সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিক্রির উদ্যোগ বা/তিলের দাবি বাসদের সিলেট সীমান্তে ৭৮ লক্ষ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ সিলেটে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করলেন এক চীনা যুবক সিলেট গোলাপগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ সিলেটসহ সারা দেশে গণপরিবহনের জন্য নির্দেশ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত বাধ্যতামূলক নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল

হবিগঞ্জে সাবেক ডিসি এডিসি ও দুই এসিল্যান্ডকে কে ১ মাস করে কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ ৮১ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় হবিগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও দুই সহকারি কমিশনার (ভূমি)-কে ১ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জের সিনিয়র সহকারি জজ তারেক আজিজ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত কেউই উপস্থিত ছিলেন না।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার (খোয়াই মুখ) এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালা করা হয়।

এ সময় আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ডিক্রী থাকার সত্তেও ওই এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুল হামিদের জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। এতে তার ঘর ভেঙে বেদখল করা হয়।

এই ঘটনায় আব্দুল হামিদ বাদি হয়ে ২০০৮ সালের ১০ আগস্ট হবিগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আতাউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) একেএম আমিনুল ইসলাম, বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরে আলম সিদ্দিকী এবং সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সফিউল আলমসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবি সুদীপ কান্তি বিশ্বাস জানান, ১৭ বছর পর আদালত হবিগঞ্জের তৎকালিন জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বানিয়াচংয়ের ইউএনও ও হবিগঞ্জের সহকারি কমিশনার (ভূমি)-কে ১ মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।

একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পাশাপাশি বাদিকে তার জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ২১ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জে সাবেক ডিসি এডিসি ও দুই এসিল্যান্ডকে কে ১ মাস করে কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় হবিগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও দুই সহকারি কমিশনার (ভূমি)-কে ১ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জের সিনিয়র সহকারি জজ তারেক আজিজ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত কেউই উপস্থিত ছিলেন না।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার (খোয়াই মুখ) এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালা করা হয়।

এ সময় আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ডিক্রী থাকার সত্তেও ওই এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুল হামিদের জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। এতে তার ঘর ভেঙে বেদখল করা হয়।

এই ঘটনায় আব্দুল হামিদ বাদি হয়ে ২০০৮ সালের ১০ আগস্ট হবিগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আতাউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) একেএম আমিনুল ইসলাম, বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরে আলম সিদ্দিকী এবং সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সফিউল আলমসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবি সুদীপ কান্তি বিশ্বাস জানান, ১৭ বছর পর আদালত হবিগঞ্জের তৎকালিন জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বানিয়াচংয়ের ইউএনও ও হবিগঞ্জের সহকারি কমিশনার (ভূমি)-কে ১ মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।

একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পাশাপাশি বাদিকে তার জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ২১ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন আদালত।