সুবিধা পাবেন সাংবাদিক কনক সারওয়ার,,তারেক রহমানের ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ মামলা বাতিল
- আপডেট সময় : ০২:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪ ১২১ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ চার জনের বিরুদ্ধে নয় বছর আগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
মামলা থেকে খালাস পাওয়া বাকিরা হলেন- একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, সাবেক প্রধান প্রতিবেদক মাহাথীর ফারুকী খান ও জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কনক সারওয়ার।
তারেক রহমানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, রুহুল কুদ্দুস কাজল, কায়সার কামালসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল বলেন, ‘আদালত বলেছেন, এ মামলার কোনো ভিত্তি নেই। মামলাটির চার্জশিট (অভিযোগপত্র) মেকানিক্যাল। মামলার চার আসামিই এই আদেশের সুবিধা পাবেন।’
তাই চারজনই এ মামলা থেকে খালাস পাবেন বলে জানিয়েছেন এই আইনজীবী।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ‘লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্য একুশে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি দিতে এবং প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্য একুশে টিভি সরাসরি সম্প্রচার করে।
তেজগাঁও থানার এসআই বোরহান উদ্দিন ওই বছরের ৮ জানুয়ারি ওই থানায় তারেক রহমান ও আবদুস সালামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন গোয়েন্দা পরিদর্শক এমদাদুল হক।
সেখানে তারেক ও সালামের সঙ্গে যোগ করা হয় একুশে টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক মাহাথীর ফারুকী খান এবং জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কনক সারওয়ারের নাম।
মানহানির ২ মামলায় অব্যাহতি পেলেন তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ আদালতে মানহানির অভিযোগে দায়ের হওয়া দুইটি মামলায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা থেকেও অবমুক্তি দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মঞ্জুরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, ২০১৪ সালে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আশফাকুর রহমান শাওন বাদী হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মানহানি মামলা দুইটি দায়ের করেন। এরপর মামলা দুটির মধ্যে ২০১৫ সালের একটি এবং ২০১৭ সালে অপর মামলাটি আদালত খারিজ করে দেন। তবে মামলা খারিজ হয়ে গেলেও ওই দুইটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তারেক রহমানের গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে রিকল প্রদান করলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট একেএম রওশন জাহান তারেক রহমানকে গ্রেফতারি পরোয়ানা থেকে অবমুক্তি দেয়।
এ সময় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি রোকনুজ্জামান সরকার রুকনসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হাইকোর্টে বাতিল

মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘আজকে বলা হয়, এতো লক্ষ লোক শহীদ হয়েছেন। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে যে, আসলে কত লক্ষ লোক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। নানা বইয়ে নানা রকম তথ্য আছে।’
পরে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। বর্তমানে রাজনীতির পট পরিবর্তনের পর বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি বাতিল করলেন হাইকোর্ট।




























