সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

শায়েস্তাগঞ্জে আমন ধান চাষী কৃষকদের বৃষ্টির জন্য হাহাকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি :

শায়েস্তাগঞ্জে আমন ধান চাষ করে বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

দুঃচিন্তার ভাজ পড়ছে কৃষকদের কপালে। তাই বৃষ্টির জন্য গতকাল শুক্রবার বিভিন্ন মসজিদে জুম্মার নামাজের পর দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার কৃষকদের রূপায়িত কৃষি জমিতে আবাদ করা ধানী জমি গুলো ফেটে যাচ্ছে। কৃষি জমি শুকিয়ে ধানের গাছে লালচে হয়ে যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশের বেশির ভাগ জেলায় চলছে তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টি। খাল বিল ও নদীর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। ফসলের জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। একমাত্র পানির জন্য কৃষকের আমন ধানের ভালো ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে বহু কৃষক। বৃষ্টি না হলে আমন ধান ক্ষতি গ্রস্থ হবে বলে কৃষকরা জানান, প্রচন্ড তাপ দাহ তীব্র খরা আর অনা বৃষ্টিতে

একদিকে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে। তেমন অন্য দিকে হুমকি মুখে পড়েছে মাঠে আমন ধানের ফসল। এতে ধানের ফসল নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর সভার কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মশিউর রহমান সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় আমন আবাদ হয়েছে প্রায় ২৬শ হেক্টর কৃষি জমি।

লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৩ হেক্টর। বর্তমানেও নিম্ন এলাকায় জমিতে টুকটাক রোপন করছে কৃষকরা। নিশাপট এলাকার মোঃ সইব উল্লা বলেন, আমরা বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি দিয়ে আমন চাষ করতাম। ধান লাগানো পর থেকে বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে আমার জমি ও বর্গা জমি ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে। সেচের পানি নিতে বাড়তি টাকা দিতে হয়। তাই বৃষ্টির জন্য অপেক্ষায় রয়েছি কিন্তু এছাড়া কোনো উপায় নেই। কাজিরগাঁও গ্রামের মোঃ সাহেদ আলী বলেন, বাজার থেকে ঘরে এনে সার রাখা হয়। জমিতে পানি না থাকায় দিতে পারছি না কিন্তু বৃষ্টি জন্য অপেক্ষায় আছি। সময়মতো সার দিতে না পারলে আমন ধানের গাছে পুষ্টি পাবে না।

পুষ্টি জন্য ফসল ঘাটতি দেখা দেবে। উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ তোফায়েল আহমেদ বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক জায়গায় কৃষকের জমি পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষক অনেক জায়গায় সার প্রয়োগ করতে পারছে না। ফলনে ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শায়েস্তাগঞ্জে আমন ধান চাষী কৃষকদের বৃষ্টির জন্য হাহাকার

আপডেট সময় : ০৩:৫০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি :

শায়েস্তাগঞ্জে আমন ধান চাষ করে বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

দুঃচিন্তার ভাজ পড়ছে কৃষকদের কপালে। তাই বৃষ্টির জন্য গতকাল শুক্রবার বিভিন্ন মসজিদে জুম্মার নামাজের পর দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার কৃষকদের রূপায়িত কৃষি জমিতে আবাদ করা ধানী জমি গুলো ফেটে যাচ্ছে। কৃষি জমি শুকিয়ে ধানের গাছে লালচে হয়ে যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশের বেশির ভাগ জেলায় চলছে তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টি। খাল বিল ও নদীর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। ফসলের জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। একমাত্র পানির জন্য কৃষকের আমন ধানের ভালো ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে বহু কৃষক। বৃষ্টি না হলে আমন ধান ক্ষতি গ্রস্থ হবে বলে কৃষকরা জানান, প্রচন্ড তাপ দাহ তীব্র খরা আর অনা বৃষ্টিতে

একদিকে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে। তেমন অন্য দিকে হুমকি মুখে পড়েছে মাঠে আমন ধানের ফসল। এতে ধানের ফসল নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর সভার কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মশিউর রহমান সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় আমন আবাদ হয়েছে প্রায় ২৬শ হেক্টর কৃষি জমি।

লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৩ হেক্টর। বর্তমানেও নিম্ন এলাকায় জমিতে টুকটাক রোপন করছে কৃষকরা। নিশাপট এলাকার মোঃ সইব উল্লা বলেন, আমরা বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি দিয়ে আমন চাষ করতাম। ধান লাগানো পর থেকে বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে আমার জমি ও বর্গা জমি ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে। সেচের পানি নিতে বাড়তি টাকা দিতে হয়। তাই বৃষ্টির জন্য অপেক্ষায় রয়েছি কিন্তু এছাড়া কোনো উপায় নেই। কাজিরগাঁও গ্রামের মোঃ সাহেদ আলী বলেন, বাজার থেকে ঘরে এনে সার রাখা হয়। জমিতে পানি না থাকায় দিতে পারছি না কিন্তু বৃষ্টি জন্য অপেক্ষায় আছি। সময়মতো সার দিতে না পারলে আমন ধানের গাছে পুষ্টি পাবে না।

পুষ্টি জন্য ফসল ঘাটতি দেখা দেবে। উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ তোফায়েল আহমেদ বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক জায়গায় কৃষকের জমি পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষক অনেক জায়গায় সার প্রয়োগ করতে পারছে না। ফলনে ঘাটতি দেখা দিতে পারে।