ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গে ভবনের উপর থেকে ইট পড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু হবিগঞ্জ বাহুবলে ফুলতলী ছাহেব কিবলা (রহ.)-এর স্মরণে ক্বিরাত ও তাজবিদ প্রতিযোগিতা সিলেট মদিনা মার্কেটে বিএসটিআই-এর অভিযান,পরিমাপ যন্ত্রের ভেরিফিকেশন সিলেটে অপরাধ দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান , ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৬৬ সিলেটে ৭৬ বোতল মদসহ গ্রেফতার ২ ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্নে অংশজনের সাথে সিলেট হাইওয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও ইফতার  সিলেটে নবাগত পুলিশ সুপার  ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক যোগদান পুলিশের রেশন সেন্টারে দু*র্নীতি, মামলা সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযান- ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার মালামাল আটক সিলেট গোয়াইনঘাটে বিপুল পরিমাণ পণ্যসহ আটক-৮

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে। 

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। 

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে। 

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে। 

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। 

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে। 

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে। 

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। 

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে। 

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে। 

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। 

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে। 

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।