ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান যেসব কারণে এই গরমে দই খাওয়া জরুরি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে নীতিমালা করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী তেল ছাড়াই ১২০ কিমি. গেল রতনের ‘বাইক’ এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া হবিগঞ্জ মাধবপুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৫ সিলেট জৈন্তাপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, আটক ১ হবিগঞ্জ বনবিভাগের অভিযানে পাচার করা আকাশমনি কাঠ জব্দ সিলেট রবিবার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

ঈদে ২০০০ বন্দির সাজা মওকুফ করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০২৩ ১৭০ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: প্রেস টিভি

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক,অনলাইন সংস্করণ,

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রায় ২০০০ বন্দির সাজা মওকুফ করেছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সর্বোচ্চ নেতা ১ হাজার ৭৬০ জন বন্দির সাজা মওকুফ করেছেন। আগামীকাল শনিবার অনেক দেশের সঙ্গে ইরানেও পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

খবরে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার এসব বন্দির অনেকের সাজার মেয়াদ কমিয়ে দেন, আবার অনেক বন্দিকে মুক্তির নির্দেশ দেন। যেসব বন্দিকে মুক্তি কিংবা তাদের সাজা কমানো হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই আদালত ও ইসলামি বিপ্লবী ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। বিপ্লবী ট্রাইবুনালের বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

প্রচারমাধ্যমটির অনলাইন সংস্করণে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে ক্ষমা ঘোষণার আগে ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেন এজেয়ি এসব বন্দির মুক্তি কিংবা সাজার মেয়াদ কমানোর বিষয়ে একটি চিঠির মাধ্যমে সুপারিশ করেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ইরানের সংবিধানের ১১০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বিভাগের প্রধানের সুপারিশক্রমে সর্বোচ্চ নেতা কারাবন্দীদের মুক্তি কিংবা তাদের সাজার মেয়াদ কমানোর অধিকার রাখেন। 

অবশ্য এই ক্ষমার বিষয়টি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে যেসব ব্যক্তি দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে অথবা অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানে জড়িত কিংবা ধর্ষণ, সশস্ত্র ডাকাতি, অপহরণ, ঘুষ এবং অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত তাদের জন্য এ ধরনের ক্ষমার কোনো সুযোগ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈদে ২০০০ বন্দির সাজা মওকুফ করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

আপডেট সময় : ০২:২১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০২৩

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: প্রেস টিভি

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক,অনলাইন সংস্করণ,

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রায় ২০০০ বন্দির সাজা মওকুফ করেছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সর্বোচ্চ নেতা ১ হাজার ৭৬০ জন বন্দির সাজা মওকুফ করেছেন। আগামীকাল শনিবার অনেক দেশের সঙ্গে ইরানেও পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

খবরে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার এসব বন্দির অনেকের সাজার মেয়াদ কমিয়ে দেন, আবার অনেক বন্দিকে মুক্তির নির্দেশ দেন। যেসব বন্দিকে মুক্তি কিংবা তাদের সাজা কমানো হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই আদালত ও ইসলামি বিপ্লবী ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। বিপ্লবী ট্রাইবুনালের বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

প্রচারমাধ্যমটির অনলাইন সংস্করণে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে ক্ষমা ঘোষণার আগে ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেন এজেয়ি এসব বন্দির মুক্তি কিংবা সাজার মেয়াদ কমানোর বিষয়ে একটি চিঠির মাধ্যমে সুপারিশ করেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ইরানের সংবিধানের ১১০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বিভাগের প্রধানের সুপারিশক্রমে সর্বোচ্চ নেতা কারাবন্দীদের মুক্তি কিংবা তাদের সাজার মেয়াদ কমানোর অধিকার রাখেন। 

অবশ্য এই ক্ষমার বিষয়টি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে যেসব ব্যক্তি দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে অথবা অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানে জড়িত কিংবা ধর্ষণ, সশস্ত্র ডাকাতি, অপহরণ, ঘুষ এবং অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত তাদের জন্য এ ধরনের ক্ষমার কোনো সুযোগ নেই।