সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শিশুকে যৌ’ন নি’র্যাতন ও হ’ত্যার ঘটনায় চাচা গ্রে’প্তার মাজারে আসা প্রতিবন্ধী তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ সিলেট পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৮ সিলেটে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু সিলেটে ওসমানীতে হাম রোগীদের জন্য নতুন ইউনিট ও আইসিইউ চালু সিলেটে ‘হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও দগ্ধ হয়ে এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল আসামী খালাস প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি- জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না হবিগঞ্জে ৪ থানার ওসি বদলী নবীগঞ্জে র‌্যাবের অভিযান ৪৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ চুনারুঘাটে বিজিবি’র অভিযান ভারতীয় গাঁজা ও বিয়ার উদ্ধার

বাজেট সহায়তার আগে অর্থনৈতিক অবস্থা খতিয়ে দেখছে বিশ্বব্যাংক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

বাজেট সহায়তা দেওয়ার আগে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খতিয়ে দেখছে বিশ্বব্যাংক। এর অংশ হিসাবে সোমবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল। এতে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর ম্যাথিউ ভারগিস। বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ই-জিপি (ই-টেন্ডার) সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তার সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিং করেন তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিশ্রুত ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা ছাড় করার আগে তারা বেশ কিছু বিষয় জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, রিজার্ভের অবস্থা, মূল্যস্ফীতি, ভ্যাট আইন সংস্কার, সিপিটিইউকে পাবলিক প্রকিউমেন্ট অথরিটি করার অগ্রগতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। উত্তরে প্রতিমন্ত্রী তাদের বলেছেন, আমাদের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন থেকে কমে গেছে, এটা চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আমাদের রপ্তানি বাড়ছে ২৫ শতাংশ হারে। আমদানি বাড়ছে ২৩ শতাংশ হারে। এক্ষেত্রে আমদানির তুলনায় রপ্তানি বাড়ছে। গত এক মাসে রেমিট্যান্স এসেছে দুই বিলিয়ন ডলার। ফলে আমরা এখন স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছি।

 ফলে রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে। এত দুর্যোগের মধ্যেও আমাদের বিনিময় মূল্য স্থিতিশীল আছে। কোথাও উৎপাদন ব্যাহত হয়নি। অর্থনীতি আমাদের আয়ত্তে আছে। তবে রিজার্ভ ধরে রাখতে আমাদের বাজেট সহায়তা প্রয়োজন। প্রচুর বৈদেশিক ঋণ এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের গতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেগা প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্পের গতি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। আমরা গ্রিন গ্রোথে (সবুজ প্রবৃদ্ধি) গুরুত্ব দিচ্ছি। তবে ব্যবস্থাপনার অদক্ষতাই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংকের কাছে নতুন করে ১০০ কোটি ডলার এবং আগে প্রতিশ্রুত ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দ্রুত ছাড় করতে অনুরোধ জানায় সরকার। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ সফর করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাজেট সহায়তার আগে অর্থনৈতিক অবস্থা খতিয়ে দেখছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩

বাজেট সহায়তা দেওয়ার আগে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খতিয়ে দেখছে বিশ্বব্যাংক। এর অংশ হিসাবে সোমবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল। এতে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর ম্যাথিউ ভারগিস। বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ই-জিপি (ই-টেন্ডার) সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তার সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিং করেন তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিশ্রুত ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা ছাড় করার আগে তারা বেশ কিছু বিষয় জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, রিজার্ভের অবস্থা, মূল্যস্ফীতি, ভ্যাট আইন সংস্কার, সিপিটিইউকে পাবলিক প্রকিউমেন্ট অথরিটি করার অগ্রগতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। উত্তরে প্রতিমন্ত্রী তাদের বলেছেন, আমাদের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন থেকে কমে গেছে, এটা চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আমাদের রপ্তানি বাড়ছে ২৫ শতাংশ হারে। আমদানি বাড়ছে ২৩ শতাংশ হারে। এক্ষেত্রে আমদানির তুলনায় রপ্তানি বাড়ছে। গত এক মাসে রেমিট্যান্স এসেছে দুই বিলিয়ন ডলার। ফলে আমরা এখন স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছি।

 ফলে রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে। এত দুর্যোগের মধ্যেও আমাদের বিনিময় মূল্য স্থিতিশীল আছে। কোথাও উৎপাদন ব্যাহত হয়নি। অর্থনীতি আমাদের আয়ত্তে আছে। তবে রিজার্ভ ধরে রাখতে আমাদের বাজেট সহায়তা প্রয়োজন। প্রচুর বৈদেশিক ঋণ এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের গতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেগা প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্পের গতি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। আমরা গ্রিন গ্রোথে (সবুজ প্রবৃদ্ধি) গুরুত্ব দিচ্ছি। তবে ব্যবস্থাপনার অদক্ষতাই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংকের কাছে নতুন করে ১০০ কোটি ডলার এবং আগে প্রতিশ্রুত ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দ্রুত ছাড় করতে অনুরোধ জানায় সরকার। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ সফর করছে।