ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গে ভবনের উপর থেকে ইট পড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু হবিগঞ্জ বাহুবলে ফুলতলী ছাহেব কিবলা (রহ.)-এর স্মরণে ক্বিরাত ও তাজবিদ প্রতিযোগিতা সিলেট মদিনা মার্কেটে বিএসটিআই-এর অভিযান,পরিমাপ যন্ত্রের ভেরিফিকেশন সিলেটে অপরাধ দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান , ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৬৬ সিলেটে ৭৬ বোতল মদসহ গ্রেফতার ২ ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্নে অংশজনের সাথে সিলেট হাইওয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও ইফতার  সিলেটে নবাগত পুলিশ সুপার  ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক যোগদান পুলিশের রেশন সেন্টারে দু*র্নীতি, মামলা সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযান- ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার মালামাল আটক সিলেট গোয়াইনঘাটে বিপুল পরিমাণ পণ্যসহ আটক-৮

ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণাই ছিল উদ্দেশ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়াই ছিল গ্রেফতারকৃত সোহাগ মিয়ার মূল উদ্দেশ্য। সে পেশায় একজন প্রতারক। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলাও রয়েছে। ইতিপূর্বে সে প্রতারণার মামলা গ্রেফতারও হয়। এসব তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন।

বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব তথ্য জানান। পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন বলেন, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া (মোবারকপুর) গ্রামের মন্তাজ মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া ওরফে মো. সুমেল মিয়া চুনারুঘাট থানার ওসির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জানায় তার জীবনের ঝুঁকি আছে এমন তথ্য তার কাছে রয়েছে।

এ বিষয়ে ২৮ জুন চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ পুলিশ ও ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সমন্বয়ে পুলিশের একাধিক টিম এর রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নামে। মঙ্গলবার রাতে তাকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, অনুসন্ধানে জানা গেছে সে একজন পেশাদার প্রতারক। ইন্টারনেটে ভারতীয় একটি প্রতারণার গল্প দেখে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রতারণার কৌশল শিখে। তার অংশ হিসেবেই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু যেহেতু সংসদ সদস্যের মোবাইল ফোন নাম্বার তার কাছে ছিলনা তাই সে ওসির মোবাইল ফোন নাম্বারটি ব্যবহার করেছে। তার উদ্দেশ্য ছিল সংসদ সদস্য হুমকির কথা শুনলেই হয়তো বলবেন কারা হত্যা করতে চায় তাদের নাম বলো। তখন সে টাকা চাইবে। কিন্তু তার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়েছে। থানায় সাধারণ ডায়রি হয়েছে। এরপর সে পালাতে চেয়েছিল। বার বার স্থান বদলিয়েছে। অবশেষে তাকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণাই ছিল উদ্দেশ্য

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়াই ছিল গ্রেফতারকৃত সোহাগ মিয়ার মূল উদ্দেশ্য। সে পেশায় একজন প্রতারক। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলাও রয়েছে। ইতিপূর্বে সে প্রতারণার মামলা গ্রেফতারও হয়। এসব তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন।

বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব তথ্য জানান। পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন বলেন, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া (মোবারকপুর) গ্রামের মন্তাজ মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া ওরফে মো. সুমেল মিয়া চুনারুঘাট থানার ওসির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জানায় তার জীবনের ঝুঁকি আছে এমন তথ্য তার কাছে রয়েছে।

এ বিষয়ে ২৮ জুন চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ পুলিশ ও ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সমন্বয়ে পুলিশের একাধিক টিম এর রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নামে। মঙ্গলবার রাতে তাকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, অনুসন্ধানে জানা গেছে সে একজন পেশাদার প্রতারক। ইন্টারনেটে ভারতীয় একটি প্রতারণার গল্প দেখে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রতারণার কৌশল শিখে। তার অংশ হিসেবেই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু যেহেতু সংসদ সদস্যের মোবাইল ফোন নাম্বার তার কাছে ছিলনা তাই সে ওসির মোবাইল ফোন নাম্বারটি ব্যবহার করেছে। তার উদ্দেশ্য ছিল সংসদ সদস্য হুমকির কথা শুনলেই হয়তো বলবেন কারা হত্যা করতে চায় তাদের নাম বলো। তখন সে টাকা চাইবে। কিন্তু তার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়েছে। থানায় সাধারণ ডায়রি হয়েছে। এরপর সে পালাতে চেয়েছিল। বার বার স্থান বদলিয়েছে। অবশেষে তাকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।