সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান গরমে শিশুদের ডায়রিয়া: কারণ, প্রতিরোধ ও করণীয় বছরে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়তে হবে- প্রধানমন্ত্রী জব্দকৃত ৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান ইসরাইলে ইরানি সাইবার হামলা বেড়েছে তিন গুণ সিলেট বিভাগে এ পর্যন্ত শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৮১,গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ৭৪ সিলেটে অর্ধশতাধিক মালিক পেলেন হারানো মোবাইল ফোন সিলেটে সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হলো জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রায় সিলেট নগরের জন্য সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে- সিসিক প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে জনসাধারণের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবিগঞ্জ সীমান্তে পুশইন সতর্ক ৫৫ বিজিবি, পাহারায় চা বাগানের শ্রমিকরাও

সিলেটে ব্যবসায়ী খুনের ঘটানায় পিতা ও ২ছেলের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 সিলেটে ব্যবসায়ীকে খুনের দায়ে পিতাসহ দুই ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত বিচারক সৈয়দা আমিনা ফারহিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রত্যেক আসামিকে আরও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার হাসামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মবশ্বিরের ছেলে আব্দুস সবুর পুতুল, তার ছেলে ফাহাদ আহমদ রাহী ও আব্দুল মোমিন রনি। আসামিদের মধ্যে আব্দুস সবুর পুতুল কারাগারে থাকলেও তার দুই ছেলে পলাতক।

এর আগে ২০১৮ সালের ২২ মে রাতে হাসান মিয়াকে (২৮) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত হাসান হাসামপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই হোসাইন আহমদ সাহান বালাগঞ্জ থানায় চারজনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, হাসামপুর বায়তুন নুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজের পর মুসল্লিদের মধ্যে লিচুর জুস সরবরাহ করতেন হাসান মিয়া। জুসের মূল্য পরিশোধ করতেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ফারুক মিয়া। হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার রাত ১০টা ১০ মিনিটে ফারুক মিয়া লিচুর জুসের মূল্য বাবদ ২৫০০ টাকাসহ অগ্রিম আরও ২৫০০ টাকা বিবাদী রাহীর মাধ্যমে হাসানের কাছে পাঠান। কিছুক্ষণ পর রাহী লিচুর জুস সরবরাহ করা লাগবে না বলে টাকা ফেরত নিতে আসেন। কিন্তু টাকা ফেরত নিতে ফারুক মিয়াকে ফোন করতে বলেন হাসান। তখন রাহি গালিগালাজ করেন। রাহীর পক্ষ নিয়ে অন্য আসামিরাও কিল ঘুষি মারে।

একপর্যায়ে রাহি তার হাতে থাকা ছোরা দিয়ে হাসানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে সিলেট এমএমজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ব্যবসায়ী খুনের ঘটানায় পিতা ও ২ছেলের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 সিলেটে ব্যবসায়ীকে খুনের দায়ে পিতাসহ দুই ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত বিচারক সৈয়দা আমিনা ফারহিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রত্যেক আসামিকে আরও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার হাসামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মবশ্বিরের ছেলে আব্দুস সবুর পুতুল, তার ছেলে ফাহাদ আহমদ রাহী ও আব্দুল মোমিন রনি। আসামিদের মধ্যে আব্দুস সবুর পুতুল কারাগারে থাকলেও তার দুই ছেলে পলাতক।

এর আগে ২০১৮ সালের ২২ মে রাতে হাসান মিয়াকে (২৮) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত হাসান হাসামপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই হোসাইন আহমদ সাহান বালাগঞ্জ থানায় চারজনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, হাসামপুর বায়তুন নুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজের পর মুসল্লিদের মধ্যে লিচুর জুস সরবরাহ করতেন হাসান মিয়া। জুসের মূল্য পরিশোধ করতেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ফারুক মিয়া। হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার রাত ১০টা ১০ মিনিটে ফারুক মিয়া লিচুর জুসের মূল্য বাবদ ২৫০০ টাকাসহ অগ্রিম আরও ২৫০০ টাকা বিবাদী রাহীর মাধ্যমে হাসানের কাছে পাঠান। কিছুক্ষণ পর রাহী লিচুর জুস সরবরাহ করা লাগবে না বলে টাকা ফেরত নিতে আসেন। কিন্তু টাকা ফেরত নিতে ফারুক মিয়াকে ফোন করতে বলেন হাসান। তখন রাহি গালিগালাজ করেন। রাহীর পক্ষ নিয়ে অন্য আসামিরাও কিল ঘুষি মারে।

একপর্যায়ে রাহি তার হাতে থাকা ছোরা দিয়ে হাসানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে সিলেট এমএমজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।