সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট ইসলামিক ফাউন্ডেশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দু’আ মাহফিল পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় মডেল-বিভাগীয় কমিশনার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের সাজা ‘সমন্বিত উদ্যোগেই গড়ে উঠবে আধুনিক সিলেট’ – বাণিজ্যমন্ত্রী ত্রিতরঙ্গের বাদল সাঁঝের বর্ণাঢ্য আয়োজন ‘শ্রাবনের মেঘগুলো’ সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই সিলেটি সিলেট আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৫১ জন সিলেট রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি মহোদয় ৫ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন

সিলেট ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

পবিত্র রমজানে সবকিছুর দাম বেড়ে আকাশ ছোঁয়া হয়ে যায়। অসাধু ব্যবসায়ীদের চতুরতায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। এবারও তাই হয়েছে। সরকার কঠোর হলেও নানান অজুহাতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে।

তবে এরমধ্যে স্বস্তির একটা খবরও আছে। আর সেটা হচ্ছে সরকারের একটি প্রতিষ্ঠান প্রচলিত বাজার মূল্যের চেয়ে কিছুটা কম দামে হলেও সিলেটে আমিষ জাতীয় খাবারের ৪টি উপাদান সরবরাহ করছে। আর সেই প্রতিষ্ঠানটি হল প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর।

তারা আমিষের ৪টি উপাদান ট্রাকে নিয়ে প্রতিদিন সিলেটের বাজারে নামছে। আর উপাদানগুলো হচ্ছে গরুর মাংস,ব্রয়লার মোরগ,দুধ,ডিম।

তারা প্রতি কেজি গরুর মাংস দিচ্ছে ৬৫০ টাকায়, যেখানে সিলেট সিটি করর্পোরেশনের নির্ধারিত মূল্য হচ্ছে ৭৫০ টাকা। আর অসাধু ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন ৮ থেকে ৯শ’ টাকা।

আবার ড্রেসি (বড় চামড়া ইত্যাদি ছাড়া) ব্রয়লার মোরগের কেজি ২৪৫ টাকা যা সাধারণ প্রচলিত বাজার মূল্য অনুযায়ী পড়ে অন্তত তিন থেকে সাড়ে তিনশ’ টাকা।

একইভাবে তারা প্রতি লিটার গরুর দুধ দিচ্ছে ৮০ টাকা ও প্রতি পিস মোরগের ডিম দিচ্ছে ৮টাকায়।

প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত নগরীর মির্জাজাঙ্গাল পয়েন্ট এবং ১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বন্দরবাজার এলাকার কোর্ট পয়েন্টে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের এই গাড়ি অবস্থান করে।

মাংস ও দুধ ডিম থেকে গেলে ৪টার পরেও তারা নগরীর সুবিদবাজারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিক্রির চেষ্টা করেন বলে জানালেন সরকারের এই কার্যক্রমের সমন¦য়ক ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জুনায়েদ কবীর।

তিনি আরও জানান, এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে পহেলা রমজান থেকে, চলবে আগামী ২৬ রমজান পর্যন্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি

আপডেট সময় : ১১:৫২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

পবিত্র রমজানে সবকিছুর দাম বেড়ে আকাশ ছোঁয়া হয়ে যায়। অসাধু ব্যবসায়ীদের চতুরতায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। এবারও তাই হয়েছে। সরকার কঠোর হলেও নানান অজুহাতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে।

তবে এরমধ্যে স্বস্তির একটা খবরও আছে। আর সেটা হচ্ছে সরকারের একটি প্রতিষ্ঠান প্রচলিত বাজার মূল্যের চেয়ে কিছুটা কম দামে হলেও সিলেটে আমিষ জাতীয় খাবারের ৪টি উপাদান সরবরাহ করছে। আর সেই প্রতিষ্ঠানটি হল প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর।

তারা আমিষের ৪টি উপাদান ট্রাকে নিয়ে প্রতিদিন সিলেটের বাজারে নামছে। আর উপাদানগুলো হচ্ছে গরুর মাংস,ব্রয়লার মোরগ,দুধ,ডিম।

তারা প্রতি কেজি গরুর মাংস দিচ্ছে ৬৫০ টাকায়, যেখানে সিলেট সিটি করর্পোরেশনের নির্ধারিত মূল্য হচ্ছে ৭৫০ টাকা। আর অসাধু ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন ৮ থেকে ৯শ’ টাকা।

আবার ড্রেসি (বড় চামড়া ইত্যাদি ছাড়া) ব্রয়লার মোরগের কেজি ২৪৫ টাকা যা সাধারণ প্রচলিত বাজার মূল্য অনুযায়ী পড়ে অন্তত তিন থেকে সাড়ে তিনশ’ টাকা।

একইভাবে তারা প্রতি লিটার গরুর দুধ দিচ্ছে ৮০ টাকা ও প্রতি পিস মোরগের ডিম দিচ্ছে ৮টাকায়।

প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত নগরীর মির্জাজাঙ্গাল পয়েন্ট এবং ১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বন্দরবাজার এলাকার কোর্ট পয়েন্টে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের এই গাড়ি অবস্থান করে।

মাংস ও দুধ ডিম থেকে গেলে ৪টার পরেও তারা নগরীর সুবিদবাজারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিক্রির চেষ্টা করেন বলে জানালেন সরকারের এই কার্যক্রমের সমন¦য়ক ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জুনায়েদ কবীর।

তিনি আরও জানান, এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে পহেলা রমজান থেকে, চলবে আগামী ২৬ রমজান পর্যন্ত।