সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৫৯ সিলেটে ৩ ফার্মেসিতে অভিযান, অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা সিলেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করতে চাই: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট ট্রিপল মার্ডার বাবুলকে ২ দিনের রিমান্ডে সিলেট নগর ভবনে জাসাস নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেট মদীনা মার্কেট এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক সবার সহযোগিতায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়তে চাই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ জুন ২০২৯-এর মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সিলেট কারাগার পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব – মনজুর মোর্শেদ স্ব স্ব ধর্ম পালনে কোনো বাধা নেই,, এটাই বাংলাদেশ- কয়েস লোদী

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষকদের অবস্থান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

 ভিউ নিউজ ৭১ : প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার ও উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দের পদত্যাগ দাবিতে প্রথম দিনের অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চবি শিক্ষক সমিতির নেতারা। সোমবার দুপুরে অর্ধশতাধিক শিক্ষক প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে এ কর্মসূচি পালন করেন।এ সময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড.মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী,সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হকসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।এদিকে তাদের এই অবস্থানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন আইন বিভাগের ৯ শিক্ষক।

বক্তারা বলেন, চবি উপাচার্য অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে রাতের আঁধারে অবৈধ নিয়োগ বোর্ড পরিচালনা করে উপাচার্য পদে থাকার নৈতিক সমর্থন হারিয়েছেন। এসময় পদত্যাগ না করা পর্যন্ত টানা কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা। এর আগে রোববার আইন বিভাগের দুই পদে শিক্ষক নিয়োগ-বোর্ডে বাধা দেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। পরে উপাচার্য কার্যালয় থেকে সরে গিয়ে রোববার সন্ধ্যায় উপাচার্য বাংলোর অফিসে ভাইভা পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া সোমবার বাংলা বিভাগে সাত শিক্ষক নিয়োগ-বোর্ডও বাতিলের দাবি করেন তারা। তাদের দাবি, পরিকল্পনা কমিটির সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে এ দুটি নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে যা আইনের পরিপন্থি। তাছাড়া এ দুই বিভাগে ক্লাসলোড না থাকায় নতুন শিক্ষকের প্রয়োজন নেই।

এদিকে প্রশাসনপন্থি শিক্ষকরা বলছেন,সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মেনেই এ নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। এই প্রক্রিয়ায় পূর্বেও শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে।বাংলা বিভাগের নিয়োগ-বোর্ড স্থগিত :সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলা বিভাগের বিভিন্ন পদে ৭ শিক্ষক নিয়োগের ভাইভা হওয়ার কথা ছিল।তবে অনিবার্য কারণ উল্লেখ করে বোর্ডটি স্থগিত করা হয়েছে।ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কেএম নুর আহমদ এ তথ্য যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

আইন বিভাগের শিক্ষকদের মানববন্ধন :আইন বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষক সমিতির হস্তক্ষেপকে অযাচিত উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার বিকালে মানববন্ধন করেছেন আইন বিভাগের ৯ শিক্ষক। আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক রকিবা নবী যুগান্তরকে বলেন,তারা বলছে আইন বিভাগে ক্লাসলোড নেই। এদিকে মাস্টার্সের সাতটা কোর্স আমরা শিক্ষকের অভাবে চালু করতে পারছি না।আরও কিছু কোর্স চালু করতে হবে।

পদত্যাগের দাবির বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড.শিরীন আখতার বলেন,আমাকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন।তিনি যতক্ষণ অন্য কাউকে নিয়োগ না দেবেন,কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।রাষ্ট্রপতি যদি ওদের (শিক্ষক সমিতির) কাউকেও আনেন,সসম্মানে সিট ছেড়ে দেব।উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দে বলেন,হঠাৎ করে আমার পদত্যাগ কেন দাবি করছে জানি না।৭৩-এর আইনের বিরুদ্ধে কাজ করেছি এমন কোনো কিছু তারা দেখেছেন কি না তাও জানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষকদের অবস্থান

আপডেট সময় : ০৭:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩

 ভিউ নিউজ ৭১ : প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার ও উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দের পদত্যাগ দাবিতে প্রথম দিনের অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চবি শিক্ষক সমিতির নেতারা। সোমবার দুপুরে অর্ধশতাধিক শিক্ষক প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে এ কর্মসূচি পালন করেন।এ সময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড.মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী,সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হকসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।এদিকে তাদের এই অবস্থানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন আইন বিভাগের ৯ শিক্ষক।

বক্তারা বলেন, চবি উপাচার্য অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে রাতের আঁধারে অবৈধ নিয়োগ বোর্ড পরিচালনা করে উপাচার্য পদে থাকার নৈতিক সমর্থন হারিয়েছেন। এসময় পদত্যাগ না করা পর্যন্ত টানা কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা। এর আগে রোববার আইন বিভাগের দুই পদে শিক্ষক নিয়োগ-বোর্ডে বাধা দেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। পরে উপাচার্য কার্যালয় থেকে সরে গিয়ে রোববার সন্ধ্যায় উপাচার্য বাংলোর অফিসে ভাইভা পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া সোমবার বাংলা বিভাগে সাত শিক্ষক নিয়োগ-বোর্ডও বাতিলের দাবি করেন তারা। তাদের দাবি, পরিকল্পনা কমিটির সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে এ দুটি নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে যা আইনের পরিপন্থি। তাছাড়া এ দুই বিভাগে ক্লাসলোড না থাকায় নতুন শিক্ষকের প্রয়োজন নেই।

এদিকে প্রশাসনপন্থি শিক্ষকরা বলছেন,সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মেনেই এ নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। এই প্রক্রিয়ায় পূর্বেও শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে।বাংলা বিভাগের নিয়োগ-বোর্ড স্থগিত :সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলা বিভাগের বিভিন্ন পদে ৭ শিক্ষক নিয়োগের ভাইভা হওয়ার কথা ছিল।তবে অনিবার্য কারণ উল্লেখ করে বোর্ডটি স্থগিত করা হয়েছে।ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কেএম নুর আহমদ এ তথ্য যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

আইন বিভাগের শিক্ষকদের মানববন্ধন :আইন বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষক সমিতির হস্তক্ষেপকে অযাচিত উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার বিকালে মানববন্ধন করেছেন আইন বিভাগের ৯ শিক্ষক। আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক রকিবা নবী যুগান্তরকে বলেন,তারা বলছে আইন বিভাগে ক্লাসলোড নেই। এদিকে মাস্টার্সের সাতটা কোর্স আমরা শিক্ষকের অভাবে চালু করতে পারছি না।আরও কিছু কোর্স চালু করতে হবে।

পদত্যাগের দাবির বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড.শিরীন আখতার বলেন,আমাকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন।তিনি যতক্ষণ অন্য কাউকে নিয়োগ না দেবেন,কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।রাষ্ট্রপতি যদি ওদের (শিক্ষক সমিতির) কাউকেও আনেন,সসম্মানে সিট ছেড়ে দেব।উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দে বলেন,হঠাৎ করে আমার পদত্যাগ কেন দাবি করছে জানি না।৭৩-এর আইনের বিরুদ্ধে কাজ করেছি এমন কোনো কিছু তারা দেখেছেন কি না তাও জানি না।