সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেট জৈন্তাপুরে ট্রাকের পাথরের নিচে ৩.৩৩ লাখ ভারতীয় চকলেট,আটক ১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় তামাবিল মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে একটি পাথর বোঝাই ট্রাক হতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চকলেট আটক করেছে পুলিশ।

উক্ত ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যাক্তির নাম রমজান আলি (২৬)। সে গোয়াইনঘাট জাফলং এলাকার শান্তিনগর ছৈলাখেল (৪র্থ খন্ড) গ্রামের মৃত মনু মিয়ার পুত্র। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৭ই সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুর সদর সংলগ্ন চুনাহাটি জামে মসজিদের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। 

এদিন বিকেল ৪:৩০ ঘটিকায় জৈন্তাপুর মডেল থানার উপ- পরিদর্শক রাজন দেব’র নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সিলেটগামী একটি ভাঙ্গা পাথর বোঝাই ট্রাক ( ঢাকা মেট্রো -ট – ১৬-৭৮৯৮) কে সিগন্যাল দিলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকে থাকা একজন পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ রমজান আলি আটক করে ট্রাক সহ থানায় নিয়ে আসে।

পরবর্তীতে ট্রাকটি থেকে পাথর অপসারণ করলে পাথরের নিচে কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২৪ টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায়, উদ্ধার হওয়া বস্তাগুলো থেকে ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার পিছ আইবল ক্যান্ডি চকলেট  আটক করা হয়েছে যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা সমপরিমাণ। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান। তিনি বলেন উক্ত ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক আসামিকে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ পাহারায় আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি জানান। 

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি সময়ে চোরাকারবারিরা চোরাচালানে বিভিন্ন রকমের কৌশল অবলম্বন করছে। সে বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে পুলিশের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট জৈন্তাপুরে ট্রাকের পাথরের নিচে ৩.৩৩ লাখ ভারতীয় চকলেট,আটক ১

আপডেট সময় : ০১:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় তামাবিল মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে একটি পাথর বোঝাই ট্রাক হতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চকলেট আটক করেছে পুলিশ।

উক্ত ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যাক্তির নাম রমজান আলি (২৬)। সে গোয়াইনঘাট জাফলং এলাকার শান্তিনগর ছৈলাখেল (৪র্থ খন্ড) গ্রামের মৃত মনু মিয়ার পুত্র। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৭ই সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুর সদর সংলগ্ন চুনাহাটি জামে মসজিদের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। 

এদিন বিকেল ৪:৩০ ঘটিকায় জৈন্তাপুর মডেল থানার উপ- পরিদর্শক রাজন দেব’র নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সিলেটগামী একটি ভাঙ্গা পাথর বোঝাই ট্রাক ( ঢাকা মেট্রো -ট – ১৬-৭৮৯৮) কে সিগন্যাল দিলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকে থাকা একজন পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ রমজান আলি আটক করে ট্রাক সহ থানায় নিয়ে আসে।

পরবর্তীতে ট্রাকটি থেকে পাথর অপসারণ করলে পাথরের নিচে কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২৪ টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায়, উদ্ধার হওয়া বস্তাগুলো থেকে ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার পিছ আইবল ক্যান্ডি চকলেট  আটক করা হয়েছে যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা সমপরিমাণ। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান। তিনি বলেন উক্ত ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক আসামিকে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ পাহারায় আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি জানান। 

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি সময়ে চোরাকারবারিরা চোরাচালানে বিভিন্ন রকমের কৌশল অবলম্বন করছে। সে বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে পুলিশের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।