সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান কাষ্টঘর সুইপার কলোনিতে সিসিক প্রশাসক 🚔 সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অভিযানে ৩২ ঘন্টায় ১৩৯ জন গ্রেফতার এবং ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে ২১৯ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেট (এসএমপি) ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩,৩৭,০০০ টাকার ভারতীয় Nestle Kitkat চকলেট ও ১টি সিএনজিসহ গ্রেফতার ৩ সিলেট পূর্ব শাপলাবাগে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক চালিবন্দর শ্মশান কমপ্লেক্স উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট শাহপরাণ(রহঃ) থানা পুলিশের অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০১ সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের সাক্ষাত ও মতবিনিময় সিলেটে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

ঈদে খাবারের বিষয়ে যেসব সতর্কতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ঈদুল আজহায় কুরবানি নিয়ে মানুষ ব্যস্ত থাকেন। আর এ ঈদের খাবার মূল উপাদান মাংস। সবার বাড়িতে বিভিন্ন পদের রান্না হয় মাংসের। সেই সঙ্গে চলে অন্যান্য পদ। ঈদের দিনে খাওয়া একটু বেশি হয়ে যায় স্বাভাবিকভাবেই। তবে খাওয়া-দাওয়ায় সাবধান হতে হবে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ দিন বিভিন্ন রোগে ভুগছেন; যেমন পেটের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি বা লিভারের রোগ।

খাবারের পরিমাণ: কুরবানির মাংস পরিমাণে একটু বেশিই খাওয়া হয়। অনেকেই একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে হজম করতে পারেন না। ফলে পেট ফাঁপে, জ্বালাপোড়া করে, ব্যথা করে। গ্যাস্ট্রিকে আক্রান্ত রোগীদের সমস্যাটা হয় আরও বেশি। পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাদ্য গ্রহণ না করার কারণে অনেকে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। কিছু কিছু খাবার তিন বেলা না খাওয়াই ভালো। যেমন তৈলাক্ত খাবার, পোলাও, বিরিয়ানি; আমিষজাতীয় খাবার যেমন খাসি বা গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা ইত্যাদি। ঈদে পানীয় হিসেবে লেবুর শরবত, বাসায় বানানো ফলের রস, ডাবের পানি, বোরহানি, ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।

স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত: স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা তৈলাক্ত মাংস কমিয়ে খাবেন। খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে যে ধরনের নিয়মকানুন তারা সারা বছর পালন করেন, ঈদের সময়ও সেভাবে চলা উচিত। কুরবানির মাংস একটু–আধটু বেশি খেলে শরীরের যে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে তা নয়, তবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যাদের ওজন বেশি, তাদের অবশ্যই ঈদের সময় অতিরিক্ত খাওয়া পরিহার করতে হবে। ইউরিক অ্যাসিড বেশি যাদের এবং যারা কিডনির সমস্যায় ভোগেন, তাদের সাধারণত প্রোটিনজাতীয় খাবার কম খেতে বলা হয়।

সারাদিন খাবার খেতে হবে সতর্ক হতে: দিনের শুরুতেই অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। সকালে হালকা খাবার খাওয়াই ভালো। অনেকেই সকালে সেমাই খান যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাড়তি সতর্ক হতে হবে মিষ্টি খাবারের ক্ষেত্রে।

যাদের বয়স কম এবং শারীরিক কোনো সমস্যা নেই, তারা নিজের পছন্দমতো সবই খেতে পারেন। হজমেও তাদের কোনো সমস্যা হয় না। শুধু অতিরিক্ত না হলেই হলো। বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার। বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এনাল ফিশার ও পাইলসজাতীয় রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে। এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি করে খাবেন।

যাদের আইবিএস আছে, তারা দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি খাবেন না। এতে হজম রসগুলো পাতলা হয়ে যায়। ফলে হজমে অসুবিধা হয়। তাই খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর পানি খান। খাবারের মাঝে বোরহানি খেতে পারেন। খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করুন। রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়বেন না। খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর বিছানায় যাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈদে খাবারের বিষয়ে যেসব সতর্কতা

আপডেট সময় : ১০:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ঈদুল আজহায় কুরবানি নিয়ে মানুষ ব্যস্ত থাকেন। আর এ ঈদের খাবার মূল উপাদান মাংস। সবার বাড়িতে বিভিন্ন পদের রান্না হয় মাংসের। সেই সঙ্গে চলে অন্যান্য পদ। ঈদের দিনে খাওয়া একটু বেশি হয়ে যায় স্বাভাবিকভাবেই। তবে খাওয়া-দাওয়ায় সাবধান হতে হবে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ দিন বিভিন্ন রোগে ভুগছেন; যেমন পেটের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি বা লিভারের রোগ।

খাবারের পরিমাণ: কুরবানির মাংস পরিমাণে একটু বেশিই খাওয়া হয়। অনেকেই একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে হজম করতে পারেন না। ফলে পেট ফাঁপে, জ্বালাপোড়া করে, ব্যথা করে। গ্যাস্ট্রিকে আক্রান্ত রোগীদের সমস্যাটা হয় আরও বেশি। পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাদ্য গ্রহণ না করার কারণে অনেকে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। কিছু কিছু খাবার তিন বেলা না খাওয়াই ভালো। যেমন তৈলাক্ত খাবার, পোলাও, বিরিয়ানি; আমিষজাতীয় খাবার যেমন খাসি বা গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা ইত্যাদি। ঈদে পানীয় হিসেবে লেবুর শরবত, বাসায় বানানো ফলের রস, ডাবের পানি, বোরহানি, ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।

স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত: স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা তৈলাক্ত মাংস কমিয়ে খাবেন। খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে যে ধরনের নিয়মকানুন তারা সারা বছর পালন করেন, ঈদের সময়ও সেভাবে চলা উচিত। কুরবানির মাংস একটু–আধটু বেশি খেলে শরীরের যে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে তা নয়, তবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যাদের ওজন বেশি, তাদের অবশ্যই ঈদের সময় অতিরিক্ত খাওয়া পরিহার করতে হবে। ইউরিক অ্যাসিড বেশি যাদের এবং যারা কিডনির সমস্যায় ভোগেন, তাদের সাধারণত প্রোটিনজাতীয় খাবার কম খেতে বলা হয়।

সারাদিন খাবার খেতে হবে সতর্ক হতে: দিনের শুরুতেই অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। সকালে হালকা খাবার খাওয়াই ভালো। অনেকেই সকালে সেমাই খান যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাড়তি সতর্ক হতে হবে মিষ্টি খাবারের ক্ষেত্রে।

যাদের বয়স কম এবং শারীরিক কোনো সমস্যা নেই, তারা নিজের পছন্দমতো সবই খেতে পারেন। হজমেও তাদের কোনো সমস্যা হয় না। শুধু অতিরিক্ত না হলেই হলো। বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার। বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এনাল ফিশার ও পাইলসজাতীয় রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে। এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি করে খাবেন।

যাদের আইবিএস আছে, তারা দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি খাবেন না। এতে হজম রসগুলো পাতলা হয়ে যায়। ফলে হজমে অসুবিধা হয়। তাই খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর পানি খান। খাবারের মাঝে বোরহানি খেতে পারেন। খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করুন। রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়বেন না। খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর বিছানায় যাবেন।