সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান দেশের বিভিন্ন বিভাগে ভারি বৃষ্টির শঙ্কা— সিলেটে বদলি গণপূর্তের ১৩ প্রকৌশলী ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর,শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত সিলেটে বা*সা-বা*ড়ি নির্মাণ নিয়ে নির্দেশনা দিল সিউক— সিলেট উপশহরে একটি বাসায় এসি চুরি করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু সিলেটে ট্রিপল মার্ডার নিয়ে রহস্য, তৈরি হয়েছে জটিলতা পুলিশ খুঁজছে প্রেমের সূত্র, পরিবারের দাবি সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব*** আগামী ৫দিন সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে সিলেটে রায়নগর ট্রি প ল মার্ডার, বাবুল ৪দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর সিলেটে গ্যাস সংকটে যানবাহনের ভাড়া বৃদ্ধি, ক্ষোভ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৩৪ দিনে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা

১,৮০০ এর বেশি ইসরাইলি নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪ ১১৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ দাবি অনুযায়ী, অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১,৮০২ জন ইসরাইলি নিহত হয়েছেন।

ইসরাইল ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন নামক একটি ইসরাইলি সংস্থা স্বীকার করে জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর চালানো হামাসের আল-আকসা স্টর্ম অপারেশন এবং এর পরবর্তীতে যুদ্ধ চলাকালীন ৯০২ জন ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী এবং ৯০০ জন কর্মকর্তা ও সৈন্যসহ ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। 

রোববার (৩ নভেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

একই সঙ্গে এই তথ্যের ঘোষণা নিহত ইসরাইলি সৈন্য ও বসতি স্থাপনকারীদের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করার প্রচেষ্টার অংশ বলেও জানা গেছে। 

অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরাইলের এই তথ্য গোপন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মূলত ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের আভ্যন্তরীণ মনোবল ধরে রাখতেই ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাদের পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক সংখ্যা খুব সতর্কতার সঙ্গে প্রকাশ করছে। 

এর আগে ইসরাইলি মিডিয়াগুলোও জানিয়েছিল যে, ইসরাইল নিয়ন্ত্রিত হাসপাতালগুলোতে হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা আর ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ঘোষণার সঙ্গে অনেকটা অমিল রয়েছে।

ইসরাইলি চ্যানেল টুয়েলভ জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কোনো তথ্য প্রকাশ করার আগে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে নির্দেশ দিয়েছে।

ইসরাইলি বর্বর বাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করে এবং গণহত্যা চালায়। যখন ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস দখলকৃত অঞ্চলে একটি আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে। 

হামাসের এই অভিযানের মাধ্যমে মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর সাত দশক ধরে চলা ইসরাইলি সহিংসতা ও আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হয়।

এদিকে ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত আক্রমণ এবং গাজায় বেসামরিক মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ এবং ইরাকের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসরাইল এবং মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যাতে ইসরাইলের এই বিধ্বংসী যুদ্ধ শেষ করতে চাপ সৃষ্টি করা যায়। 

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলের অব্যাহত আগ্রাসনের অংশ হিসেবে গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বাহিনীর চারটি পৃথক হামলায় ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছেন। 

এতে অবরুদ্ধ উপত্যকায় এক বছরেরও বেশি সময়ে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে ৪৩,৩৪১ জনে ঠেকেছে এবং আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০২,১০৫ জনে। সূত্র: আল-জাজিরা ও ইরনা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১,৮০০ এর বেশি ইসরাইলি নিহত

আপডেট সময় : ০৩:২৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ দাবি অনুযায়ী, অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১,৮০২ জন ইসরাইলি নিহত হয়েছেন।

ইসরাইল ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন নামক একটি ইসরাইলি সংস্থা স্বীকার করে জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর চালানো হামাসের আল-আকসা স্টর্ম অপারেশন এবং এর পরবর্তীতে যুদ্ধ চলাকালীন ৯০২ জন ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী এবং ৯০০ জন কর্মকর্তা ও সৈন্যসহ ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। 

রোববার (৩ নভেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

একই সঙ্গে এই তথ্যের ঘোষণা নিহত ইসরাইলি সৈন্য ও বসতি স্থাপনকারীদের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করার প্রচেষ্টার অংশ বলেও জানা গেছে। 

অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরাইলের এই তথ্য গোপন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মূলত ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের আভ্যন্তরীণ মনোবল ধরে রাখতেই ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাদের পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক সংখ্যা খুব সতর্কতার সঙ্গে প্রকাশ করছে। 

এর আগে ইসরাইলি মিডিয়াগুলোও জানিয়েছিল যে, ইসরাইল নিয়ন্ত্রিত হাসপাতালগুলোতে হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা আর ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ঘোষণার সঙ্গে অনেকটা অমিল রয়েছে।

ইসরাইলি চ্যানেল টুয়েলভ জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কোনো তথ্য প্রকাশ করার আগে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে নির্দেশ দিয়েছে।

ইসরাইলি বর্বর বাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করে এবং গণহত্যা চালায়। যখন ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস দখলকৃত অঞ্চলে একটি আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে। 

হামাসের এই অভিযানের মাধ্যমে মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর সাত দশক ধরে চলা ইসরাইলি সহিংসতা ও আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হয়।

এদিকে ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত আক্রমণ এবং গাজায় বেসামরিক মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ এবং ইরাকের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসরাইল এবং মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যাতে ইসরাইলের এই বিধ্বংসী যুদ্ধ শেষ করতে চাপ সৃষ্টি করা যায়। 

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলের অব্যাহত আগ্রাসনের অংশ হিসেবে গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বাহিনীর চারটি পৃথক হামলায় ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছেন। 

এতে অবরুদ্ধ উপত্যকায় এক বছরেরও বেশি সময়ে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে ৪৩,৩৪১ জনে ঠেকেছে এবং আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০২,১০৫ জনে। সূত্র: আল-জাজিরা ও ইরনা