সংবাদ শিরোনাম ::

তিতাসে সরকারি চাল আত্মসাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

কুমিল্লার তিতাসে ওএমএসের চাল আত্মসাতের দায়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলার আসমানিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জহিরুলকে এ সাজা দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া মমিন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিতাসের আসমানিয়া বাজার এলাকার ওএমএস চালের ডিলার জহিরুল। সোমবার রাত ৮টার দিকে সরকারি চাল আত্মসাতের জন্য পিআপ ভ্যানে ৩৫ বস্তা চাল উঠান তিনি। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে পিকআপটি আটকায় স্থানীয়রা। পরে খবর দিলে সেখানে পুলিশ ও প্রশাসন এসে চালসহ জহিরুলকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাল আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের এ নেতা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জহিরুলকে জেল ও জরিমানা করা হয়।

ইউএনও সুমাইয়া মমিন বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে ডিলার জহিরুল চালগুলো আত্মসাতের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে জেল ও জরিমানা করা হয়। কোনো ডিলার অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিতাসে সরকারি চাল আত্মসাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

কুমিল্লার তিতাসে ওএমএসের চাল আত্মসাতের দায়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলার আসমানিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জহিরুলকে এ সাজা দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া মমিন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলন চাকমা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিতাসের আসমানিয়া বাজার এলাকার ওএমএস চালের ডিলার জহিরুল। সোমবার রাত ৮টার দিকে সরকারি চাল আত্মসাতের জন্য পিআপ ভ্যানে ৩৫ বস্তা চাল উঠান তিনি। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে পিকআপটি আটকায় স্থানীয়রা। পরে খবর দিলে সেখানে পুলিশ ও প্রশাসন এসে চালসহ জহিরুলকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাল আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের এ নেতা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জহিরুলকে জেল ও জরিমানা করা হয়।

ইউএনও সুমাইয়া মমিন বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে ডিলার জহিরুল চালগুলো আত্মসাতের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে জেল ও জরিমানা করা হয়। কোনো ডিলার অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’