সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান নাগরিকত্বের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে চাইলে ভিসা আবেদন বাতিল ঢাকা-দিল্লি পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ মে দিবসের র‌্যালি ও আলোচনায় সিসিক প্রশাসক শ্রমিকদের সকল সমস্যার সমাধান হবে সিলেট চাঁদনীঘাটে প্রকল্প উদ্বোধন করলেন- প্রধানমন্ত্রী সিলেটের বাসিয়া নদী পূণঃখনন, নদীর দুই তীরে লাগানো হবে অর্ধলক্ষ গাছ বিএনপি সরকার কৃষকবান্ধব সরকার, সবসময় কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কাজ করে- প্রধানমন্ত্রী সিলেটের শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে বললেন দেশকে একদিন তোমরাই নেতৃত্ব দিবে- প্রধানমন্ত্রী সিলেট ভারতীয় পণ্য ও গ্রেফতার দুই সিলেটে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৮৪ সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় হামে ১ শিশুর মৃত্যু

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি ও এসআই শরীফের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও উপ-পরিদর্শক মোঃ শরীফুল ইসলাম শরীফের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

গত ২১শে মার্চ ২০২২ইং মিজানুল হক ডন বাদী মনির হোসেন, নুরুল আলম স্বাক্ষী হয়ে ওসি ও এসআইয়ের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ্য রয়েছে সদর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও উপ-পরিদর্শক শরীফ একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিলে ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধ ভাবে বালি ও পাথর উত্তোলন করে আসছে প্রতিনিয়ত। প্রতিদিন দিনে ও রাতের আধারে ধোপাজান নদী থেকে ৩০ থেকে ৪০টি নৌকা বালি ও পাথর ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছে, হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ওসি ও এসআই শরীফের এই সিন্ডিকেট চক্রের অন্যতম সহকারী হিসেবে রয়েছে, হুরারকান্দা গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে রমজান আলী, লালপুর গ্রামের মৃত হাজী সোবহানের ছেলে মমিন মিয়া, ভাদেরটেক গ্রামের খায়ের মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া। এই সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে ধোপাজান নদী হারাচ্ছে ভারসাম্য ও পরিবেশ হচ্ছে বিনষ্ট। এভাবেই তাদের হাত অনৈতিকভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ হচ্ছে। এতে যেমন নদী ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমনি দেশ ও রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সাথে পুলিশের ও দেশের আইন-শৃংখলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।

সুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ হিসেবে রয়েছে বালি ও পাথর মহাল। আইনের জটিলতায় বেশ কয়েকবছর ধরে ধোপাজান নদী ইজারাবিহীন রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী ও পুলিশের কিছু কর্মকর্তা হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারণ জনগন ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের বেচে থাকার সম্বল। নদীর পাড়ে থাকা অসংখ্য খেটে খাওয়া দিন মজুরের চোখে হাহাকারের প্রতিধ্বনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি ও এসআই শরীফের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:১৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও উপ-পরিদর্শক মোঃ শরীফুল ইসলাম শরীফের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

গত ২১শে মার্চ ২০২২ইং মিজানুল হক ডন বাদী মনির হোসেন, নুরুল আলম স্বাক্ষী হয়ে ওসি ও এসআইয়ের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ্য রয়েছে সদর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও উপ-পরিদর্শক শরীফ একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিলে ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধ ভাবে বালি ও পাথর উত্তোলন করে আসছে প্রতিনিয়ত। প্রতিদিন দিনে ও রাতের আধারে ধোপাজান নদী থেকে ৩০ থেকে ৪০টি নৌকা বালি ও পাথর ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছে, হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ওসি ও এসআই শরীফের এই সিন্ডিকেট চক্রের অন্যতম সহকারী হিসেবে রয়েছে, হুরারকান্দা গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে রমজান আলী, লালপুর গ্রামের মৃত হাজী সোবহানের ছেলে মমিন মিয়া, ভাদেরটেক গ্রামের খায়ের মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া। এই সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে ধোপাজান নদী হারাচ্ছে ভারসাম্য ও পরিবেশ হচ্ছে বিনষ্ট। এভাবেই তাদের হাত অনৈতিকভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ হচ্ছে। এতে যেমন নদী ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমনি দেশ ও রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সাথে পুলিশের ও দেশের আইন-শৃংখলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।

সুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ হিসেবে রয়েছে বালি ও পাথর মহাল। আইনের জটিলতায় বেশ কয়েকবছর ধরে ধোপাজান নদী ইজারাবিহীন রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী ও পুলিশের কিছু কর্মকর্তা হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারণ জনগন ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের বেচে থাকার সম্বল। নদীর পাড়ে থাকা অসংখ্য খেটে খাওয়া দিন মজুরের চোখে হাহাকারের প্রতিধ্বনি।