সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ মালিকরা গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান শাবিপ্রবিতে  সাস্ট রিসার্চ সোসাইটির সভাপতি তামিম, সম্পাদক সিনজা সিলেট রাষ্ট্রপতির আগমনে বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ভারতে কয়লার খনিতে কয়লা তুলতে গিয়ে সিলেটের শ্রমিকের মৃত্যু সিলেটে শৌচাগারের ময়লা ছড়ায় ফেলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা- সিসিক শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী আশরাফুলকে চিকিৎসায় সহায়তার ৭০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করে ‘স্পোর্টস সাস্ট অ্যাসিস্ট সিলেটে টিকিট কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে আটক ২ মীরেরচকে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক এসএমপি পুলিশ কমিশনারের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন বটেশ্বর পুলিশ চেকপোস্ট পরিদর্শন: সিলেট (এসএমপি) ট্রাফিক বিভাগের কল্যান সভা অনুষ্ঠিত

সিলেটে শৌচাগারের ময়লা ছড়ায় ফেলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা- সিসিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর ফাজিলচিশত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)। এ সময় সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ না করে পাইপের মাধ্যমে টয়লেটের বর্জ্য সরাসরি ছড়ায় ফেলায় ছয় ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিত দেবের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সিলেট সিটি কর্পোরেশন আইন-২০০৯-এর ৯২ ধারায় ছয়জনকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ছড়া ও ড্রেনে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলা এবং দ্রুত সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের অঙ্গীকার করানো হয়।

অভিযান চলাকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ফাজিলচিশত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি টয়লেটের বর্জ্য ছড়া ও ড্রেনে না ফেলার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে মালনীছড়া প্রবাহিত হয়েছে। ছড়ার পানি স্বচ্ছ থাকার কথা থাকলেও সেপটিক ট্যাংক না থাকায় অনেক বাসাবাড়ি থেকে পাইপের মাধ্যমে সরাসরি টয়লেটের বর্জ্য ছড়ায় ফেলা হচ্ছে। এমনকি একটি মাদ্রাসার টয়লেটের বর্জ্যও ছড়ায় গিয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, টয়লেটের বর্জ্য সরাসরি ছড়ায় ফেলার কারণে শুধু ওই এলাকার পরিবেশই দূষিত হচ্ছে না, এর প্রভাব পুরো নগরীতে পড়ছে। ছড়ার পানি কালো ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে গেছে। এতে নগরবাসীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দ্রুত সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করতে হবে এবং ছড়ার সঙ্গে টয়লেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। নগরীর পরিবেশ রক্ষায় সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ছড়া, ড্রেন ও জলাশয়ে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিবেশ দূষণ রোধে সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের নিয়মকানুন মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে শৌচাগারের ময়লা ছড়ায় ফেলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা- সিসিক

আপডেট সময় : ০২:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর ফাজিলচিশত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)। এ সময় সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ না করে পাইপের মাধ্যমে টয়লেটের বর্জ্য সরাসরি ছড়ায় ফেলায় ছয় ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিত দেবের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সিলেট সিটি কর্পোরেশন আইন-২০০৯-এর ৯২ ধারায় ছয়জনকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ছড়া ও ড্রেনে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলা এবং দ্রুত সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের অঙ্গীকার করানো হয়।

অভিযান চলাকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ফাজিলচিশত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি টয়লেটের বর্জ্য ছড়া ও ড্রেনে না ফেলার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে মালনীছড়া প্রবাহিত হয়েছে। ছড়ার পানি স্বচ্ছ থাকার কথা থাকলেও সেপটিক ট্যাংক না থাকায় অনেক বাসাবাড়ি থেকে পাইপের মাধ্যমে সরাসরি টয়লেটের বর্জ্য ছড়ায় ফেলা হচ্ছে। এমনকি একটি মাদ্রাসার টয়লেটের বর্জ্যও ছড়ায় গিয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, টয়লেটের বর্জ্য সরাসরি ছড়ায় ফেলার কারণে শুধু ওই এলাকার পরিবেশই দূষিত হচ্ছে না, এর প্রভাব পুরো নগরীতে পড়ছে। ছড়ার পানি কালো ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে গেছে। এতে নগরবাসীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দ্রুত সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করতে হবে এবং ছড়ার সঙ্গে টয়লেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। নগরীর পরিবেশ রক্ষায় সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ছড়া, ড্রেন ও জলাশয়ে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিবেশ দূষণ রোধে সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের নিয়মকানুন মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।