সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ​মাদানী ঈদগাহ-ইকো পার্ক সড়কের বেহাল দশা: দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের​ শাহজালাল মাজারে ৫ লাখ টাকা দিলেন সাবেক ডিসি সারওয়ার সাংবাদিকের কলার ধরে ঘুষি-লাথি, অভিযুক্ত জামায়াত কর্মীরা– এসএমপির ডিবির অভিযান, চোরাইকৃত ৫ সিএনজিসহ গ্রেফতার ২ আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংবর্ধনা,‘সিলেটের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও শিক্ষার আধুনিকায়নে কাজ করব’: কয়েস লোদী মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করবেন: আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী, সোবহানীঘাট কামিল মাদরাসার বার্ষিক পাগড়ী প্রদান মাহফিল সিলেটে বনফুলের সামনে থেকে আটক সুহের সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে হ ত্যা র হুমকি বিদায়বেলায় সাবেক ডিসি সারওয়ার আলমের আবেগঘন স্ট্যাটাস ​সিলেটে স্থাপিত হচ্ছে দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট: বর্জ্য হবে জ্বালানি​- নগরভবনে মতবিনিময় সভা

শাল্লায় ভেসে যাওয়া মায়ের মরদেহ উদ্ধার || দুই সন্তান এখনও নিখোঁজ || উদ্ধার তৎপরতা চলছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

শাল্লা সুনামগঞ্জে প্রতিনিধি:

শাল্লা উপজেলায় ঢলের পানিতে ভেসে যাওয়া মা দুর্লভ রানী দাসের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে; কিন্তু দুই শিশুসন্তান এখনও নিখোঁজ। তবে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
মঙ্গলবার, ২০ জুন সকাল ১১টার দিকে দাড়াইন নদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
দু্র্লভ রানী দাস উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের বিলপুর গ্রামের রতিন্দ্র দাসের স্ত্রী। তাদের দুই সন্তান জবা রানী দাস (৭) ও বিজয় দাসের (৫) সন্ধান এখন পর্যন্ত মেলেনি। মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে আর ছেলে প্রথম শ্রেণিতে পড়ছিল।
শাল্লা উপজেলা সদরের দাড়াইন নদীর তীরঘেঁষা বাহাড়া সড়কে সোমবার, ১৯ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে মা ও সন্তানরা নিখোঁজ হয়।
রতিন্দ্র দাস মুঠোফোনে জানান, তিনি পেশায় কৃষক। বিকেলে গ্রামের এক বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে কাজে বাইরে যান। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দেখেন স্ত্রী-সন্তানরা ঘরে নেই। এরপর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতেই খবর পেয়ে উপজেলা সদরে গিয়ে তাদের নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত হন। তবে তিনি জানেন না কেন তার স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে উপজেলা সদরে আসছিলেন। তার গ্রাম থেকে ঘটনাস্থল ঘণ্টাখানেকের পথ।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো আবু তালেব জানান, উপজেলা সদরের মূল সড়কে সেতুর পাশে বাহাড়া সড়কে একটি কালভার্ট আছে। সেটা বৃষ্টি ও পানির চাপে কিছুটা দেবে গেছে। এখন সেই জায়গায় হাঁটু পরিমাণ পানি। ঢলের পানি আসায় দাড়াইন নদীতেও এখন তীব্র স্রোত। সোমবার সন্ধ্যায় দুর্লভ রানী দাস দুই শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কালভার্টের প্লাবিত অংশ পার হয়ে উপজেলা সদরে আসতে চাইছিলেন। তখন একজন মোটরসাইকেল চালক পানিতে স্রোত বেশি থাকায় তাদেরকে এদিকে আসতে নিষেধ করেন; কিন্তু তিনি তা না শুনে সন্তানদের নিয়ে কালভার্ট অতিক্রম করতে গিয়ে পানির তোড়ে ভেসে যান। তাৎক্ষণিক একজন পানিতে নামলেও তাদেরকে উদ্ধার করা যায়নি।
খবর পেয়ে দ্রুত ইউএনও একদল পুলিশসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। এরপর থেকে স্থানীয় লোকজন কয়েকটি নৌকা নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
শাল্লা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (আল আমিন চৌধুরী) ও ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট দিপু রঞ্জন দাস শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শাল্লায় ভেসে যাওয়া মায়ের মরদেহ উদ্ধার || দুই সন্তান এখনও নিখোঁজ || উদ্ধার তৎপরতা চলছে

আপডেট সময় : ০৮:২৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩

শাল্লা সুনামগঞ্জে প্রতিনিধি:

শাল্লা উপজেলায় ঢলের পানিতে ভেসে যাওয়া মা দুর্লভ রানী দাসের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে; কিন্তু দুই শিশুসন্তান এখনও নিখোঁজ। তবে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
মঙ্গলবার, ২০ জুন সকাল ১১টার দিকে দাড়াইন নদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
দু্র্লভ রানী দাস উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের বিলপুর গ্রামের রতিন্দ্র দাসের স্ত্রী। তাদের দুই সন্তান জবা রানী দাস (৭) ও বিজয় দাসের (৫) সন্ধান এখন পর্যন্ত মেলেনি। মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে আর ছেলে প্রথম শ্রেণিতে পড়ছিল।
শাল্লা উপজেলা সদরের দাড়াইন নদীর তীরঘেঁষা বাহাড়া সড়কে সোমবার, ১৯ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে মা ও সন্তানরা নিখোঁজ হয়।
রতিন্দ্র দাস মুঠোফোনে জানান, তিনি পেশায় কৃষক। বিকেলে গ্রামের এক বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে কাজে বাইরে যান। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দেখেন স্ত্রী-সন্তানরা ঘরে নেই। এরপর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতেই খবর পেয়ে উপজেলা সদরে গিয়ে তাদের নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত হন। তবে তিনি জানেন না কেন তার স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে উপজেলা সদরে আসছিলেন। তার গ্রাম থেকে ঘটনাস্থল ঘণ্টাখানেকের পথ।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো আবু তালেব জানান, উপজেলা সদরের মূল সড়কে সেতুর পাশে বাহাড়া সড়কে একটি কালভার্ট আছে। সেটা বৃষ্টি ও পানির চাপে কিছুটা দেবে গেছে। এখন সেই জায়গায় হাঁটু পরিমাণ পানি। ঢলের পানি আসায় দাড়াইন নদীতেও এখন তীব্র স্রোত। সোমবার সন্ধ্যায় দুর্লভ রানী দাস দুই শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কালভার্টের প্লাবিত অংশ পার হয়ে উপজেলা সদরে আসতে চাইছিলেন। তখন একজন মোটরসাইকেল চালক পানিতে স্রোত বেশি থাকায় তাদেরকে এদিকে আসতে নিষেধ করেন; কিন্তু তিনি তা না শুনে সন্তানদের নিয়ে কালভার্ট অতিক্রম করতে গিয়ে পানির তোড়ে ভেসে যান। তাৎক্ষণিক একজন পানিতে নামলেও তাদেরকে উদ্ধার করা যায়নি।
খবর পেয়ে দ্রুত ইউএনও একদল পুলিশসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। এরপর থেকে স্থানীয় লোকজন কয়েকটি নৌকা নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
শাল্লা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (আল আমিন চৌধুরী) ও ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট দিপু রঞ্জন দাস শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।