল ৫৩ টাকা ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি) দিবস পালিত জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত আজমিরীগঞ্জে লাইসেন্স ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি চলছে অবাদে শাহ-আরেফিন টিল্লায় পাথর উত্তোলন ঠেকাতে যৌথ বাহিনীর অভিযান- সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ইসলামের আলোকে জীবন পরিচালিত করতে হবে

অবসরে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দেশের বিচার বিভাগের শীর্ষ পদ থেকে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে গেলেন ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি বিচারিক জীবনের ইতি টানলেন। 

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট শপথ নেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ রেফাত আহমেদ যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে ডিগ্রি লাভ করেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গেও কাজ করেছেন।

তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন এবং এর দুই বছর পর হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ এবং ড. সুফিয়া আহমেদের ছেলে। 

ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ দুই দফায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মা ভাষা সৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. সুফিয়া আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক।

প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি বিচার বিভাগের জন্য একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। সে অনুযায়ী বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় গঠন এবং বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবসরে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

আপডেট সময় : ১২:৫৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দেশের বিচার বিভাগের শীর্ষ পদ থেকে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে গেলেন ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি বিচারিক জীবনের ইতি টানলেন। 

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট শপথ নেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ রেফাত আহমেদ যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে ডিগ্রি লাভ করেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গেও কাজ করেছেন।

তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন এবং এর দুই বছর পর হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ এবং ড. সুফিয়া আহমেদের ছেলে। 

ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ দুই দফায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মা ভাষা সৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. সুফিয়া আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক।

প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি বিচার বিভাগের জন্য একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। সে অনুযায়ী বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় গঠন এবং বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।