সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেট নগরী দীর্ঘদিনের যানজট, অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে – ডিসি ও কমিশনার হার্ডলাইনে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সিলেট নগরীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে যানজট, অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত দখল সমস্যায় এবার হার্ডলাইনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারোয়ার আলম এবং সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুজনই কঠোর অবস্থানে থেকে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছেন।

গত ২২ আগস্ট যোগদান করেন ডিসি মো. সারোয়ার আলম। দায়িত্ব নিয়েই তিনি নগরীর ফুটপাত ও রাজপথ দখলমুক্ত করতে হকার পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেন। লালদিঘীরপারে হকার্স মার্কেটকে প্রস্তুত করে সেখানে হকার্সদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করছেন । তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন রাজপথে কোনোভাবেই হকার বসতে পারবে না। বাজারটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে গেলে সাঁড়াশি অভিযানে নামবে প্রশাসন।

অন্যদিকে, ১০ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন নতুন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। দায়িত্ব নিয়েই তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশা, সিএনজি ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে প্রথম দিনে ৮৭টি যান আটক ও ১৭টি মামলা দায়ের হয়। পরের দিন মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের অভিযানে আরও ১০৫টি যানবাহন আটক ও ৩২টি মামলা করা হয়। এসব অবৈধ যান সরাসরি ডাম্পিং করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে নগরীর যানজট কমাতে এসএমপি ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে মহানগরে ৩০টি বৈধ সিএনজি ও লেগুনা স্ট্যান্ড নির্ধারণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এসব বৈধ স্ট্যান্ড ছাড়া অন্য কোথাও কোনো যানবাহন দাঁড়ালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসি সারোয়ার আলম বলেছেন, “নগরীর উন্নয়ন হবে, তবে তা হবে টেকসই। রাস্তা-ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার সুযোগ আর দেওয়া হবে না। অন্যদিকে কমিশনার কুদ্দুছ চৌধুরীর ঘোষণা, “অবৈধ যানবাহন সড়ক থেকে সরাতে সময় দেওয়া হয়েছিল। এখন আর ছাড় নয়—শৃঙ্খলা ফেরাতেই কঠোর অভিযান চলছে।

সদ্য যোগ দেওয়া এই দুই কর্মকর্তা নগরীর ভোগান্তি কমানো ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ শুরু করেছেন। তাদের দৃঢ় অবস্থান নগরবাসীর মাঝে আশার সঞ্চার করেছে যে সিলেট আবারও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপ নেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট নগরী দীর্ঘদিনের যানজট, অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে – ডিসি ও কমিশনার হার্ডলাইনে

আপডেট সময় : ১০:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সিলেট নগরীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে যানজট, অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত দখল সমস্যায় এবার হার্ডলাইনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারোয়ার আলম এবং সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুজনই কঠোর অবস্থানে থেকে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছেন।

গত ২২ আগস্ট যোগদান করেন ডিসি মো. সারোয়ার আলম। দায়িত্ব নিয়েই তিনি নগরীর ফুটপাত ও রাজপথ দখলমুক্ত করতে হকার পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেন। লালদিঘীরপারে হকার্স মার্কেটকে প্রস্তুত করে সেখানে হকার্সদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করছেন । তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন রাজপথে কোনোভাবেই হকার বসতে পারবে না। বাজারটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে গেলে সাঁড়াশি অভিযানে নামবে প্রশাসন।

অন্যদিকে, ১০ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন নতুন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। দায়িত্ব নিয়েই তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশা, সিএনজি ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে প্রথম দিনে ৮৭টি যান আটক ও ১৭টি মামলা দায়ের হয়। পরের দিন মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের অভিযানে আরও ১০৫টি যানবাহন আটক ও ৩২টি মামলা করা হয়। এসব অবৈধ যান সরাসরি ডাম্পিং করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে নগরীর যানজট কমাতে এসএমপি ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে মহানগরে ৩০টি বৈধ সিএনজি ও লেগুনা স্ট্যান্ড নির্ধারণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এসব বৈধ স্ট্যান্ড ছাড়া অন্য কোথাও কোনো যানবাহন দাঁড়ালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসি সারোয়ার আলম বলেছেন, “নগরীর উন্নয়ন হবে, তবে তা হবে টেকসই। রাস্তা-ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার সুযোগ আর দেওয়া হবে না। অন্যদিকে কমিশনার কুদ্দুছ চৌধুরীর ঘোষণা, “অবৈধ যানবাহন সড়ক থেকে সরাতে সময় দেওয়া হয়েছিল। এখন আর ছাড় নয়—শৃঙ্খলা ফেরাতেই কঠোর অভিযান চলছে।

সদ্য যোগ দেওয়া এই দুই কর্মকর্তা নগরীর ভোগান্তি কমানো ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ শুরু করেছেন। তাদের দৃঢ় অবস্থান নগরবাসীর মাঝে আশার সঞ্চার করেছে যে সিলেট আবারও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপ নেবে।