ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গে ভবনের উপর থেকে ইট পড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু হবিগঞ্জ বাহুবলে ফুলতলী ছাহেব কিবলা (রহ.)-এর স্মরণে ক্বিরাত ও তাজবিদ প্রতিযোগিতা সিলেট মদিনা মার্কেটে বিএসটিআই-এর অভিযান,পরিমাপ যন্ত্রের ভেরিফিকেশন সিলেটে অপরাধ দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান , ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৬৬ সিলেটে ৭৬ বোতল মদসহ গ্রেফতার ২ ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্নে অংশজনের সাথে সিলেট হাইওয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও ইফতার  সিলেটে নবাগত পুলিশ সুপার  ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক যোগদান পুলিশের রেশন সেন্টারে দু*র্নীতি, মামলা সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযান- ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার মালামাল আটক সিলেট গোয়াইনঘাটে বিপুল পরিমাণ পণ্যসহ আটক-৮

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধর -২ ঘণ্টা বন্ধ জরুরি বিভাগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম আশরাফকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দুই ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, সিরিয়াস রোগী নিয়ে আসার সাথে সাথেই চিকিৎসা না দিয়ে ইন্টার্নীর মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হয়। কোনো কথা বললেই রোগীদেরকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না দিয়েই সিলেট এবং ঢাকা রেফার্ড করা হয়। এতে রোগীদের ঝুঁকি থাকে বেশি। এমনকি কেউ কেউ মারাও যান। অপরদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী সেবা দিয়ে থাকি। অথচ রোগীর স্বজনরা আমাদেরকে লাঞ্ছিত করে। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার বনগাঁও গ্রামের তমাল নামের এক রোগীর স্বজন জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক নাঈম আশরাফের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে দায়িত্বরতরা অভিযোগ করেন। ঘটনার পর চিকিৎসক ও অন্যান্য স্টাফদের মধ্যে তখন উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে জরুরি বিভাগের সেবা প্রদান বন্ধ রাখেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় সড়ক দুর্ঘটনায় আহতসহ মুমূর্ষু রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে এসে বঞ্চিত হন। তখন জরুরি বিভাগ বন্ধ থাকায় কয়েকজন রোগীকে ওয়ার্ড বয় দিয়ে প্রাথমিক সেবা দিতে দেখা যায়। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও সদর থানা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে তাদের আশ্বাসে রাত সাড়ে ৮টার দিকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা পুনরায় চালু হয়। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধর -২ ঘণ্টা বন্ধ জরুরি বিভাগ

আপডেট সময় : ০১:০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম আশরাফকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দুই ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, সিরিয়াস রোগী নিয়ে আসার সাথে সাথেই চিকিৎসা না দিয়ে ইন্টার্নীর মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হয়। কোনো কথা বললেই রোগীদেরকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না দিয়েই সিলেট এবং ঢাকা রেফার্ড করা হয়। এতে রোগীদের ঝুঁকি থাকে বেশি। এমনকি কেউ কেউ মারাও যান। অপরদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী সেবা দিয়ে থাকি। অথচ রোগীর স্বজনরা আমাদেরকে লাঞ্ছিত করে। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার বনগাঁও গ্রামের তমাল নামের এক রোগীর স্বজন জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক নাঈম আশরাফের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে দায়িত্বরতরা অভিযোগ করেন। ঘটনার পর চিকিৎসক ও অন্যান্য স্টাফদের মধ্যে তখন উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে জরুরি বিভাগের সেবা প্রদান বন্ধ রাখেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় সড়ক দুর্ঘটনায় আহতসহ মুমূর্ষু রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে এসে বঞ্চিত হন। তখন জরুরি বিভাগ বন্ধ থাকায় কয়েকজন রোগীকে ওয়ার্ড বয় দিয়ে প্রাথমিক সেবা দিতে দেখা যায়। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও সদর থানা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে তাদের আশ্বাসে রাত সাড়ে ৮টার দিকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা পুনরায় চালু হয়। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।