ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক হামে আক্রান্ত শিশুকে যা খাওয়াবেন পাকিস্তান ছাড়ল ইরানি প্রতিনিধিদল ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে বিজিবির অভিযানে সীমান্তে ৮টি ভারতীয় গরু জব্দ হবিগঞ্জ বাহুবলের হরিতলায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন , পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা জরিমানা ২১ হাজার টাকা,ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে র‍্যাব-৯ এর অভিযান, সিলেটে আটক যানবাহন ছেড়ে দিবে পুলিশ, মহানগর এলাকায় যানবাহনগুলো চালানো যাবে না সিলেটে সংস্কৃতি-যাত্রার ৩০ বছর উদযাপন করলো ‘চারুবাক’

গরমে ভুলেও খাবেন না এসব খাবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

গরমকালে পেটের সমস্যা বেড়ে যায়, তাই এমন খাবার খাওয়া উচিত যা পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। অনেক খাবারই আছে যা শরীরের পানি শুষে নেয়, যা থেকে ডিহাইড্রেশন তৈরি হয় এবং শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

তাই দেখে নিন কোন খাবার গরমকালে এড়িয়ে চলা উচিত-

১. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার: চিপস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস। লবণ শরীর থেকে পানি টেনে নেয় এবং ঘন ঘন প্রস্রাবের মাধ্যমে ডিহাইড্রেশন তৈরি করে।

২. ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয়: চা, কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্কে থাকা ক্যাফেইন শরীরের ডিহাইড্রেশন বাড়ায়। এগুলো ডাইউরেটিক হিসেবে কাজ করে, ফলে শরীর থেকে পানি দ্রুত বেরিয়ে যায়।

৩. অতিরিক্ত মশলাযুক্ত ও তেলে ভাজা খাবার: সিঙ্গারা, পুরি, ফাস্ট ফুড, বিরিয়ানি ইত্যাদি মশলাদার ও তেলেভাজা খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। এর ফলে ঘাম বেশি হয় এবং শরীরের পানি দ্রুত কমে যায়।

৪. কার্বনেটেড সফট ড্রিঙ্কস: কোল্ড ড্রিঙ্ক, সোডা, ফিজি ড্রিঙ্ক এবং বোতলজাত জুসে উচ্চ মাত্রার চিনি থাকে। এগুলো সাময়িকভাবে ঠাণ্ডা অনুভব করালেও শরীরের পানি শোষণ করে নেয়। এসবের পরিবর্তে ডাবের পানি বা ফলের রস খাওয়া অনেক ভালো।

৫. প্রক্রিয়াজাত মাংস: হটডগ, সসেজ, ক্যানজাত সালামি ইত্যাদি প্রিজার্ভড মাংসজাত পণ্যে অতিরিক্ত লবণ ও প্রিজারভেটিভ থাকে। এগুলো শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি করে এবং কিডনিতে হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

গ্রীষ্মকালে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে শসা, তরমুজ, ডাবের পানি খাওয়া উচিত। 

গরমে পানিশূন্যতা কমায় যেসব ফল:—

গরমে শরীরে পানিশূন্যতা, ক্লান্তি এবং দুর্বলতা দূর করতে পর্যাপ্ত পানি ও  খাদ্যতালিকায় ফল, শাক-সবজি রাখা প্রয়োজন। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন সব ফল যুক্ত করা প্রয়োজন যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি থাকে। যেসব ফলে শরীর ঠাণ্ডা থাকবে ও পানিশূন্যতাও দূর হবে। 

গ্রীষ্মের এমন কিছু ফল আছে যেসব শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থও সরবরাহ করে- 

তরমুজ: তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। এর ৯০ শতাংশেরও বেশি পানি থাকে। এটি শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে ও পানিশূন্যতা রোধ করে।

শসা: গ্রীষ্মে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় শসা খাওয়া। এতে পানির পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। শসায় থাকা ফাইবার এবং খনিজ পদার্থ পাঁচনতন্ত্রের উন্নতি করে, শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। 

বাঙ্গি: এই ফল খেলে শুধু পেট ঠাণ্ডা থাকে না, হজমশক্তিও উন্নত হয়। এতে ভিটামিন এ এবং সি ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং শরীরকে টক্সিনমুক্ত করে। বাঙ্গিতে থাকা নানা পুষ্টিগুণ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে ৯০ শতাংশ পানি থাকায় এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। 

আনারস: টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এই ফলে ৮৬ শতাংশ পানি থাকে। গরমে এটি নিয়মিত খেলে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ হয়। 

জামরুল: রক্ত পরিষ্কার রাখতে জামরুলের জুড়ি মেলা ভার। শুধু তাই নয়, এই ফল রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ কারণে গরমে প্রতিদিন জামরুল খেলে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় থাকে৷ 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গরমে ভুলেও খাবেন না এসব খাবার

আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫

লাইফস্টাইল ডেস্ক

গরমকালে পেটের সমস্যা বেড়ে যায়, তাই এমন খাবার খাওয়া উচিত যা পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। অনেক খাবারই আছে যা শরীরের পানি শুষে নেয়, যা থেকে ডিহাইড্রেশন তৈরি হয় এবং শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

তাই দেখে নিন কোন খাবার গরমকালে এড়িয়ে চলা উচিত-

১. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার: চিপস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস। লবণ শরীর থেকে পানি টেনে নেয় এবং ঘন ঘন প্রস্রাবের মাধ্যমে ডিহাইড্রেশন তৈরি করে।

২. ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয়: চা, কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্কে থাকা ক্যাফেইন শরীরের ডিহাইড্রেশন বাড়ায়। এগুলো ডাইউরেটিক হিসেবে কাজ করে, ফলে শরীর থেকে পানি দ্রুত বেরিয়ে যায়।

৩. অতিরিক্ত মশলাযুক্ত ও তেলে ভাজা খাবার: সিঙ্গারা, পুরি, ফাস্ট ফুড, বিরিয়ানি ইত্যাদি মশলাদার ও তেলেভাজা খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। এর ফলে ঘাম বেশি হয় এবং শরীরের পানি দ্রুত কমে যায়।

৪. কার্বনেটেড সফট ড্রিঙ্কস: কোল্ড ড্রিঙ্ক, সোডা, ফিজি ড্রিঙ্ক এবং বোতলজাত জুসে উচ্চ মাত্রার চিনি থাকে। এগুলো সাময়িকভাবে ঠাণ্ডা অনুভব করালেও শরীরের পানি শোষণ করে নেয়। এসবের পরিবর্তে ডাবের পানি বা ফলের রস খাওয়া অনেক ভালো।

৫. প্রক্রিয়াজাত মাংস: হটডগ, সসেজ, ক্যানজাত সালামি ইত্যাদি প্রিজার্ভড মাংসজাত পণ্যে অতিরিক্ত লবণ ও প্রিজারভেটিভ থাকে। এগুলো শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি করে এবং কিডনিতে হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

গ্রীষ্মকালে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে শসা, তরমুজ, ডাবের পানি খাওয়া উচিত। 

গরমে পানিশূন্যতা কমায় যেসব ফল:—

গরমে শরীরে পানিশূন্যতা, ক্লান্তি এবং দুর্বলতা দূর করতে পর্যাপ্ত পানি ও  খাদ্যতালিকায় ফল, শাক-সবজি রাখা প্রয়োজন। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন সব ফল যুক্ত করা প্রয়োজন যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি থাকে। যেসব ফলে শরীর ঠাণ্ডা থাকবে ও পানিশূন্যতাও দূর হবে। 

গ্রীষ্মের এমন কিছু ফল আছে যেসব শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থও সরবরাহ করে- 

তরমুজ: তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। এর ৯০ শতাংশেরও বেশি পানি থাকে। এটি শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে ও পানিশূন্যতা রোধ করে।

শসা: গ্রীষ্মে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় শসা খাওয়া। এতে পানির পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। শসায় থাকা ফাইবার এবং খনিজ পদার্থ পাঁচনতন্ত্রের উন্নতি করে, শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। 

বাঙ্গি: এই ফল খেলে শুধু পেট ঠাণ্ডা থাকে না, হজমশক্তিও উন্নত হয়। এতে ভিটামিন এ এবং সি ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং শরীরকে টক্সিনমুক্ত করে। বাঙ্গিতে থাকা নানা পুষ্টিগুণ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে ৯০ শতাংশ পানি থাকায় এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। 

আনারস: টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এই ফলে ৮৬ শতাংশ পানি থাকে। গরমে এটি নিয়মিত খেলে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ হয়। 

জামরুল: রক্ত পরিষ্কার রাখতে জামরুলের জুড়ি মেলা ভার। শুধু তাই নয়, এই ফল রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ কারণে গরমে প্রতিদিন জামরুল খেলে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় থাকে৷