সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান দেশের বিভিন্ন বিভাগে ভারি বৃষ্টির শঙ্কা— সিলেটে বদলি গণপূর্তের ১৩ প্রকৌশলী ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর,শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত সিলেটে বা*সা-বা*ড়ি নির্মাণ নিয়ে নির্দেশনা দিল সিউক— সিলেট উপশহরে একটি বাসায় এসি চুরি করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু সিলেটে ট্রিপল মার্ডার নিয়ে রহস্য, তৈরি হয়েছে জটিলতা পুলিশ খুঁজছে প্রেমের সূত্র, পরিবারের দাবি সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব*** আগামী ৫দিন সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে সিলেটে রায়নগর ট্রি প ল মার্ডার, বাবুল ৪দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর সিলেটে গ্যাস সংকটে যানবাহনের ভাড়া বৃদ্ধি, ক্ষোভ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৩৪ দিনে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা

বন্যা-ভূমিধসে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, কেপিতেই নিহত ৩ শতাধিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫ ১১২ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং বৃষ্টিপাতজনিত ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে।  গত ৪৮ ঘণ্টায় শুধু  খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশেই ৩০৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।   খবর জিও নিউজের।

প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) শনিবার জানিয়েছে, কেপিতে মৃতদের মধ্যে ২৭৯ জন পুরুষ, ১৫ জন মহিলা এবং ১৩ জন শিশু রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বন্যায় মোট ৭৪টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৬৩টি বাড়ি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং ১১টি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে।

বৃষ্টিপাত ২১ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ছে পিডিএমএ। 

এছাড়া, বুনেরে—বাজাউর, তোরঘর, মানসেহরা, শাংলা এবং অন্যান্য এলাকায় বৃষ্টিপাতজনিত ঘটনায় ১৮৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।  পিডিএমএ জানিয়েছে,  বন্যাদুর্গত জেলাগুলোর জন্য ৫০০ মিলিয়ন রুপির ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। 

এর মধ্যে বুনেরের জন্য ১৫ মিলিয়ন রুপি এবং বাজাউর, বটগ্রাম এবং মানসেহরা প্রতিটির জন্য ১০ মিলিয়ন রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে।  সোয়াতসহ এসব জেলাকে কেপি সরকার ‘দুর্যোগকবলিত এলাকা’ ঘোষণা করেছে।

প্রাদেশিক উদ্ধার সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, প্রায় ২,০০০ উদ্ধারকর্মী ধ্বংসস্তূপ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার এবং নয়টি ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত রয়েছেন।

কেপির উদ্ধার সংস্থার মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফৈজি এএফপিকে বলেন, ‘ভারি বৃষ্টিপাত, বেশ কয়েকটি এলাকায় ভূমিধস এবং রাস্তাঘাট ভেসে যাওয়ার কারণে ত্রাণ সরবরাহে, বিশেষ করে ভারী যন্ত্রপাতি এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিবহনে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। ’

এদিকে, নিরাপত্তা সূত্র অনুসারে, সেনাবাহিনী প্রধান (সিওএএস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ নির্দেশনাও জারি করেছেন।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ এনডিএমএকে তাঁবু, ওষুধ, খাদ্য সরবরাহ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী তাৎক্ষণিকভাবে কেপিতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বন্যা-ভূমিধসে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, কেপিতেই নিহত ৩ শতাধিক

আপডেট সময় : ০২:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং বৃষ্টিপাতজনিত ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে।  গত ৪৮ ঘণ্টায় শুধু  খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশেই ৩০৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।   খবর জিও নিউজের।

প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) শনিবার জানিয়েছে, কেপিতে মৃতদের মধ্যে ২৭৯ জন পুরুষ, ১৫ জন মহিলা এবং ১৩ জন শিশু রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বন্যায় মোট ৭৪টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৬৩টি বাড়ি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং ১১টি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে।

বৃষ্টিপাত ২১ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ছে পিডিএমএ। 

এছাড়া, বুনেরে—বাজাউর, তোরঘর, মানসেহরা, শাংলা এবং অন্যান্য এলাকায় বৃষ্টিপাতজনিত ঘটনায় ১৮৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।  পিডিএমএ জানিয়েছে,  বন্যাদুর্গত জেলাগুলোর জন্য ৫০০ মিলিয়ন রুপির ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। 

এর মধ্যে বুনেরের জন্য ১৫ মিলিয়ন রুপি এবং বাজাউর, বটগ্রাম এবং মানসেহরা প্রতিটির জন্য ১০ মিলিয়ন রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে।  সোয়াতসহ এসব জেলাকে কেপি সরকার ‘দুর্যোগকবলিত এলাকা’ ঘোষণা করেছে।

প্রাদেশিক উদ্ধার সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, প্রায় ২,০০০ উদ্ধারকর্মী ধ্বংসস্তূপ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার এবং নয়টি ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত রয়েছেন।

কেপির উদ্ধার সংস্থার মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফৈজি এএফপিকে বলেন, ‘ভারি বৃষ্টিপাত, বেশ কয়েকটি এলাকায় ভূমিধস এবং রাস্তাঘাট ভেসে যাওয়ার কারণে ত্রাণ সরবরাহে, বিশেষ করে ভারী যন্ত্রপাতি এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিবহনে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। ’

এদিকে, নিরাপত্তা সূত্র অনুসারে, সেনাবাহিনী প্রধান (সিওএএস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ নির্দেশনাও জারি করেছেন।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ এনডিএমএকে তাঁবু, ওষুধ, খাদ্য সরবরাহ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী তাৎক্ষণিকভাবে কেপিতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।