ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় গিয়ে মানুষের দুর্ভোগ দেখলেন সিসিক প্রশাসক হবিগঞ্জ জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষ- মাধবপুরে বৃদ্ধ নিহত, আহত অন্তত ৩০ সিলেটে সুরঞ্জিত সেনের বিস্ফোরক মামলায় হাজিরা দিলেন আরিফ, গউছ, বাবর সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে গণবিজ্ঞপ্তি, অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের ৮টি মহানগরীর মধ্যে নিরাপত্তা ও কম অপরাধপ্রবণ নগরীর তালিকায় সেরা সিলেট সিলেটের জাফলং পাথরখেকোদের গ্রাসে বিলীন হচ্ছে জাফলং রাজবাড়ী সিলেট সীমান্ত থেকে নারী ও শিশুসহ ৯ জন আটক সুনামগঞ্জ,হবিগঞ্জ বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ- কালনী নদীর ভাঙ্গনে নি:স্ব শতাধিক পরিবার, আতঙ্কে অসংখ্য মানুষ সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন চলছে ম্যানুয়ালি, বৈদ্যুতিক গোলোযোগ থেকে অগ্নিকাণ্ড জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে ওলামা দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

৫৯ বছরে মা হলেন তিনি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

৫৯ বছরে দ্বিতীয় সন্তানের মা হয়েছেন ঝোউ।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

৫৯ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হইচই ফেলে দিয়েছেন এক চীনা নারী। এটি তার দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তার একটি মেয়ে রয়েছে। খবর সাউথ মর্নিং চায়না পোস্টের। 

ঝোউ নামের ওই নারী জানান, তার প্রথম সন্তান মেয়ে। মেয়ে বড় হয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় তিনি ও তার স্বামী খুব ‘একাকী’ অনুভব করছিলেন।

একাকিত্ব কাটাতে এ দম্পতি দুবছর আগে আরও একটি সন্তান নেওয়া পরিকল্পনা করেন। 

গর্ভধারণের জন্য ঝোউ নিজের স্বাস্থ্য ঠিক করা এবং শরীরকে প্রস্তুত করা শুরু করেন। সুষম খাদ্যগ্রহণ ও নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি তিনি ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন।

এ দম্পতির বয়স অনেক বেশি হওয়ায় তাদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য ছিল, গর্ভধারণে ঝুঁকিও ছিল অনেক বেশি। কিন্তু তারা আশা ছাড়েননি।

আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণের জন্য এ দম্পতি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন এবং কয়েক মাসের চিকিৎসায় সফলভাবে গর্ভধারণে সক্ষম হন।

ঝোউ বলেন, গর্ভধারণের পর চিকিৎসকেরা তার বিশেষ যত্ন নিতেন। এই নারী বলেন, ‘চিকিৎসকেরা নিয়মিত আমাকে বার্তা পাঠাতেন, আমার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখতেন। আমার নিজেকে পান্ডা মনে হতো, চিকিৎসকেরা যাকে যত্নসহকারে রক্ষা করছেন।’

ঝোউকে গর্ভকালীন নানা শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তার রক্তচাপ অনেক বেড়ে গিয়েছিল, কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল, পা অনেক ফুলে যেত। তার আরও বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

তাই গর্ভধারণের প্রায় ৩৩ সপ্তাহ পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। ৯ জানুয়ারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঝোউ ২ দশমিক ২ কেজি ওজনের একটি ছেলেশিশুর জন্ম দেন।

ঝোউয়ের চিকিৎসক গুও বলেন, তিনি একজন সাহসী মা, যিনি এই ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন।

এই প্রতিবেদনে ঝোউয়ের স্বামী বা তার মেয়ে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৫৯ বছরে মা হলেন তিনি

আপডেট সময় : ০২:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

৫৯ বছরে দ্বিতীয় সন্তানের মা হয়েছেন ঝোউ।

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

৫৯ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হইচই ফেলে দিয়েছেন এক চীনা নারী। এটি তার দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তার একটি মেয়ে রয়েছে। খবর সাউথ মর্নিং চায়না পোস্টের। 

ঝোউ নামের ওই নারী জানান, তার প্রথম সন্তান মেয়ে। মেয়ে বড় হয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় তিনি ও তার স্বামী খুব ‘একাকী’ অনুভব করছিলেন।

একাকিত্ব কাটাতে এ দম্পতি দুবছর আগে আরও একটি সন্তান নেওয়া পরিকল্পনা করেন। 

গর্ভধারণের জন্য ঝোউ নিজের স্বাস্থ্য ঠিক করা এবং শরীরকে প্রস্তুত করা শুরু করেন। সুষম খাদ্যগ্রহণ ও নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি তিনি ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন।

এ দম্পতির বয়স অনেক বেশি হওয়ায় তাদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য ছিল, গর্ভধারণে ঝুঁকিও ছিল অনেক বেশি। কিন্তু তারা আশা ছাড়েননি।

আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণের জন্য এ দম্পতি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন এবং কয়েক মাসের চিকিৎসায় সফলভাবে গর্ভধারণে সক্ষম হন।

ঝোউ বলেন, গর্ভধারণের পর চিকিৎসকেরা তার বিশেষ যত্ন নিতেন। এই নারী বলেন, ‘চিকিৎসকেরা নিয়মিত আমাকে বার্তা পাঠাতেন, আমার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখতেন। আমার নিজেকে পান্ডা মনে হতো, চিকিৎসকেরা যাকে যত্নসহকারে রক্ষা করছেন।’

ঝোউকে গর্ভকালীন নানা শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তার রক্তচাপ অনেক বেড়ে গিয়েছিল, কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল, পা অনেক ফুলে যেত। তার আরও বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

তাই গর্ভধারণের প্রায় ৩৩ সপ্তাহ পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। ৯ জানুয়ারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঝোউ ২ দশমিক ২ কেজি ওজনের একটি ছেলেশিশুর জন্ম দেন।

ঝোউয়ের চিকিৎসক গুও বলেন, তিনি একজন সাহসী মা, যিনি এই ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন।

এই প্রতিবেদনে ঝোউয়ের স্বামী বা তার মেয়ে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।