সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’ এবং ‘জাতীয় প্রবাসী দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত সিলেট ইসলামিক ফাউন্ডেশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দু’আ মাহফিল পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় মডেল-বিভাগীয় কমিশনার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের সাজা ‘সমন্বিত উদ্যোগেই গড়ে উঠবে আধুনিক সিলেট’ – বাণিজ্যমন্ত্রী ত্রিতরঙ্গের বাদল সাঁঝের বর্ণাঢ্য আয়োজন ‘শ্রাবনের মেঘগুলো’ সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই সিলেটি সিলেট আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৫১ জন

আলহাজ মোঃ খলিলুর রহমান সাহেবের সুস্থতা কামনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪ ১৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সিলেট সিটি করপোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) এবং দি এইডেড হাই স্কুল সিলেটের শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব মোঃ ইসমাইলুর রহমানের পিতা জনাব মোঃ খলিলুর রহমান বার্ধক্যজনীত রোগে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বর্তমানে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্যেখ্য, জনাব, মোঃ খলিলুর রহমান সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার নিয়াগুল গ্রামে ০১/০১/ ১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন।বর্তমানে পনিটুলা, পল্লবী – ৬৪, ব্লক – এ, সিলেটের স্থায়ী বাসিন্দা। তাহার পিতা মৃত হাছন আলী। মাতা মৃত জয়নব বিবি । ৩ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ। ১৯৬২ ইং- সনে তিনি তথকালীন সরকারের ডাক ও তার ( টি এন্ড টি) বিভাগের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮২ সালে সৌদি সরকারের আমন্ত্রনে মক্কা ও মদিনায় গিয়ে সেখানে ২ বছর অবস্থান করে সে দেশের ডাক ও তার বিভাগের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে পুনরায় দেশে ফিরে এসে সুনামের সহিত ২০০০ সালে অবসর গ্রহণ করেন। দেশের প্রয়োজনে অবসর জীবনে এসেও তিনি ২০০৮ সাল পর্যন্ত কাজ করে গেছেন। ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি ফ্রান্সের অ্যালকাটেল ফোন কোম্পানীর সাথে কাজ করে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল স্বপ্ন পূরনে ভূমিকা রাখেন। উনার হাতে সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাক ও তার বিভাগের ডিজিটাল একচেঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিনি একাধারে যেমন কাজ পাগল তেমনি ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী। তিনি নিজ গ্রাম ও তার আসপাশের গ্রামের কয়েকজন উদ্যোগী শিক্ষানুরাগী নিয়ে তার নিজ এলাকায় একটি স্কুল (বর্তমান নাম ওয়াজেদ আলী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সিবাজার,জকিগঞ্জ) প্রতিষ্ঠা করেন।
এছাড়া মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে নিরবে অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭০ সালে জকিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহি বারঠাকুরী গ্রামের বড়বাড়ীর মরহুম আব্দুল লতিফ সাহেবের মেয়ে মনোয়ারা খানমের এর সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। উল্লেখ্য, তাঁর সহধর্মিণী গত ২৭ জুন ২০২২ ইং ইন্তেকাল করেন। সংসার জীবনে তিনি চার পুত্র ও তিন কন্যা সন্তানের জনক ।সকলেই বিবাহিত।তার বড় মেয়ে জাহানারা বেগম, প্রাক্তন শিক্ষিকা, বড় ছেলে মো: ইসমাইলুর রহমান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবী সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) এবং দি এইডেড হাই স্কুলের শিক্ষানুরাগী সদস্য, ২য় ছেলে মো: ইশতাকুর রহমান, মাস্টার্স (ম্যানেজমেন্ট) শেষ করে বর্তমানে
আমেরিকা প্রবাসী, আরেক মেয়ে হোসনে আরা বেগম সুমি , দর্শনে মাস্টার্স করে পরে বি এড সম্পন্ন করে বর্তমানে লুৎফুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজ, আটগ্রাম, জকিগঞ্জ- এ সিনিয়র শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। ৩য় ছেলে মো: এখলাছুর রহমান, ইংরেজি বিভাগে মাস্টার্স করে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন সচিব হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী।
ছোট ছেলে মো:হাফিজুর রহমান হিপু, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স করে বর্তমানে একটি প্রাইভেট ব্যাংক -এ কর্মরত আছেন।
ছোট মেয়ে ফারজানা রহমান রুমি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিভাগ থেকে মাস্টার্স শেষ করে ঢাকার সুনামধন্য সাউথপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এ শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। বর্তমানে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি আমেরিকা অবস্থান করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আলহাজ মোঃ খলিলুর রহমান সাহেবের সুস্থতা কামনা

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সিলেট সিটি করপোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) এবং দি এইডেড হাই স্কুল সিলেটের শিক্ষানুরাগী সদস্য জনাব মোঃ ইসমাইলুর রহমানের পিতা জনাব মোঃ খলিলুর রহমান বার্ধক্যজনীত রোগে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বর্তমানে সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্যেখ্য, জনাব, মোঃ খলিলুর রহমান সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার নিয়াগুল গ্রামে ০১/০১/ ১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন।বর্তমানে পনিটুলা, পল্লবী – ৬৪, ব্লক – এ, সিলেটের স্থায়ী বাসিন্দা। তাহার পিতা মৃত হাছন আলী। মাতা মৃত জয়নব বিবি । ৩ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ। ১৯৬২ ইং- সনে তিনি তথকালীন সরকারের ডাক ও তার ( টি এন্ড টি) বিভাগের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮২ সালে সৌদি সরকারের আমন্ত্রনে মক্কা ও মদিনায় গিয়ে সেখানে ২ বছর অবস্থান করে সে দেশের ডাক ও তার বিভাগের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে পুনরায় দেশে ফিরে এসে সুনামের সহিত ২০০০ সালে অবসর গ্রহণ করেন। দেশের প্রয়োজনে অবসর জীবনে এসেও তিনি ২০০৮ সাল পর্যন্ত কাজ করে গেছেন। ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি ফ্রান্সের অ্যালকাটেল ফোন কোম্পানীর সাথে কাজ করে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল স্বপ্ন পূরনে ভূমিকা রাখেন। উনার হাতে সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাক ও তার বিভাগের ডিজিটাল একচেঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিনি একাধারে যেমন কাজ পাগল তেমনি ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী। তিনি নিজ গ্রাম ও তার আসপাশের গ্রামের কয়েকজন উদ্যোগী শিক্ষানুরাগী নিয়ে তার নিজ এলাকায় একটি স্কুল (বর্তমান নাম ওয়াজেদ আলী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সিবাজার,জকিগঞ্জ) প্রতিষ্ঠা করেন।
এছাড়া মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে নিরবে অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭০ সালে জকিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহি বারঠাকুরী গ্রামের বড়বাড়ীর মরহুম আব্দুল লতিফ সাহেবের মেয়ে মনোয়ারা খানমের এর সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। উল্লেখ্য, তাঁর সহধর্মিণী গত ২৭ জুন ২০২২ ইং ইন্তেকাল করেন। সংসার জীবনে তিনি চার পুত্র ও তিন কন্যা সন্তানের জনক ।সকলেই বিবাহিত।তার বড় মেয়ে জাহানারা বেগম, প্রাক্তন শিক্ষিকা, বড় ছেলে মো: ইসমাইলুর রহমান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবী সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) এবং দি এইডেড হাই স্কুলের শিক্ষানুরাগী সদস্য, ২য় ছেলে মো: ইশতাকুর রহমান, মাস্টার্স (ম্যানেজমেন্ট) শেষ করে বর্তমানে
আমেরিকা প্রবাসী, আরেক মেয়ে হোসনে আরা বেগম সুমি , দর্শনে মাস্টার্স করে পরে বি এড সম্পন্ন করে বর্তমানে লুৎফুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজ, আটগ্রাম, জকিগঞ্জ- এ সিনিয়র শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। ৩য় ছেলে মো: এখলাছুর রহমান, ইংরেজি বিভাগে মাস্টার্স করে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন সচিব হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী।
ছোট ছেলে মো:হাফিজুর রহমান হিপু, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স করে বর্তমানে একটি প্রাইভেট ব্যাংক -এ কর্মরত আছেন।
ছোট মেয়ে ফারজানা রহমান রুমি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিভাগ থেকে মাস্টার্স শেষ করে ঢাকার সুনামধন্য সাউথপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এ শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। বর্তমানে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি আমেরিকা অবস্থান করছেন।