সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

সিলেট কোম্পানীগঞ্জ সাদাপাথর লুটপাট নিয়ে সিলেটে তদন্ত কমিটির গণশুনানি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫ ৯৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র ও রেলওয়ে বাংকার এলাকায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের ঘটনায় পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভয়াবহ ক্ষতির প্রেক্ষিতে গণশুনানি আয়োজন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে সিলেট সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এই গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীনসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও।

গণশুনানিতে অংশ নেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। 

বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ট্রাক পরিবহন মালিক সমিতি, পাথর ব্যবসায়ী সমিতি, পরিবেশবাদী সংগঠন ও সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা, তথ্য ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতা করেন।

তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার থেকে সরেজমিন তদন্ত শুরু করে, যার অংশ হিসেবে তারা সাদাপাথর এলাকা পরিদর্শনও করেছেন। উল্লেখ্য, ২০ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে এই কমিটি গঠিত হয়।

এর আগেই সাদাপাথর লুটপাট সংক্রান্ত একটি বিস্ফোরক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের অনুসন্ধানে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীসহ ৫২ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি-সহ প্রশাসনের অনেককেই অভিযুক্ত করা হয়েছে।

দুদকের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন গঠিত আরেকটি তদন্ত কমিটিও প্রতিবেদন দিয়েছে, যেখানে শতাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তবে নাম প্রকাশ করা হয়নি।

পাথর লুটপাটে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা, দায় এড়াতে বিভিন্ন মহলের একে অপরকে দোষারোপ ও দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিয়মের বিষয়টি গণশুনানিতে বারবার উঠে আসে। তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকল তথ্য ও বক্তব্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দ্রুত সময়ের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট কোম্পানীগঞ্জ সাদাপাথর লুটপাট নিয়ে সিলেটে তদন্ত কমিটির গণশুনানি

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র ও রেলওয়ে বাংকার এলাকায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের ঘটনায় পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভয়াবহ ক্ষতির প্রেক্ষিতে গণশুনানি আয়োজন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে সিলেট সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এই গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীনসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও।

গণশুনানিতে অংশ নেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। 

বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ট্রাক পরিবহন মালিক সমিতি, পাথর ব্যবসায়ী সমিতি, পরিবেশবাদী সংগঠন ও সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা, তথ্য ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতা করেন।

তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার থেকে সরেজমিন তদন্ত শুরু করে, যার অংশ হিসেবে তারা সাদাপাথর এলাকা পরিদর্শনও করেছেন। উল্লেখ্য, ২০ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে এই কমিটি গঠিত হয়।

এর আগেই সাদাপাথর লুটপাট সংক্রান্ত একটি বিস্ফোরক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের অনুসন্ধানে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীসহ ৫২ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি-সহ প্রশাসনের অনেককেই অভিযুক্ত করা হয়েছে।

দুদকের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন গঠিত আরেকটি তদন্ত কমিটিও প্রতিবেদন দিয়েছে, যেখানে শতাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তবে নাম প্রকাশ করা হয়নি।

পাথর লুটপাটে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা, দায় এড়াতে বিভিন্ন মহলের একে অপরকে দোষারোপ ও দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিয়মের বিষয়টি গণশুনানিতে বারবার উঠে আসে। তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকল তথ্য ও বক্তব্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দ্রুত সময়ের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হবে।