সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান নগর উন্নয়নে জনগণের চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে- এলাকা পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক সিলেট মেট্রোপলিটন নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি সঙ্গে নবনিযুক্ত এসএমপি পুলিশ কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিক্রির উদ্যোগ বা/তিলের দাবি বাসদের সিলেট সীমান্তে ৭৮ লক্ষ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ সিলেটে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করলেন এক চীনা যুবক সিলেট গোলাপগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩

সিলেট জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটে জ্বালানি সংকটের প্রভাবে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বিভাগের চাহিদার তুলনায় ৫০ থেকে ৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এর বড় প্রভাব পড়ছে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে নিয়মিত পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে লোডশেডিংয়ের কারণে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার অভিভাবকদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে পরীক্ষার ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

শুধু শিক্ষার্থী নয়, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপাকে পড়েছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। দিন-রাত সমান তালে লোডশেডিং চলায় ব্যবসা খাতেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। অনেক ব্যবসায়ী জানান, বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে সন্ধ্যা ৭টার আগেই দোকানপাট বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তব সুফল তারা পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পিক আওয়ারে সিলেট বিভাগে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২২০ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ ঘাটতির কারণে গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন জানান, আমাদের যা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে তার পরোটাই গ্রাহকদের সরবরাহ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি উন্নয়নে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সিলেটবাসীর প্রশ্ন এই ভোগান্তির অবসান কবে? দ্রুত কার্যকর সমাধান না এলে জনজীবনের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী

আপডেট সময় : ০১:০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটে জ্বালানি সংকটের প্রভাবে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বিভাগের চাহিদার তুলনায় ৫০ থেকে ৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এর বড় প্রভাব পড়ছে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে নিয়মিত পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে লোডশেডিংয়ের কারণে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার অভিভাবকদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে পরীক্ষার ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

শুধু শিক্ষার্থী নয়, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপাকে পড়েছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। দিন-রাত সমান তালে লোডশেডিং চলায় ব্যবসা খাতেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। অনেক ব্যবসায়ী জানান, বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে সন্ধ্যা ৭টার আগেই দোকানপাট বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তব সুফল তারা পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পিক আওয়ারে সিলেট বিভাগে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২২০ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ ঘাটতির কারণে গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন জানান, আমাদের যা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে তার পরোটাই গ্রাহকদের সরবরাহ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি উন্নয়নে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সিলেটবাসীর প্রশ্ন এই ভোগান্তির অবসান কবে? দ্রুত কার্যকর সমাধান না এলে জনজীবনের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।