ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট সাগরদিঘীরপাড় ওয়াকওয়েতে ছিন তাই য়ের চেষ্টা, আটক ৩ পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক হামে আক্রান্ত শিশুকে যা খাওয়াবেন পাকিস্তান ছাড়ল ইরানি প্রতিনিধিদল ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে বিজিবির অভিযানে সীমান্তে ৮টি ভারতীয় গরু জব্দ হবিগঞ্জ বাহুবলের হরিতলায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন , পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা জরিমানা ২১ হাজার টাকা,ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে র‍্যাব-৯ এর অভিযান, সিলেটে আটক যানবাহন ছেড়ে দিবে পুলিশ, মহানগর এলাকায় যানবাহনগুলো চালানো যাবে না

বড়লেখায় কালবৈশাখীর তান্ডবে শত শত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় শনিবার রাতে তৃতীয় দফা কালবৈশাখী তাণ্ডব চালিয়েছে। উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার সর্বত্র ঝড় বয়ে গেলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর শাহবাজপুর, দক্ষিণ শাহবাজপুর, দাসেরবাজার ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন এলাকায়।

এই চার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৫ শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ লাইন। অনেকের বসতঘর ও বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘরবাড়ি ও খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইন লন্ডভন্ড করায় ঝড়ের প্রায় ২৬ ঘণ্টা পরও এই চার ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন চালু করতে পারেনি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি।শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় প্রচণ্ড বেগে ভারি বর্ষণ আর ঝড়। কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে রাত আটটার দিকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ।

উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, শনিবারের ঝড়ে তার ইউনিয়নের অন্তত ১০০ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টিনের চালা উড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এর আগের দুই দফা কালবৈশাখী ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের শত শত পরিবার মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারিভাবে কোনো ত্রাণ পাওয়া যায়নি।

উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, এবারের ঝড়েও তার ইউনিয়নের দেড় শতাধিক পরিবারের বসত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগের দুইবারে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে শত শত ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে।দাসেরবাজার ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, শনিবার ঝড়ে তার ইউনিয়নের দুই শতাধিক বাড়িঘরের চালা উড়ে গেছে। অনেকের ঘরের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘর ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন। গতকাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত তার ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (কম) শহীদুল ইসলাম জানান, উপজেলার উত্তরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে কালবৈশাখী ঝড়ে মারাত্মক ক্ষতি করেছে। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ লাইনের ওপর বড় বড় গাছ পড়েছে। এগুলো অপসারণের কাজ চলছে। কিছু জায়গায় রোববার দুপুর বিকালের দিকে লাইন চালু করেছেন।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আগের দুই দফায় ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো ত্রাণ আসেনি। শনিবারের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে তার কার্যালয়ে প্রেরণ করতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বড়লেখায় কালবৈশাখীর তান্ডবে শত শত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় শনিবার রাতে তৃতীয় দফা কালবৈশাখী তাণ্ডব চালিয়েছে। উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার সর্বত্র ঝড় বয়ে গেলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর শাহবাজপুর, দক্ষিণ শাহবাজপুর, দাসেরবাজার ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন এলাকায়।

এই চার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৫ শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ লাইন। অনেকের বসতঘর ও বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘরবাড়ি ও খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইন লন্ডভন্ড করায় ঝড়ের প্রায় ২৬ ঘণ্টা পরও এই চার ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন চালু করতে পারেনি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি।শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় প্রচণ্ড বেগে ভারি বর্ষণ আর ঝড়। কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে রাত আটটার দিকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ।

উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, শনিবারের ঝড়ে তার ইউনিয়নের অন্তত ১০০ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টিনের চালা উড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এর আগের দুই দফা কালবৈশাখী ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের শত শত পরিবার মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারিভাবে কোনো ত্রাণ পাওয়া যায়নি।

উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, এবারের ঝড়েও তার ইউনিয়নের দেড় শতাধিক পরিবারের বসত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগের দুইবারে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে শত শত ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে।দাসেরবাজার ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, শনিবার ঝড়ে তার ইউনিয়নের দুই শতাধিক বাড়িঘরের চালা উড়ে গেছে। অনেকের ঘরের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে ঘর ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন। গতকাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত তার ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (কম) শহীদুল ইসলাম জানান, উপজেলার উত্তরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে কালবৈশাখী ঝড়ে মারাত্মক ক্ষতি করেছে। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ লাইনের ওপর বড় বড় গাছ পড়েছে। এগুলো অপসারণের কাজ চলছে। কিছু জায়গায় রোববার দুপুর বিকালের দিকে লাইন চালু করেছেন।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আগের দুই দফায় ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো ত্রাণ আসেনি। শনিবারের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে তার কার্যালয়ে প্রেরণ করতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়েছেন।