মোল্লাপাড়া ইউ/পি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে (এডিপি)’র প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১২:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
রুহুল আমীন তালুকদার,সিলেটঃ
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন কর্মসুচি “Annual Development Programme”(ADP)’র অর্ন্তভূক্ত, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর, মোল্লাপাড়া সাকিনস্হ, দু’টি রাস্তার সিসি ঢালাই, মাটি ভরাটের সংস্কার কাজ বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল হক, ৭,৮,৯ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড সদস্য সামছুন নাহার ও ৭নং ওয়ার্ড সদস্য অলিউর রহমান এর বিরুদ্ধে সিডিউল বর্হিভূত ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
২৫ মার্চ (মঙ্গলবার) “মোল্লাপাড়ায় চেয়ারম্যান নিজেই ঠিকাদার রাস্তার কাজে অনিয়ম’ দৈনিক সুনাম কন্ঠ ও দৈনিক সুনামগঞ্জের প্রতিদিন স্হানীয় দু’টি সংবাদ পত্রের মাধ্যমে প্রচার করা হয়।
অভিযুক্তরা হলো, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের লালপুর সাকিনস্হ- সিতারা মিয়ার ছেলে, উই/পি- (চেয়ারম্যান) নূরুল হক, ভল্লবপুর সাকিনস্হ- হাফিজ কুতুব উদ্দিনের ছেলে, ফেদাউর রহমান ও মোল্লাপাড়া সাকিনস্হ- আসক আলী স্ত্রী, সামছুন নাহার।
প্রকাশিত সংবাদে ও স্হানীয়দের অভিযোগ সু্ত্রে জানা গেছে, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন র্নীতিমালা কর্মসুচি Five Year Plan Projacted Public Sector Development Programme Far The Purpose Implementation (এডিপি)’র আওতাভূক্ত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের স্কীম প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করার লক্ষে পঞ্চবার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচি (এডিপি)’র নীতিমালা মোতাবেক এডিপি স্কীম প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন কল্পে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর, মোল্লাপাড়া দু’টি প্রকল্পের সিসি ঢালাই, মাটি ভরাট, সংস্কার কাজের বাস্তবায়ন করতে উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮,৯ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড সদস্য সামছুন নাহারকে (project lmplementation committee) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ৭নং ওয়ার্ড সদস্য অলিউর রহমানকে সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান’কে সদস্য রেখে পঞ্চবার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচি (এডিপি) এ দু’টি প্রকল্পের সিসি ঢালাই, মাটি ভরাটের সংস্কার কাজে ৮ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ অনুমোদন করা হয় ।
মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের, মোল্লাপাড়া, রামেশ্বরপুর নামক এ দু’টি প্রকল্লের কাজ বাস্তবায়নের লক্ষে কাজের দায়িত্ব পায় ইউ/পি সদস্যা সামছুন নাহার, অলিউর রহমান ও (চেয়ারম্যান) নূরুল হক। নূরল হক ইউনিয়ন পরিষদের প্রভাবশালী চেয়ারম্যান হওয়ায়, ইউ/পি- সদস্যদের তার অস্তবসে নিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের সুপরিকল্পিত ভাবে হীন চরিত্রার্থ হয়ে, সিডিউল অনুয়ায়ী কাজ না করে সম্পূর্ণ নিয়ম বর্হিভূত ভাবে রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়েছে।
সিডিউল অনুযায়ী সরকারি কাজে এক নম্বর ইট (কংক্রিট) বাধ্যতামূলক থাকলেও তা না করে এ দু’টি প্রকল্পের নির্মাণ কাজে নিন্মমানের ইট (কংক্রিট), মানবিহীন মাটিযুক্ত বালু ব্যবহার করা হয়েছে। রাস্তার সাইড কাটিং, প্লেইনিং, বেডে বালু, রুলিং ও পরিমান মত সিমেন্ট না দিয়ে কাদামাটি উপরে ঢালাইর কাজ সম্পূর্ণ করে সিডিউলের নিয়ম ভঙ্গ করে কাজ শেষ করায় উক্ত কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি পরিলক্ষিত হয়েছে।
এ’ঘটনায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে ও স্হানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা হলেও তা তিনি কর্ণপাত করেনি বরং তাদের প্রতি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে দুরন্ধর প্রকৃতির দুর্নীতিবাজ প্রভাবশালী চেয়ারম্যান নূরুল হক। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয়ার লক্ষ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন সুধীমহল।
এবিষয়ে সদ্য যোগদানকৃত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল হাসনাতের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে আছেন ছুটির পরে কর্মস্হলে ফিরে সরেজমিনে গিয়ে রাস্তার কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি খতিয়ে দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিবেন।




























