সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করে শব্দ দোষনের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটে যেসব বাইক চালকদের ধরতে ওৎপেতে আছে পুলিশ সিলেটে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য দুঃসংবাদ দিয়েছে মহানগর পুলিশ। তবে সব চালকদের জন্য নয়। যারা হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করে শব্দ দোষনের জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেটভিউকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কশিমনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

জানা গেছে, কতিপয় মোটরসাইকেল চালক হাইড্রোলিক হর্ণ বাজিয়ে শব্দ দূষণ করে চলছেন। জনবহুল ও ব্যস্ততম সড়কে এসব চালকরা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে হাইড্রোলিক হর্ণ
 বাজিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। হাইড্রোলিক হর্ণের অতিমাত্রার শব্দের কারণে অসুস্থ, বয়স্ক ও নারী-শিশুরা বেশি আতঙ্ক হয়ে পড়েন। এসব বাইক চালকদের ধরতে পুলিশ সতর্ক
 রয়েছে। শব্দদূষণকারী বাইক চালকদের পেলে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সিলেটের নাগরিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে হাড্রোলিক হর্ণ। দিন-দুপুরে যখন তখন নগরীর রাজপথে একসাথে একাধিক মোটরসাইকেল মিলে যখন উচ্চ শব্দে হর্ণ বাজায়, তখন তা আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। এমনকি অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশেষ করে হৃদরোগে আক্রন্ত যারা বা যারা অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত তাদের জন্য এ এক অসহনীয় যন্ত্রণার বিষয়।


এদের নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে আইনের চেয়ে সামাজিক সচেতনতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তবে তা আর হয়ে উঠছেনা। প্রায় প্রতিদিনই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানীর খবর পাওয়া গেলেও বেপরোয়া চালকদের লাগাম টেনে ধরা খুবই কঠিন।

তবে সিলেট মহানগর পুলিশ বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। নগরীর প্রতিটি থানা এলাকা এবং ফাঁড়িগুলোর সামনে দিয়ে এরকম বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালক বা হাইড্রোলিক হর্ণ বাজিয়ে যারা মোটরসাইকেল নিয়ে চোখের পলকে চম্পট দেয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

তবে এ ব্যাপারে আরও কঠোর হচ্ছে তারা। আগের নির্দেশনার আলোকে যেমন কাজ হবে, তেমনি টহল পুলিশও এ ব্যাপারে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এধরনের চালকদের ধরে আইনের মুখোমুখী করতে পুলিশ প্রস্তুত- জানালেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত  উপপুলিশ কমিশানার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করে শব্দ দোষনের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটে যেসব বাইক চালকদের ধরতে ওৎপেতে আছে পুলিশ সিলেটে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য দুঃসংবাদ দিয়েছে মহানগর পুলিশ। তবে সব চালকদের জন্য নয়। যারা হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করে শব্দ দোষনের জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেটভিউকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কশিমনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

জানা গেছে, কতিপয় মোটরসাইকেল চালক হাইড্রোলিক হর্ণ বাজিয়ে শব্দ দূষণ করে চলছেন। জনবহুল ও ব্যস্ততম সড়কে এসব চালকরা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে হাইড্রোলিক হর্ণ
 বাজিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। হাইড্রোলিক হর্ণের অতিমাত্রার শব্দের কারণে অসুস্থ, বয়স্ক ও নারী-শিশুরা বেশি আতঙ্ক হয়ে পড়েন। এসব বাইক চালকদের ধরতে পুলিশ সতর্ক
 রয়েছে। শব্দদূষণকারী বাইক চালকদের পেলে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সিলেটের নাগরিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে হাড্রোলিক হর্ণ। দিন-দুপুরে যখন তখন নগরীর রাজপথে একসাথে একাধিক মোটরসাইকেল মিলে যখন উচ্চ শব্দে হর্ণ বাজায়, তখন তা আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। এমনকি অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশেষ করে হৃদরোগে আক্রন্ত যারা বা যারা অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত তাদের জন্য এ এক অসহনীয় যন্ত্রণার বিষয়।


এদের নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে আইনের চেয়ে সামাজিক সচেতনতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তবে তা আর হয়ে উঠছেনা। প্রায় প্রতিদিনই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানীর খবর পাওয়া গেলেও বেপরোয়া চালকদের লাগাম টেনে ধরা খুবই কঠিন।

তবে সিলেট মহানগর পুলিশ বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। নগরীর প্রতিটি থানা এলাকা এবং ফাঁড়িগুলোর সামনে দিয়ে এরকম বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালক বা হাইড্রোলিক হর্ণ বাজিয়ে যারা মোটরসাইকেল নিয়ে চোখের পলকে চম্পট দেয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

তবে এ ব্যাপারে আরও কঠোর হচ্ছে তারা। আগের নির্দেশনার আলোকে যেমন কাজ হবে, তেমনি টহল পুলিশও এ ব্যাপারে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এধরনের চালকদের ধরে আইনের মুখোমুখী করতে পুলিশ প্রস্তুত- জানালেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত  উপপুলিশ কমিশানার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।