সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

খালখনন কর্মসূচি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : এমপি এম এ মালিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক বলেছেন, চলমান খালখনন কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দুপুর ২টায় উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মল্লিকপুর এলাকায় খালখনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ মালিক জানান, এ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ—এই তিন উপজেলা সরাসরি উপকৃত হবে। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খাল পুনঃখনন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী নতুন করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন, যা কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, খাল পুনঃখনন শুধু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বন্যার ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হবে। এর ফলে কৃষকের উৎপাদন বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হবে।

স্মৃতিচারণ করে এম এ মালিক বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অংশ হিসেবে তিনি খালখনন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। ১৯৭৭ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে পরিচালিত খালখনন আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

তিনি আরও জানান, সিলেট-৩ আসনের আওতাধীন দাউদপুর ও মল্লিকপুর এলাকায় ইতোমধ্যে খালখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বালাগঞ্জ উপজেলাতেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, “সিলেট-৩ আসনের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ আমরা তিন উপজেলাকে মডেল এলাকায় রূপান্তর করবো।”

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু খাল নয়—সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য ছোট নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এম এ মালিক প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খালখনন কর্মসূচি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : এমপি এম এ মালিক

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক বলেছেন, চলমান খালখনন কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দুপুর ২টায় উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মল্লিকপুর এলাকায় খালখনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ মালিক জানান, এ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ—এই তিন উপজেলা সরাসরি উপকৃত হবে। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খাল পুনঃখনন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী নতুন করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন, যা কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, খাল পুনঃখনন শুধু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বন্যার ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হবে। এর ফলে কৃষকের উৎপাদন বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হবে।

স্মৃতিচারণ করে এম এ মালিক বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অংশ হিসেবে তিনি খালখনন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। ১৯৭৭ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে পরিচালিত খালখনন আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

তিনি আরও জানান, সিলেট-৩ আসনের আওতাধীন দাউদপুর ও মল্লিকপুর এলাকায় ইতোমধ্যে খালখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বালাগঞ্জ উপজেলাতেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, “সিলেট-৩ আসনের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ আমরা তিন উপজেলাকে মডেল এলাকায় রূপান্তর করবো।”

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু খাল নয়—সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য ছোট নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এম এ মালিক প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেন।