সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

খালখনন কর্মসূচি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : এমপি এম এ মালিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক বলেছেন, চলমান খালখনন কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দুপুর ২টায় উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মল্লিকপুর এলাকায় খালখনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ মালিক জানান, এ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ—এই তিন উপজেলা সরাসরি উপকৃত হবে। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খাল পুনঃখনন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী নতুন করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন, যা কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, খাল পুনঃখনন শুধু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বন্যার ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হবে। এর ফলে কৃষকের উৎপাদন বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হবে।

স্মৃতিচারণ করে এম এ মালিক বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অংশ হিসেবে তিনি খালখনন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। ১৯৭৭ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে পরিচালিত খালখনন আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

তিনি আরও জানান, সিলেট-৩ আসনের আওতাধীন দাউদপুর ও মল্লিকপুর এলাকায় ইতোমধ্যে খালখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বালাগঞ্জ উপজেলাতেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, “সিলেট-৩ আসনের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ আমরা তিন উপজেলাকে মডেল এলাকায় রূপান্তর করবো।”

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু খাল নয়—সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য ছোট নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এম এ মালিক প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খালখনন কর্মসূচি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : এমপি এম এ মালিক

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক বলেছেন, চলমান খালখনন কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দুপুর ২টায় উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মল্লিকপুর এলাকায় খালখনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ মালিক জানান, এ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ—এই তিন উপজেলা সরাসরি উপকৃত হবে। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খাল পুনঃখনন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী নতুন করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন, যা কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, খাল পুনঃখনন শুধু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বন্যার ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হবে। এর ফলে কৃষকের উৎপাদন বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হবে।

স্মৃতিচারণ করে এম এ মালিক বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অংশ হিসেবে তিনি খালখনন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। ১৯৭৭ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে পরিচালিত খালখনন আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

তিনি আরও জানান, সিলেট-৩ আসনের আওতাধীন দাউদপুর ও মল্লিকপুর এলাকায় ইতোমধ্যে খালখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বালাগঞ্জ উপজেলাতেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, “সিলেট-৩ আসনের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ আমরা তিন উপজেলাকে মডেল এলাকায় রূপান্তর করবো।”

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু খাল নয়—সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য ছোট নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এম এ মালিক প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেন।