ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হাইকমিশনে গিয়ে খালেদা জিয়ার প্রতি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ – ৩০০ আসনে বৈধ প্রার্থী ১৮৪২, বাতিল ৭২৩ নতুন বছরে এলপি গ্যাসের দামে ধাক্কা, বাড়ল ৫৩ টাকা ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি) দিবস পালিত জুলাই আন্দোল‌নে নি হ ত ৮ জ‌নের পরিচয় শনাক্ত আজমিরীগঞ্জে লাইসেন্স ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি চলছে অবাদে শাহ-আরেফিন টিল্লায় পাথর উত্তোলন ঠেকাতে যৌথ বাহিনীর অভিযান- সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ইসলামের আলোকে জীবন পরিচালিত করতে হবে

গাজা থেকে সব সেনা সরাবে না ইসরাইল, বানাবে সামরিক ঘাঁটি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের জানিয়েছেন, তারা ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকা থেকে কখনোই পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করবে না। তবে কাটজ বলেছেন, গাজায় একটি সেনা ঘাঁটি বানাবে ইসরাইল। 

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক অনুষ্ঠানে কাটজ ইঙ্গিত দেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে ভবিষ্যতে নতুন সামরিক–কৃষিভিত্তিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা দখলদার ইসরাইলের। যা অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি দেশটির উপস্থিতির স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেইত এল বসতিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বেনিয়ামিন ব্রিগেডের সদর দপ্তর স্থানান্তরের চুক্তি এবং একই এলাকায় ১,২০০ নতুন বসতি নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশ আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করে। তবুও ইসরাইল সরকার সেখানে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সঠিকভাবে, সঠিক সময়ে এগোচ্ছি। কেউ কেউ প্রতিবাদ করছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের হাতেই। এই সরকার সম্পৃক্ততা ও নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করে। যদি সার্বভৌমত্ব প্রয়োগ সম্ভব হয়, আমরা তা প্রয়োগ করব। আমরা এখন কার্যকর সার্বভৌমত্বের একটি পর্যায়ে রয়েছি। ৭ অক্টোবরের ভয়াবহ ঘটনার পর ইসরাইল যে শক্ত অবস্থান নিয়েছে, তার ফলে এমন সুযোগ তৈরি হয়েছে যা দীর্ঘদিন ছিল না।’

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা থেকে স্থায়ীভাবে সেনা প্রত্যাহার না করার ঘোষণা এবং নতুন সামরিক–কৃষি ঘাঁটির পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ১০ অক্টোবর থেকে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে উভয় পক্ষই নিয়মিত একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইল অভিযানের পর গাজায় পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া গাজার ২০ লাখের বেশি বাসিন্দার মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজা থেকে সব সেনা সরাবে না ইসরাইল, বানাবে সামরিক ঘাঁটি

আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের জানিয়েছেন, তারা ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকা থেকে কখনোই পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করবে না। তবে কাটজ বলেছেন, গাজায় একটি সেনা ঘাঁটি বানাবে ইসরাইল। 

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক অনুষ্ঠানে কাটজ ইঙ্গিত দেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে ভবিষ্যতে নতুন সামরিক–কৃষিভিত্তিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা দখলদার ইসরাইলের। যা অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি দেশটির উপস্থিতির স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেইত এল বসতিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বেনিয়ামিন ব্রিগেডের সদর দপ্তর স্থানান্তরের চুক্তি এবং একই এলাকায় ১,২০০ নতুন বসতি নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশ আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করে। তবুও ইসরাইল সরকার সেখানে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সঠিকভাবে, সঠিক সময়ে এগোচ্ছি। কেউ কেউ প্রতিবাদ করছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের হাতেই। এই সরকার সম্পৃক্ততা ও নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করে। যদি সার্বভৌমত্ব প্রয়োগ সম্ভব হয়, আমরা তা প্রয়োগ করব। আমরা এখন কার্যকর সার্বভৌমত্বের একটি পর্যায়ে রয়েছি। ৭ অক্টোবরের ভয়াবহ ঘটনার পর ইসরাইল যে শক্ত অবস্থান নিয়েছে, তার ফলে এমন সুযোগ তৈরি হয়েছে যা দীর্ঘদিন ছিল না।’

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা থেকে স্থায়ীভাবে সেনা প্রত্যাহার না করার ঘোষণা এবং নতুন সামরিক–কৃষি ঘাঁটির পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ১০ অক্টোবর থেকে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে উভয় পক্ষই নিয়মিত একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইল অভিযানের পর গাজায় পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া গাজার ২০ লাখের বেশি বাসিন্দার মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।