সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সৌদি দূতাবাসের সাবেক দুই কর্মকর্তাসহ ৭ বাংলাদেশি গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩ ২২৮ বার পড়া হয়েছে

ঘুসের বিনিময়ে অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশের কর্মীদের কাজের ভিসা দেওয়ার জন্য পাঁচ দশমিক চার কোটি সৌদি রিয়ালের (প্রায় ১৫৪ কোটি টাকার) সমপরিমাণ অর্থ নেওয়ার অভিযোগে সৌদি আরবের দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ নাজাহা ঢাকায় দেশটির দূতাবাসের দুই সাবেক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। অবৈধ ওই ভিসা বাণিজ্যে জড়িত থাকার অপরাধে সাত বাংলাদেশিসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সৌদি আরবের তদারকি ও দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ নাজাহা গত শনিবার তাদের টুইটে এ তথ্য জানিয়েছে।
নাজাহার বরাত দিয়ে সৌদি দৈনিক আরব নিউজ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আবদুল্লাহ ফালাহ মুদাহি আল-শামারি ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের সাবেক উপরাষ্ট্রদূত ও কনস্যুলার বিভাগের প্রধান এবং খালেদ নাসের কনস্যুলার বিভাগের উপপ্রধান ছিলেন। সৌদি দূতাবাসের সাবেক এই দুই কর্মকর্তা সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছ থেকে অবৈধ ঘুস বাণিজ্যের কিছু অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তারা দুজনই ৫ কোটি ৪০ লাখ সৌদি রিয়াল ঘুস নিয়ে তার একাংশ সৌদি আরবে আর বাকি অর্থ দেশের বাইরে বিনিয়োগের কথাও স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলা করা হয়েছে।

সৌদি দূতাবাসের অবৈধ ভিসা বাণিজ্যের ব্যাপারে দেশটির রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নাজাহাকে তথ্য দিয়েছে। সরকারি পদের ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত লাভ বা জনস্বার্থে ক্ষতিসাধন করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে অবসরে যাওয়া দূতাবাসের কর্মকর্তারাও ছাড় পাবেননা বলে উল্লেখ করেছে নাজাহা।

এর আগে কর্মী ভিসা দেওয়ার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সির কাছ থেকে ঘুস নেওয়ার অভিযোগে মাস দুয়েক আগে ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। গ্রেফতারকৃত দুই কর্মকর্তা তাদের মধ্যে অন্যতম। ঢাকা ছাড়ার পর তাদের সৌদি আরবে গ্রেফতার করা হয়।
অবৈধ ভিসা বাণিজ্যের বিস্তারিত তদন্তের পর বাংলাদেশি নাগরিক আশরাফ উদ্দিন আকনাদ, আলমগীর হোসেন খান, শফিক আল ইসলাম শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ ভিসা বাণিজ্য ও সৌদি আরবের বাইরে অর্থপাচারের দায়ে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক মোহাম্মদ নাসের উদ্দিন নূর, জায়েদ উওসিদ মাফি, আবুল কালাম মোহাম্মদ রফিক আল ইসলাম, আজিজ আলহাক মুসলিম উদ্দিন ও আলামিন খান শহীদকেও গ্রেফতার করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সৌদি দূতাবাসের সাবেক দুই কর্মকর্তাসহ ৭ বাংলাদেশি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

ঘুসের বিনিময়ে অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশের কর্মীদের কাজের ভিসা দেওয়ার জন্য পাঁচ দশমিক চার কোটি সৌদি রিয়ালের (প্রায় ১৫৪ কোটি টাকার) সমপরিমাণ অর্থ নেওয়ার অভিযোগে সৌদি আরবের দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ নাজাহা ঢাকায় দেশটির দূতাবাসের দুই সাবেক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। অবৈধ ওই ভিসা বাণিজ্যে জড়িত থাকার অপরাধে সাত বাংলাদেশিসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সৌদি আরবের তদারকি ও দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ নাজাহা গত শনিবার তাদের টুইটে এ তথ্য জানিয়েছে।
নাজাহার বরাত দিয়ে সৌদি দৈনিক আরব নিউজ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আবদুল্লাহ ফালাহ মুদাহি আল-শামারি ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের সাবেক উপরাষ্ট্রদূত ও কনস্যুলার বিভাগের প্রধান এবং খালেদ নাসের কনস্যুলার বিভাগের উপপ্রধান ছিলেন। সৌদি দূতাবাসের সাবেক এই দুই কর্মকর্তা সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছ থেকে অবৈধ ঘুস বাণিজ্যের কিছু অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তারা দুজনই ৫ কোটি ৪০ লাখ সৌদি রিয়াল ঘুস নিয়ে তার একাংশ সৌদি আরবে আর বাকি অর্থ দেশের বাইরে বিনিয়োগের কথাও স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলা করা হয়েছে।

সৌদি দূতাবাসের অবৈধ ভিসা বাণিজ্যের ব্যাপারে দেশটির রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নাজাহাকে তথ্য দিয়েছে। সরকারি পদের ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত লাভ বা জনস্বার্থে ক্ষতিসাধন করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে অবসরে যাওয়া দূতাবাসের কর্মকর্তারাও ছাড় পাবেননা বলে উল্লেখ করেছে নাজাহা।

এর আগে কর্মী ভিসা দেওয়ার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সির কাছ থেকে ঘুস নেওয়ার অভিযোগে মাস দুয়েক আগে ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। গ্রেফতারকৃত দুই কর্মকর্তা তাদের মধ্যে অন্যতম। ঢাকা ছাড়ার পর তাদের সৌদি আরবে গ্রেফতার করা হয়।
অবৈধ ভিসা বাণিজ্যের বিস্তারিত তদন্তের পর বাংলাদেশি নাগরিক আশরাফ উদ্দিন আকনাদ, আলমগীর হোসেন খান, শফিক আল ইসলাম শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ ভিসা বাণিজ্য ও সৌদি আরবের বাইরে অর্থপাচারের দায়ে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক মোহাম্মদ নাসের উদ্দিন নূর, জায়েদ উওসিদ মাফি, আবুল কালাম মোহাম্মদ রফিক আল ইসলাম, আজিজ আলহাক মুসলিম উদ্দিন ও আলামিন খান শহীদকেও গ্রেফতার করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।