সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে এসএসসিতে শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ফেল ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ সিলেট দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ সিলেটে স্বামী উপপরিচালক ক্ষমতার কেন্দ্রে স্ত্রী! জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মাধবপুর ডিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার সিলেটে হামের উপসর্গে মৃত্যু ৩ সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেপ্তার হবিগঞ্জ মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২ সিলেটে কাজ করতে সিটি কর্পোরেশনের এক কর্মচারী বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু, আহত ২

একদিনে কত কাপ চা-কফি পান করা উচিত, জানালেন পুষ্টিবিদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক ;

সকালে বেডে শুয়ে চা কিংবা কফি ছাড়া চোখ খুলতে চায় না। আপনার শরীরেরও জড়তা কাটতে চায় না ক্যাফিনযুক্ত গরম পানীয় ছাড়া। তাই চা কিংবা কফির কাপে চুমুক দিয়ে তারপর ঘুম থেকে ওঠা। এভাবে সারা দিনে আরও বেশ কয়েক কাপ চা কিংবা কফি থাকে আপনার সঙ্গী হিসেবে। এভাবে ২৪ ঘণ্টায় মোট কতবার চা-কফি পান করেন আপনি জানেন কি? 

বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর ও আলিয়া ভাটের পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকর সম্প্রতি চা ও কফির নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পর্কে জানালেন। বিশেষ করে দুধ চায়ের ক্ষেত্রে এ পরিমাণ জানা ভীষণ জরুরি।

এ পুষ্টিবিদ বলেন, আপনি যদি রুটিন মেনে চলার পক্ষপাতী হন, তাহলে দুই থেকে তিন কাপের বেশি চা কিংবা কফি খাওয়া উচিত নয়। কিন্তু যদি সুপারম্যানের মতো কেউ হন, তাহলে বিষয়টি আলাদা হতে পারে। 

তিনি বলেন, একবার হিমালয়ে গিয়ে ৮০-৮৫ বছরের এক বৃদ্ধার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল, যিনি নাকি দিনে ৫০ কাপ চা খেয়েও সুস্থ থাকেন, অম্বলের কোনো সমস্যা হয় না। আপনি যদি এমন কেউ হন, তাহলে যত ইচ্ছে চা কিংবা কফি খেতে পারেন। 

শেষটুকু মশকরা হয়ে থাকলেও তা থেকে প্রয়োজনীয় বক্তব্যটিকে গ্রহণ করা উচিত। কারণ দিনে ২-৩ কাপের বেশি চা খেলে অম্বলের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।

ঋজুতা বলেন, সকালে খালি পেটে চা খাওয়া একদমই উচিত নয়। সকালে পেট ভরানোর জন্য পূর্ণাঙ্গ মিল খাওয়া যদি অসম্ভব হয়ে থাকে, তাহলে অন্তত কয়েকটি ফল দিয়ে দিন শুরু করা উচিত। তবে ফ্রিজারে রেখে দেওয়া হিমায়িত ফল চলবে না। কারণ জুস বা রস বার করে খেলে উপকারী ফাইবার শরীরে পৌঁছবে না। সব উপকারী উপাদান যাতে শরীরে শোষিত হয়, তার জন্য টাটকা ফল খেতে হবে সকাল সকাল। তা ছাড়া বিকাল ৪টার পর চা খাওয়া থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিচ্ছেন ঋজুতা। নয়তো রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে। আর এ অভ্যাসের বিরোধিতা করে ঋজুতা জানালেন, এর ফলে শরীরে পুষ্টি পৌঁছায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একদিনে কত কাপ চা-কফি পান করা উচিত, জানালেন পুষ্টিবিদ

আপডেট সময় : ০২:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

লাইফস্টাইল ডেস্ক ;

সকালে বেডে শুয়ে চা কিংবা কফি ছাড়া চোখ খুলতে চায় না। আপনার শরীরেরও জড়তা কাটতে চায় না ক্যাফিনযুক্ত গরম পানীয় ছাড়া। তাই চা কিংবা কফির কাপে চুমুক দিয়ে তারপর ঘুম থেকে ওঠা। এভাবে সারা দিনে আরও বেশ কয়েক কাপ চা কিংবা কফি থাকে আপনার সঙ্গী হিসেবে। এভাবে ২৪ ঘণ্টায় মোট কতবার চা-কফি পান করেন আপনি জানেন কি? 

বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর ও আলিয়া ভাটের পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকর সম্প্রতি চা ও কফির নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পর্কে জানালেন। বিশেষ করে দুধ চায়ের ক্ষেত্রে এ পরিমাণ জানা ভীষণ জরুরি।

এ পুষ্টিবিদ বলেন, আপনি যদি রুটিন মেনে চলার পক্ষপাতী হন, তাহলে দুই থেকে তিন কাপের বেশি চা কিংবা কফি খাওয়া উচিত নয়। কিন্তু যদি সুপারম্যানের মতো কেউ হন, তাহলে বিষয়টি আলাদা হতে পারে। 

তিনি বলেন, একবার হিমালয়ে গিয়ে ৮০-৮৫ বছরের এক বৃদ্ধার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল, যিনি নাকি দিনে ৫০ কাপ চা খেয়েও সুস্থ থাকেন, অম্বলের কোনো সমস্যা হয় না। আপনি যদি এমন কেউ হন, তাহলে যত ইচ্ছে চা কিংবা কফি খেতে পারেন। 

শেষটুকু মশকরা হয়ে থাকলেও তা থেকে প্রয়োজনীয় বক্তব্যটিকে গ্রহণ করা উচিত। কারণ দিনে ২-৩ কাপের বেশি চা খেলে অম্বলের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।

ঋজুতা বলেন, সকালে খালি পেটে চা খাওয়া একদমই উচিত নয়। সকালে পেট ভরানোর জন্য পূর্ণাঙ্গ মিল খাওয়া যদি অসম্ভব হয়ে থাকে, তাহলে অন্তত কয়েকটি ফল দিয়ে দিন শুরু করা উচিত। তবে ফ্রিজারে রেখে দেওয়া হিমায়িত ফল চলবে না। কারণ জুস বা রস বার করে খেলে উপকারী ফাইবার শরীরে পৌঁছবে না। সব উপকারী উপাদান যাতে শরীরে শোষিত হয়, তার জন্য টাটকা ফল খেতে হবে সকাল সকাল। তা ছাড়া বিকাল ৪টার পর চা খাওয়া থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিচ্ছেন ঋজুতা। নয়তো রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে। আর এ অভ্যাসের বিরোধিতা করে ঋজুতা জানালেন, এর ফলে শরীরে পুষ্টি পৌঁছায় না।