ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক হামে আক্রান্ত শিশুকে যা খাওয়াবেন পাকিস্তান ছাড়ল ইরানি প্রতিনিধিদল ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে বিজিবির অভিযানে সীমান্তে ৮টি ভারতীয় গরু জব্দ হবিগঞ্জ বাহুবলের হরিতলায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন , পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা জরিমানা ২১ হাজার টাকা,ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে র‍্যাব-৯ এর অভিযান, সিলেটে আটক যানবাহন ছেড়ে দিবে পুলিশ, মহানগর এলাকায় যানবাহনগুলো চালানো যাবে না সিলেটে সংস্কৃতি-যাত্রার ৩০ বছর উদযাপন করলো ‘চারুবাক’

ফ্রিজ বিস্ফোরণ কেন হয়, রোধের উপায় কি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

এ বছরের আগস্টে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নারায়ণগঞ্জে নারী-শিশুসহ দগ্ধ হয়েছিলেন নয়জন। সংগৃহীত ছবি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

দিনদিন বাড়ছে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ বিস্ফোরণের ঘটনা। সংবাদের শিরোনামও হয়। ফ্রিজের বিস্ফোরণের কারণে ঘরে আগুন লাগার শঙ্কা থাকে। এতে মালামাল নষ্ট তো বটে কখনও হারিয়ে বসতে হয় জীবন। তাই এই ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।

রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরণের মূল কারণ সাধারণত কয়েকটি বিষয় থেকে হয়ে থাকে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা তারের সমস্যা হলে অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হয়ে কম্প্রেসার অতিরিক্ত গরম হয় এবং ভেতরে চাপ বেড়ে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। 

গ্যাস লিকেজ বা অতিরিক্ত গ্যাস ভরা থাকলে সেটি কম্প্রেসারের ভেতরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি করে এবং তাপমাত্রা বেশি হয়ে গেলে বিস্ফোরণ হতে পারে। তৃতীয়ত, ভেতরে তেল বা গ্যাসের রাসায়নিক বিক্রিয়া (যেমন অশুদ্ধ রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার) হলে তা দাহ্য অবস্থার সৃষ্টি করে। কম্প্রেসারের ভেতরে ভেন্টিলেশনের সমস্যা বা কুলিং ফ্যান না চললে অতিরিক্ত তাপ জমে যায়, যা বিস্ফোরণের ঝুঁকি বাড়ায়।

রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ প্রতিরোধের জন্য কিছু বিষয় মেনে চলা প্রয়োজন। 

  • খেয়াল রাখতে হবে ভোল্টেজ ওঠানামা যেন কম্প্রেসারের ক্ষতি না করে।
  • সবসময় অনুমোদিত ও সঠিক রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করতে হবে, কারণ নকল বা ভুল ধরনের গ্যাস ভেতরে অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি করে বিস্ফোরণের ঝুঁকি বাড়ায়। 
  • নিয়মিত সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে গ্যাস লিক, বৈদ্যুতিক তার এবং কম্প্রেসারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত, এতে সম্ভাব্য সমস্যা আগেই ধরা যায়। 
  • ফ্রিজের তার বা প্লাগ যেন কখনও ক্ষতিগ্রস্ত বা ঢিলা না থাকে, কারণ সেখান থেকে শর্ট সার্কিট হতে পারে। 
  • কম্প্রেসারের চারপাশে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে অতিরিক্ত তাপ জমে না থাকে। 
  • টেকনিশিয়ানদের দিয়ে অতিরিক্ত গ্যাস ভরানো থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে প্রেসার বেড়ে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। 
  • ফ্রিজ সবসময় সমতল স্থানে স্থাপন করতে হবে যাতে কম্প্রেসারের ভেতরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি না হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফ্রিজ বিস্ফোরণ কেন হয়, রোধের উপায় কি

আপডেট সময় : ০২:১৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

এ বছরের আগস্টে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নারায়ণগঞ্জে নারী-শিশুসহ দগ্ধ হয়েছিলেন নয়জন। সংগৃহীত ছবি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

দিনদিন বাড়ছে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ বিস্ফোরণের ঘটনা। সংবাদের শিরোনামও হয়। ফ্রিজের বিস্ফোরণের কারণে ঘরে আগুন লাগার শঙ্কা থাকে। এতে মালামাল নষ্ট তো বটে কখনও হারিয়ে বসতে হয় জীবন। তাই এই ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।

রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরণের মূল কারণ সাধারণত কয়েকটি বিষয় থেকে হয়ে থাকে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা তারের সমস্যা হলে অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হয়ে কম্প্রেসার অতিরিক্ত গরম হয় এবং ভেতরে চাপ বেড়ে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। 

গ্যাস লিকেজ বা অতিরিক্ত গ্যাস ভরা থাকলে সেটি কম্প্রেসারের ভেতরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি করে এবং তাপমাত্রা বেশি হয়ে গেলে বিস্ফোরণ হতে পারে। তৃতীয়ত, ভেতরে তেল বা গ্যাসের রাসায়নিক বিক্রিয়া (যেমন অশুদ্ধ রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার) হলে তা দাহ্য অবস্থার সৃষ্টি করে। কম্প্রেসারের ভেতরে ভেন্টিলেশনের সমস্যা বা কুলিং ফ্যান না চললে অতিরিক্ত তাপ জমে যায়, যা বিস্ফোরণের ঝুঁকি বাড়ায়।

রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ প্রতিরোধের জন্য কিছু বিষয় মেনে চলা প্রয়োজন। 

  • খেয়াল রাখতে হবে ভোল্টেজ ওঠানামা যেন কম্প্রেসারের ক্ষতি না করে।
  • সবসময় অনুমোদিত ও সঠিক রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করতে হবে, কারণ নকল বা ভুল ধরনের গ্যাস ভেতরে অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি করে বিস্ফোরণের ঝুঁকি বাড়ায়। 
  • নিয়মিত সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে গ্যাস লিক, বৈদ্যুতিক তার এবং কম্প্রেসারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত, এতে সম্ভাব্য সমস্যা আগেই ধরা যায়। 
  • ফ্রিজের তার বা প্লাগ যেন কখনও ক্ষতিগ্রস্ত বা ঢিলা না থাকে, কারণ সেখান থেকে শর্ট সার্কিট হতে পারে। 
  • কম্প্রেসারের চারপাশে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে অতিরিক্ত তাপ জমে না থাকে। 
  • টেকনিশিয়ানদের দিয়ে অতিরিক্ত গ্যাস ভরানো থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে প্রেসার বেড়ে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। 
  • ফ্রিজ সবসময় সমতল স্থানে স্থাপন করতে হবে যাতে কম্প্রেসারের ভেতরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি না হয়।