সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪

নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর চর কেটে বালু-মাটি বিক্রি – মূলহোতাদের ধরতে ফের অভিযানে ইউএনও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :

নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধভাবে মাটি ও বালু বিক্রির ঘটনা ট্রাক আটক করে জরিমানা করার পর এবার মাটি এবং বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত মূলহোতাদের ধরতে ফের অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন।

গতকাল বুধবার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

জানা যায়- দীর্ঘদিন ধরে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধভাবে বালু ও মাটি বিক্রি করে আসছে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাতের আধাঁরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে একদল আনসার সদস্য উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কুশিয়ারা নদীর চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধ বালু ও মাটি বোঝাই ৩টি ট্রাক আটক করা হয়। পরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বালু মহাল এবং মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধভাবে বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার দায়ে ট্রাক চালক মতিউর রহমানকে ৫০ হাজার টাকা ও অবৈধভাবে মাটি বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার দায়ে ট্রাক চালক হীরা সরকারকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

এদিকে বুধবার দুপুরে মাটি ও বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত মূলহোতাদের ধরতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর এলাকায় পুনরায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেভাগেই সটকে পড়েন মূলহোতারা।

সূত্র বলছে- দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে তথ্য আদান প্রদানের জন্য একাধিক নিজস্ব (সোর্স) লোক বসিয়ে রাখে অবৈধ মাটি এবং বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত চক্রটি। এজন্য সোর্সদের পারিশ্রমিকও দেয়া হয়। আশপাশ এলাকায় প্রশাসনের গাড়ি দেখামাত্রা বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা সোর্সরা ঘটনাস্থলে ফোন দিয়ে প্রশাসন আসার খবর জানিয়ে দেয়। ফলে দ্রুত তারা সটকে পড়ে। এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন- কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধ বালু ও মাটি বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত মূল অপরাধীদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদীর চর কেটে অবৈধ বালু ও মাটি বিক্রি বন্ধে প্রয়োজনে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর চর কেটে বালু-মাটি বিক্রি – মূলহোতাদের ধরতে ফের অভিযানে ইউএনও

আপডেট সময় : ১০:২৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :

নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধভাবে মাটি ও বালু বিক্রির ঘটনা ট্রাক আটক করে জরিমানা করার পর এবার মাটি এবং বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত মূলহোতাদের ধরতে ফের অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন।

গতকাল বুধবার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

জানা যায়- দীর্ঘদিন ধরে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধভাবে বালু ও মাটি বিক্রি করে আসছে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাতের আধাঁরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে একদল আনসার সদস্য উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কুশিয়ারা নদীর চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধ বালু ও মাটি বোঝাই ৩টি ট্রাক আটক করা হয়। পরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বালু মহাল এবং মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধভাবে বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার দায়ে ট্রাক চালক মতিউর রহমানকে ৫০ হাজার টাকা ও অবৈধভাবে মাটি বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার দায়ে ট্রাক চালক হীরা সরকারকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

এদিকে বুধবার দুপুরে মাটি ও বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত মূলহোতাদের ধরতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর এলাকায় পুনরায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেভাগেই সটকে পড়েন মূলহোতারা।

সূত্র বলছে- দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে তথ্য আদান প্রদানের জন্য একাধিক নিজস্ব (সোর্স) লোক বসিয়ে রাখে অবৈধ মাটি এবং বালু বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত চক্রটি। এজন্য সোর্সদের পারিশ্রমিকও দেয়া হয়। আশপাশ এলাকায় প্রশাসনের গাড়ি দেখামাত্রা বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা সোর্সরা ঘটনাস্থলে ফোন দিয়ে প্রশাসন আসার খবর জানিয়ে দেয়। ফলে দ্রুত তারা সটকে পড়ে। এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন- কসবা গ্রামে কুশিয়ারা নদীর চর কেটে অবৈধ বালু ও মাটি বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত মূল অপরাধীদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদীর চর কেটে অবৈধ বালু ও মাটি বিক্রি বন্ধে প্রয়োজনে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।