সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ট্রাফিক সপ্তাহ-২০২৬ এর সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সিলেট মহানগরীর সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ডিসি সারওয়ারকে পদায়ন করল সরকার সিলেটে ভারী বর্ষণ, সুরমা ও কুশিয়ারার ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায় পানি বাড়ছে সিলেটের দুই মাজারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, নতুন দানবাক্স স্থাপন ও পূর্বের ডেগ ও দানবাক্স সিলগালা সিলেটে ভারতের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে তলিয়ে গেছে পর্যটনকেন্দ্র, সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা 

গোবর্ধন পূজায় ভক্তসমুদ্র: হাজারো আইটেমে ইসকনে অন্নকূট উদযাপন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ভক্তি, আনন্দ আর গোবর্ধনকে নিবেদিত হাজারো আইটেমের সুবাসে বুধবার (২২ অক্টোবর) সিলেটের ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছিল এক উৎসবমুখর তীর্থক্ষেত্র।

কয়েক হাজার ভক্ত-দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে পালিত হয়েছে পবিত্র অন্নকূট উৎসব ও গিরিগোবর্ধন পূজা, যা ভক্তদের হৃদয়ে এনে দিয়েছে অপরিমেয় আধ্যাত্মিক উচ্ছ্বাস।

শাস্ত্রবিধি অনুযায়ী ‘অন্নকূট’ অর্থ “অন্নের পাহাড়”- ভক্তরা  ভগবানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে গিরিরাজ গোবর্ধনকে হাজার পদে রান্না করা ভোগ নিবেদন করা হয়। সেই প্রাচীন ঐতিহ্য আজও ভক্তরা অটুট ভক্তিভরে পালন করে আসছেন।

ভোর থেকে শুরু হয় রান্না, সজ্জা ও প্রস্তুতির মহাযজ্ঞ। শতাধিক চুলায় রান্না হয় নানা রকমের নৈবেদ্য। ভক্তদের ভালোবাসায় প্রস্তুত সেই হাজার রকমের পদ নিবেদন করা হয় ভগবান শ্রী গিরিরাজ গোবর্ধনের উদ্দেশ্যে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি  সুদীপ রঞ্জন সেন।

তিনি বলেন, “অন্নকূট উৎসব আমাদের সবাইকে ভগবানের প্রতি ভক্তি,ঐক্য ও দেশের প্রতি সেবার মহত্ত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।”

সভাপতিত্ব করেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।

তিনি বলেন, “ভক্তি মানে নিবেদন- অন্নকূট সেই নিবেদনেরই প্রতীক। ভগবানের সেবার মধ্য দিয়েই জীবনের পূর্ণতা আসে।”

দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় কীর্তনমেলা, গো-পুজা, ব্রাহ্মণপুজা, গিরিরাজ মহাভিষেক,  ভক্তিমূলক আলোচনা ও মহাপ্রসাদ বিতরণ। হাজারো ভক্ত একসঙ্গে গিরিগোবর্ধনকে দর্শন, পরিক্রমা ও মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে উৎসবের পরম আনন্দ ভাগ করে নেন।

দিনব্যাপী এই আয়োজন ইসকন সিলেটকে পরিণত করেছিল এক ভক্তিময় আনন্দধামে- যেখানে ভক্তি, সেবা ও সমর্পণের আলোয় আলোকিত ছিল প্রতিটি হৃদয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গোবর্ধন পূজায় ভক্তসমুদ্র: হাজারো আইটেমে ইসকনে অন্নকূট উদযাপন

আপডেট সময় : ১২:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ভক্তি, আনন্দ আর গোবর্ধনকে নিবেদিত হাজারো আইটেমের সুবাসে বুধবার (২২ অক্টোবর) সিলেটের ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছিল এক উৎসবমুখর তীর্থক্ষেত্র।

কয়েক হাজার ভক্ত-দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে পালিত হয়েছে পবিত্র অন্নকূট উৎসব ও গিরিগোবর্ধন পূজা, যা ভক্তদের হৃদয়ে এনে দিয়েছে অপরিমেয় আধ্যাত্মিক উচ্ছ্বাস।

শাস্ত্রবিধি অনুযায়ী ‘অন্নকূট’ অর্থ “অন্নের পাহাড়”- ভক্তরা  ভগবানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে গিরিরাজ গোবর্ধনকে হাজার পদে রান্না করা ভোগ নিবেদন করা হয়। সেই প্রাচীন ঐতিহ্য আজও ভক্তরা অটুট ভক্তিভরে পালন করে আসছেন।

ভোর থেকে শুরু হয় রান্না, সজ্জা ও প্রস্তুতির মহাযজ্ঞ। শতাধিক চুলায় রান্না হয় নানা রকমের নৈবেদ্য। ভক্তদের ভালোবাসায় প্রস্তুত সেই হাজার রকমের পদ নিবেদন করা হয় ভগবান শ্রী গিরিরাজ গোবর্ধনের উদ্দেশ্যে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি  সুদীপ রঞ্জন সেন।

তিনি বলেন, “অন্নকূট উৎসব আমাদের সবাইকে ভগবানের প্রতি ভক্তি,ঐক্য ও দেশের প্রতি সেবার মহত্ত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।”

সভাপতিত্ব করেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেট মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ।

তিনি বলেন, “ভক্তি মানে নিবেদন- অন্নকূট সেই নিবেদনেরই প্রতীক। ভগবানের সেবার মধ্য দিয়েই জীবনের পূর্ণতা আসে।”

দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় কীর্তনমেলা, গো-পুজা, ব্রাহ্মণপুজা, গিরিরাজ মহাভিষেক,  ভক্তিমূলক আলোচনা ও মহাপ্রসাদ বিতরণ। হাজারো ভক্ত একসঙ্গে গিরিগোবর্ধনকে দর্শন, পরিক্রমা ও মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে উৎসবের পরম আনন্দ ভাগ করে নেন।

দিনব্যাপী এই আয়োজন ইসকন সিলেটকে পরিণত করেছিল এক ভক্তিময় আনন্দধামে- যেখানে ভক্তি, সেবা ও সমর্পণের আলোয় আলোকিত ছিল প্রতিটি হৃদয়।