সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

সুরমার চরে বেদে পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো ‘জীবন ফাউন্ডেশন’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারাদেশ যখন শীতে কাঁপছে, শীতবস্ত্র বিতরণের খবর সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে, কিন্তু ওদের খোঁজ খবর কেউ রাখে না। ওরা রহস্যময় মানুষ। ওরা যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়ায় এখানে সেখানে। এক যায়গা থেকে অন্য যায়গায় দেখা যায় ওদের।


এরকম ১৫টি পরিবার সিলেটের কুশিঘাট এলাকার সুরমা নদীর চরে বসবাস করছে, শীতের মাঝে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
শীতের মধ্যে তাদের এই দু:খ-দুর্দশা দেখে এগিয়ে এসেছে সিলেটের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘জীবন ফাউন্ডেশন’।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সুরমার চরে ১৫টি বেদে পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো সংস্থাটি। প্রতিটি অস্থায়ী ঘরে ২টি করে শীতের কম্বল ও ২টি করে জ্যাকেট প্রদান করা হয়েছে। এতে সহায়তা করেছেন আমেরিকা প্রবাসী জাবেদ আহমদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।
 ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে জেনারেল সেক্রেটারি মো. জুনেদ আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভিসি জহিরুল হক বলেন, বেদেরাও আমাদের সমাজের অংশ। কিন্তু রাষ্ট্রের কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না তারা। তাদেরকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা জরুরি। তাদের পরিবারে যেসব সন্তানাদি জন্ম হচ্ছে লেখাপড়ার বিষয়ে তারা বেখবর। এসব কারণে যাযাবরের এ জীবন থেকে সরে আসতে পারছে না তারা।
 

জীবন ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি সবসময় একেবারে নেহায়েত মানুষের পাশে কাজ করছে। যার প্রমাণ বেদে সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ফাউন্ডেশন এর ট্রেজারার মো. শাকিলুজ্জামান, সদস্যবৃন্দের মধ্যে ফেরদৌস আহমদ, এস এম আতিকুর রহমান, সোহানুর আমিন রবিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুরমার চরে বেদে পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো ‘জীবন ফাউন্ডেশন’

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারাদেশ যখন শীতে কাঁপছে, শীতবস্ত্র বিতরণের খবর সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে, কিন্তু ওদের খোঁজ খবর কেউ রাখে না। ওরা রহস্যময় মানুষ। ওরা যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়ায় এখানে সেখানে। এক যায়গা থেকে অন্য যায়গায় দেখা যায় ওদের।


এরকম ১৫টি পরিবার সিলেটের কুশিঘাট এলাকার সুরমা নদীর চরে বসবাস করছে, শীতের মাঝে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
শীতের মধ্যে তাদের এই দু:খ-দুর্দশা দেখে এগিয়ে এসেছে সিলেটের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘জীবন ফাউন্ডেশন’।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সুরমার চরে ১৫টি বেদে পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো সংস্থাটি। প্রতিটি অস্থায়ী ঘরে ২টি করে শীতের কম্বল ও ২টি করে জ্যাকেট প্রদান করা হয়েছে। এতে সহায়তা করেছেন আমেরিকা প্রবাসী জাবেদ আহমদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।
 ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে জেনারেল সেক্রেটারি মো. জুনেদ আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভিসি জহিরুল হক বলেন, বেদেরাও আমাদের সমাজের অংশ। কিন্তু রাষ্ট্রের কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না তারা। তাদেরকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা জরুরি। তাদের পরিবারে যেসব সন্তানাদি জন্ম হচ্ছে লেখাপড়ার বিষয়ে তারা বেখবর। এসব কারণে যাযাবরের এ জীবন থেকে সরে আসতে পারছে না তারা।
 

জীবন ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি সবসময় একেবারে নেহায়েত মানুষের পাশে কাজ করছে। যার প্রমাণ বেদে সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ফাউন্ডেশন এর ট্রেজারার মো. শাকিলুজ্জামান, সদস্যবৃন্দের মধ্যে ফেরদৌস আহমদ, এস এম আতিকুর রহমান, সোহানুর আমিন রবিন প্রমুখ।