সিলেটে টেস্ট না করায় রোগীর ব্যবস্থাপত্র ছিঁড়ে ফেললেন চিকিৎসক
- আপডেট সময় : ০৬:১৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
শত বছরের বৃদ্ধা কুলসুমা বেগমকে নিয়ে সিলেটের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক এম এম জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত চেম্বার গিয়েছিলেন তার স্বজনরা। এসময় তিনি রোগীকে দেখে ব্যবস্থাপত্রে কোনো ওষুধ না লিখে ৫-৬টি পরীক্ষা করাতে বলেন। কিন্তু রোগীর স্বজনরা পরীক্ষা না করিয়ে ওষুধ লিখা যায় কী না-এ কথা বলায় হাত থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন ওই ডাক্তার। পরে তাদেরকে অপদস্থ করে চেম্বার থেকে বের করে দেন।
রোববার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট নগরীর মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। বৃদ্ধা রোগী সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
অভিযুক্ত চিকিৎসক এম এম জাহাঙ্গীর আলম সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক। এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাঁড়া দেননি।
বৃদ্ধা কুলসুমা বেগমের ছেলে আব্দুল বাছিত বলেন, তাঁর শত বছরের বৃদ্ধা মাকে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অধ্যাপক ডা. এম এম জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক রোগীকে দেখে ৫-৬টা পরীক্ষা করাতে বলেন। এসময় তিনি পরীক্ষা না করিয়ে কোনো ওষুধ লিখে দেওয়া যায় কী না বলতেই তাঁর হাত থেকে প্রেসক্রিপশন (ব্যবস্থাপত্র) নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে ওই চিকিৎসক চেম্বার থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।
তিনি বলেন, ব্যবস্থাপত্র ছিঁড়ে ফেলার পরেও পুনরায় লিখে দিতে চিকিৎককে অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি কোনো সায় না দিয়ে চেস্বার থেকে বের হতে বলেন। এক পর্যায়ে তাদেরকে ভিজিট (ফি) ফেরত দিয়ে চলে যেতে বলেন।
আব্দুল বাছিত বলেন, চিকিৎসক চেম্বার থেকে বের করে দেওয়ায় বৃদ্ধা মাকে নিয়ে তিনি বিপাকে পড়েন। পরে তিনি ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডা. এস এম হাবিবুল্লাহ সেলিমের কাছে নিয়ে যান। তিনি কোনো পরীক্ষা না দিয়ে ব্যবস্থাপত্রে ওষুধ লিখে দেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘এটা উনার ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে মন্তব্য না করাই ভালো। কিন্তু তিনি একজন সিনিয়র চিকিৎসক ওই রোগীও একজন বয়স্ক নাগরিক। কেন এমনটা হলো বুঝা যাচ্ছে না। তবে ঘটনা সত্য হলে সেটা খুবই খারাপ বিষয় ।


























