সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি নের্তৃবৃন্দকে ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমূখ সিলেটে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ রাষ্ট্রপতিকে সিলেট সফর ও নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি জানালেন সিসিক প্রশাসক সিলেট ১ শিশুর মৃত্যু, প্রায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০ সিলেটে (এসএমপি) বিশেষ উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া ৫২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা সিলেটে সংস্কার ও মেরামতের জন্য বিভিন্ন কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা সিলেট সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ মালিকরা গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান শাবিপ্রবিতে  সাস্ট রিসার্চ সোসাইটির সভাপতি তামিম, সম্পাদক সিনজা

বড়লেখায় কালবৈশাখীর তান্ডবে শত শত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় শনিবার রাতে তৃতীয় দফা কালবৈশাখী তাণ্ডব চালিয়েছে। উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার সর্বত্র ঝড় বয়ে গেলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর শাহবাজপুর, দক্ষিণ শাহবাজপুর, দাসেরবাজার ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন এলাকায়।

এই চার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৫ শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ লাইন। অনেকের বসতঘর ও বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘরবাড়ি ও খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইন লন্ডভন্ড করায় ঝড়ের প্রায় ২৬ ঘণ্টা পরও এই চার ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন চালু করতে পারেনি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি।শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় প্রচণ্ড বেগে ভারি বর্ষণ আর ঝড়। কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে রাত আটটার দিকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ।

উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, শনিবারের ঝড়ে তার ইউনিয়নের অন্তত ১০০ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টিনের চালা উড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এর আগের দুই দফা কালবৈশাখী ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের শত শত পরিবার মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারিভাবে কোনো ত্রাণ পাওয়া যায়নি।

উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, এবারের ঝড়েও তার ইউনিয়নের দেড় শতাধিক পরিবারের বসত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগের দুইবারে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে শত শত ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে।দাসেরবাজার ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, শনিবার ঝড়ে তার ইউনিয়নের দুই শতাধিক বাড়িঘরের চালা উড়ে গেছে। অনেকের ঘরের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘর ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন। গতকাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত তার ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (কম) শহীদুল ইসলাম জানান, উপজেলার উত্তরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে কালবৈশাখী ঝড়ে মারাত্মক ক্ষতি করেছে। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ লাইনের ওপর বড় বড় গাছ পড়েছে। এগুলো অপসারণের কাজ চলছে। কিছু জায়গায় রোববার দুপুর বিকালের দিকে লাইন চালু করেছেন।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আগের দুই দফায় ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো ত্রাণ আসেনি। শনিবারের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে তার কার্যালয়ে প্রেরণ করতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বড়লেখায় কালবৈশাখীর তান্ডবে শত শত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় শনিবার রাতে তৃতীয় দফা কালবৈশাখী তাণ্ডব চালিয়েছে। উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার সর্বত্র ঝড় বয়ে গেলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর শাহবাজপুর, দক্ষিণ শাহবাজপুর, দাসেরবাজার ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন এলাকায়।

এই চার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৫ শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ লাইন। অনেকের বসতঘর ও বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘরবাড়ি ও খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইন লন্ডভন্ড করায় ঝড়ের প্রায় ২৬ ঘণ্টা পরও এই চার ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন চালু করতে পারেনি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি।শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় প্রচণ্ড বেগে ভারি বর্ষণ আর ঝড়। কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে রাত আটটার দিকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ।

উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, শনিবারের ঝড়ে তার ইউনিয়নের অন্তত ১০০ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টিনের চালা উড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এর আগের দুই দফা কালবৈশাখী ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের শত শত পরিবার মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারিভাবে কোনো ত্রাণ পাওয়া যায়নি।

উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, এবারের ঝড়েও তার ইউনিয়নের দেড় শতাধিক পরিবারের বসত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগের দুইবারে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে শত শত ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে।দাসেরবাজার ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, শনিবার ঝড়ে তার ইউনিয়নের দুই শতাধিক বাড়িঘরের চালা উড়ে গেছে। অনেকের ঘরের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘর ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন। গতকাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত তার ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (কম) শহীদুল ইসলাম জানান, উপজেলার উত্তরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে কালবৈশাখী ঝড়ে মারাত্মক ক্ষতি করেছে। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ লাইনের ওপর বড় বড় গাছ পড়েছে। এগুলো অপসারণের কাজ চলছে। কিছু জায়গায় রোববার দুপুর বিকালের দিকে লাইন চালু করেছেন।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আগের দুই দফায় ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো ত্রাণ আসেনি। শনিবারের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে তার কার্যালয়ে প্রেরণ করতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়েছেন।