সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

চুনারুঘাটে খুন করে টমটম ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ চুনারুঘাট প্রতিনিধি :

চুনারুঘাট উপজেলায় চালককে খুন করে টমটম ছিনতাইয়ের মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন ও ১ জনকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকালে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালতের বিচারক মোঃ ইয়াছির আরাফাত এ রায় ঘোষণা করেন।


যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া গ্রামের মুসলিম মিয়া (২৪), বানিয়াচংয়ের জাতুকর্ণ পাড়ার এ্যাংরাজ মিয়া ওরফে সোহেল (৩৯) ও মাধবপুর উপজেলার খরকী গ্রামের রুবন মিয়া (৩৫)। এছাড়া চুরির অভিযোগে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে জাতুকর্ণ পাড়ার রুবেল মিয়াকে (৩৭)। রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রুবেল মিয়া পলাতক।


পেশকার তপন সিংহ জানান, ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে টমটম চালক আলমগীর মিয়ার (২৬) আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার এসআই হাবিবুর রহমান অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ রুবেল মিয়ার কাছ থেকে টমটমটি উদ্ধারের পর খুনের রহস্য উদ্ঘাটিত হয়।


পরে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে আলমগীর মিয়াকে হত্যার পর তার টমটম ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেন।


মামলাটি প্রথমে চুনারুঘাট থানার তৎকালীন এসআই মো. শলাই মিয়া ও এসআই আল আমিন তদন্ত করেন। পরে এসআই আব্দুল মোতালেব তদন্ত শেষ করে ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দেন।
আসামিরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন নাকচ করে ৬ মাসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়। মামলায় ২৪ জনের স্বাক্ষ্য নেওয়া শেষে সোমবার রায় দেওয়া হয়।


আইনজীবী হাবিবুর রহমান খান বলেন, এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তষ্ট। এদিকে ৩ জন আসামিকে সাজা পরোয়ানা বলে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর একজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার বাদী হলেন চুনারুঘাট থানার এসআই হাবিবুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চুনারুঘাটে খুন করে টমটম ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

আপডেট সময় : ০১:১৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

হবিগঞ্জ চুনারুঘাট প্রতিনিধি :

চুনারুঘাট উপজেলায় চালককে খুন করে টমটম ছিনতাইয়ের মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন ও ১ জনকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকালে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালতের বিচারক মোঃ ইয়াছির আরাফাত এ রায় ঘোষণা করেন।


যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া গ্রামের মুসলিম মিয়া (২৪), বানিয়াচংয়ের জাতুকর্ণ পাড়ার এ্যাংরাজ মিয়া ওরফে সোহেল (৩৯) ও মাধবপুর উপজেলার খরকী গ্রামের রুবন মিয়া (৩৫)। এছাড়া চুরির অভিযোগে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে জাতুকর্ণ পাড়ার রুবেল মিয়াকে (৩৭)। রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রুবেল মিয়া পলাতক।


পেশকার তপন সিংহ জানান, ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে টমটম চালক আলমগীর মিয়ার (২৬) আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার এসআই হাবিবুর রহমান অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ রুবেল মিয়ার কাছ থেকে টমটমটি উদ্ধারের পর খুনের রহস্য উদ্ঘাটিত হয়।


পরে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে আলমগীর মিয়াকে হত্যার পর তার টমটম ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেন।


মামলাটি প্রথমে চুনারুঘাট থানার তৎকালীন এসআই মো. শলাই মিয়া ও এসআই আল আমিন তদন্ত করেন। পরে এসআই আব্দুল মোতালেব তদন্ত শেষ করে ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দেন।
আসামিরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন নাকচ করে ৬ মাসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়। মামলায় ২৪ জনের স্বাক্ষ্য নেওয়া শেষে সোমবার রায় দেওয়া হয়।


আইনজীবী হাবিবুর রহমান খান বলেন, এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তষ্ট। এদিকে ৩ জন আসামিকে সাজা পরোয়ানা বলে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর একজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার বাদী হলেন চুনারুঘাট থানার এসআই হাবিবুর রহমান।