সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল তিন শিশুর সিলেটে শুভ উপনয়ন-সংস্কার অনুষ্ঠান ১৯ জুন মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান; যুবক আটক সিসিকের প্রশাসককে স্মারক উপহার দিল ইউএস বাংলা  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলারপ্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন, থাকছে যেসব সুবিধা সিলেটে আসেনি সালমান শাহ’র মরদেহ, উত্তোলনের আদেশ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি

ওটিসিবির চাউল,আঠার ডিলার জাকিরের অনিয়ম- অবৈধ কারবার দেখার বা কথা বলার কেউ নেই,

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪ ১৬০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ;

ডিলার জাকির সে তার স্থানীয়প্রভাব বল ও শক্তি দেখিয়ে তার সাথে কিছু এলাকার প্রভাবশালী লোক দ্বারা প্রভাব কাটিয়ে অবৈধভা্বে প্রতিদিন সরকার ও প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ওটিসিবির চাউল ও আঠা দরিদ্রদের সঠিকভাবে নাদিয়ে সে অবৈধভাবে বিক্রি ও অয়িম করে বছরের পর বছর লক্ষ লক্ষ টাকা আত্বস্বাদ করে আসছেন।

জানা যায় সিলেট পূর্ব শাহী ঈদগাহ টিভিগেইট জাকির গোডাউনের ডিলার জাকির সরকারি ওটিসিবির চাউল,আঠা দীর্ঘদিন যাবত অনিয়ম করে অত দরিদ্রদের প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে আসচ্ছে। সে তার স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে এসব অনিয়ম করে আসছে, বহিরাগতরা অনেকেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মূখ খূলছেন না। যেখানে জনপ্রতি সর্বোচ্চ চাউল ও আঠা ৫কেজি করে দেয়ার কথা সেখানে তালিকায় ৫কেজি লিখা উল্ল্যেখ করে ১কেজি করে কম দিয়ে ৪কেজি করে চাউল ও আঠা দিচ্ছেন।

জানা যায় প্রতিদিন ডিলার জাকির সে নিজেই দেয়ার তালিকায় ৪০/৫০টি টিপসই দিয়ে চাউল ও আঠার ৫০কেজির বস্তা-৪/৫টা কৌশলে সরিযে ফেলেন,পরে তার সুবিধামত প্রতিটি বস্তা ন্যায্য মূল্য তেকে ৫০০টাকা বেশি দামে বিক্রি করেন। সরজমিনে দেখা যায় ভোটার আইডি ও মোবাইল নাম্বার উল্লেখ ছাড়াই শুধু সংক্ষিপ্তনাম, টিপ-সইর মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে, তা ও সবার নয়। সঠিকভাবে তালিকা প্রয়োগ না-থাকায় সঠিক করে ধরা যাচ্ছে না কেবা কাকে কি পরিমান দেয়া হচ্ছে আর একারণেই চুরি করার সুবিধা পাচ্ছেন ডিলাররা জাকির।

যদি কর্তৃপক্ষ টিপ সইকৃত খাতাপত্র, দেয়ার তালিকা যাচাই করেন একই হাতের টিপ দুই-য়ের অধিক আছে কিনা এবং গ্রহিতার পুরো নামসহ ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার উল্ল্যেখ করা আছে কিনা সেদিখে খেয়াল নিলেই বুঝা যাবে এবং সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে। যদি এগুলি সঠিকভাবে না উল্লেখ থাকে তাহলে সত্যিকার অর্থে নিয়মিত ১০০% চাউল,আঠা চুরি ও অবৈধভাবে বিক্রি হয়েছে বলে প্রমানিত হবে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কিছু লোকের সংগে আলাপ করলে তারা বলেন আমরা সাধারণ মানুষ তার সাথে কিছু এলাকার প্রভাবশালী লোক যুক্ত আছে যা আমাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াঁবে সেজন্য কিছু বলা আমরার পক্ষে সম্ভব না, তাছাড়া আমাদের চাউল আঠা দেয়া বন্ধ করে দিবে, আমরা অনেকেই এখানকার ভাড়াটি আমরার এখানের ভোঠার আইডি কার্ডও অনেকের এখানকার নাই পরে ভোঠার আইডি কার্ডের যের ধরে ওটিসিবির মাল আর আমরা পাবনা সে বিষয়ে জানা থাকলেও আমরার পক্ষে কিছু বলা সম্ভবনা।

অফিসের লোক আসে কিনা জিজ্ঞাস করলে আসেন তারা দেয়ার তালিকায় অগ্রিম স্বাক্ষর করে তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে চলে যান। সরেজমিনে ৩ই নভেম্বর২৪ইং সকাল ৯টা ৩০মি; সময়ে দেখা যায় গোডাউনে বসে ডিলার নিজেই প্রথমে তালিখায় ৪০/৫০টি টিপসই দিয়ে ওটিসিবির চাউল ও আঠার ৪/৫ বস্তা সরিয়ে ফেলেন,পরে অন্যদের দেয়া শুরু করেন, অনেক সময় ১২টা বা ১টার দিখে দেয়া বন্ধ করে দেন । দুপুর ২টারপর দেখা যায় এক মহিলাকে ৫০কেজির আস্ত বস্তা প্রতিবস্তা পঁচিশশত টাকা দরে ২বস্তা চাউল রিক্সায় উঠিয়ে দেন।

৪ই নভেম্বর সকাল ৯টা২০শে সরজমিনে দেখা যায় পূর্বের ন্যায় ডিলার নিজেই প্রথমে ৪০/৫০টি টিপসই দিয়ে ৪/৫ বস্তা চাউল,আঠা আলাদা করে বস্তা দিয়ে ডেকে দেন পরে অন্যদের দেয়া শুরু করেন। দেখা যায় দুপুর-১২টার আগেই চাউল,আঠা শেষ হয়ে যায়। প্রায় আরও ৭০জন পুরুষষ,মহিলাকে চাউল না দিয়ে ৫০টাকা করে রেখে শুধু ২কেজি আঠা দিয়ে বিদায় করে দেন বাকি আরও অনেকেই খালি হাতে ফিরে যান।

৫ই নভেম্বর সকাল ৯টা ২০মি: সময়ে সরজমিনে দেখা যায় ডিলার তার সহকারী নিজেই প্রথমে কতটি টিপসই দিয়ে ৪বস্তা চাউল,আঠা সরিয়ে ফেলেন। খাতায় ৫কেজি চাউল,আঠা উল্যেখ করে আগেই লিখে ফেলেন কিন্তু প্রত্যেককে টিপ রেখে ৪কেজি আঠা ও ৫কেজি চাউল আবার কাউকে ৪কেজি চাউল,৪কেজি আঠা দেনঅেনেক সময় শেষ দেখিয়ে ৫কেজিরস্থলে শুধু আঠা ৩কেজিও দিয়ে অনেককে বিদায় দেন।

৪০টি টিপসই প্রতি টিপসইয়ে ৫কেজি হিসাবে ৪০ টিপসইয়ে আসে ২০০কেজি চাউল সমান ৫০কেজির ৪বস্তা। প্রত্যেককে শুরু তেকেই ১কেজি করে কমদিলে ২০০জনে আসে ২০০কেজি আঠা সমান ৫০কেজির ৪বস্তা। ১২টা বাজতেই চাউল শেষ বলে টিপসই রেখে ৫০জনকে চাউল না দিয়ে শুধু ৪কেজি করে আঠা দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হয়। এদিকে চাউলের পরিবর্তে ৫০জনকে আটা দিয়ে বুঝানো হয়। এতে প্রায় অর্ধেক চাউলেই অনিয়ম,অবৈধভাবে বিক্রি হয়।

বাহিরের জেলার ভোটাররা যারা বাসা ভাড়া দিয়ে থাকেন তাদের অনেককেই ফিরিয়ে দেন আবার মূখ দেখে কিছু লোককে দেন এবং বলেন শুধু ১৯নং ওয়ার্ডের ভোটার দের দেয়া হবে বাহিরের জেলার লোকজন দেরকে দেয়া হবে না বলেও ফিরিয়ে দেন। আবার তার পরিচিত পছন্দের ব্যক্তিদের চাউল,আঠা ঠিকিই দিয়ে দেন। আবার কাউকে ১৫কেজি আঠা,১০কেজি চাউল দিতে দেখা যায়।

একজন জিজ্ঞেস করলেন আপনি গোপনে ৫০কেজির চাউল ও আঠার বস্তা কিভাবে বিক্রি করেন সেটা তো অবৈধ। নিয়ম হল জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৫কেজি চাউল,,৫কেজি আঠা একই ভাবে সবাইকে দিতেন নতুবা সেটাতো অন্যায় এবং আইনত দন্ডনিয় আপরাধ,আপনি নিয়ম ভঙ্গ করছেন। আমি আপনার বিরুদ্ধে অফিসে অভিযোগ করব একথা বলতেই ওনাকে মারমূখি হয়ে তেরে আসেন এবং বলেন এটা আমার বিষয় তুই কে? তোর কোন প্রমাণ আছে কি পারলে যেয়ে অভিযোগ দিছ ,আমি একা খাইনা আমি অফিসারদের মেনটেইন করেই চলি।

এলাকার সচেতন মহলের দাবি ডিলার জাকির দীর্ঘ দিন যাবৎ অয়িম করে আসছে। তার বিরুদ্ধে কেহ ভয়ে মূখ খুলছেনা সচেতন মহলের দাবি তাকে বাদ দিয়ে ভাল সৎ একজন ভাল মানুষকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করলে এলাকার মানুষের কষ্ট লাগব হবে।

কর্তৃপক্ষ যদি ১ইজানুয়ারী২০২৪ই়ং থেকে ৫ই নভেম্বর২০২৪ইং পর্যন্ত চাউল ও আঠা দেয়ার লিষ্ট সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেন তাহলে বুঝা যাবে কতটুক সঠিক ও ধরা পরবে এ পর্যন্ত কত লক্ষ টাকার মালামাল কি পরিমান চাউল ও আঠা কত টাকা আত্মসাৎ করেছেন। শতভাগ সত্য যে, তারা যাতে ধরা না পরেন সেজন্য চুরির কৌশল অবলম্বন হিসেবে পুরো নাম ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর ও মোবাইল নাম্বার দেয়ার তালিকায় সঠিক তারিখ না উল্ল্যেখ করেই শুধু সংক্ষিপত নাম ও টিপসই রেখে দিয়ে দেন। যাতে করে কাহারও ফোন করে জিজ্ঞাসাবাদ করার কোন প্রমান করার সুযোগ না থাকে। জানা যায় তারা সাবেক পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার ও নাম বসিয়ে নিজেরাই টিপসই দিয়ে তালিকা পুরণ করে চাউল,আঠা আত্বস্বাদ করে আসছেন। সচেতন মহলের দাবি উক্ত ডিলারকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করে ভাল একজন যোগ্য ডিলার নিয়োগ করার জন্য কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের সূ-দৃষ্টি একান্ত কামনা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ওটিসিবির চাউল,আঠার ডিলার জাকিরের অনিয়ম- অবৈধ কারবার দেখার বা কথা বলার কেউ নেই,

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার ;

ডিলার জাকির সে তার স্থানীয়প্রভাব বল ও শক্তি দেখিয়ে তার সাথে কিছু এলাকার প্রভাবশালী লোক দ্বারা প্রভাব কাটিয়ে অবৈধভা্বে প্রতিদিন সরকার ও প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ওটিসিবির চাউল ও আঠা দরিদ্রদের সঠিকভাবে নাদিয়ে সে অবৈধভাবে বিক্রি ও অয়িম করে বছরের পর বছর লক্ষ লক্ষ টাকা আত্বস্বাদ করে আসছেন।

জানা যায় সিলেট পূর্ব শাহী ঈদগাহ টিভিগেইট জাকির গোডাউনের ডিলার জাকির সরকারি ওটিসিবির চাউল,আঠা দীর্ঘদিন যাবত অনিয়ম করে অত দরিদ্রদের প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে আসচ্ছে। সে তার স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে এসব অনিয়ম করে আসছে, বহিরাগতরা অনেকেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মূখ খূলছেন না। যেখানে জনপ্রতি সর্বোচ্চ চাউল ও আঠা ৫কেজি করে দেয়ার কথা সেখানে তালিকায় ৫কেজি লিখা উল্ল্যেখ করে ১কেজি করে কম দিয়ে ৪কেজি করে চাউল ও আঠা দিচ্ছেন।

জানা যায় প্রতিদিন ডিলার জাকির সে নিজেই দেয়ার তালিকায় ৪০/৫০টি টিপসই দিয়ে চাউল ও আঠার ৫০কেজির বস্তা-৪/৫টা কৌশলে সরিযে ফেলেন,পরে তার সুবিধামত প্রতিটি বস্তা ন্যায্য মূল্য তেকে ৫০০টাকা বেশি দামে বিক্রি করেন। সরজমিনে দেখা যায় ভোটার আইডি ও মোবাইল নাম্বার উল্লেখ ছাড়াই শুধু সংক্ষিপ্তনাম, টিপ-সইর মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে, তা ও সবার নয়। সঠিকভাবে তালিকা প্রয়োগ না-থাকায় সঠিক করে ধরা যাচ্ছে না কেবা কাকে কি পরিমান দেয়া হচ্ছে আর একারণেই চুরি করার সুবিধা পাচ্ছেন ডিলাররা জাকির।

যদি কর্তৃপক্ষ টিপ সইকৃত খাতাপত্র, দেয়ার তালিকা যাচাই করেন একই হাতের টিপ দুই-য়ের অধিক আছে কিনা এবং গ্রহিতার পুরো নামসহ ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার উল্ল্যেখ করা আছে কিনা সেদিখে খেয়াল নিলেই বুঝা যাবে এবং সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে। যদি এগুলি সঠিকভাবে না উল্লেখ থাকে তাহলে সত্যিকার অর্থে নিয়মিত ১০০% চাউল,আঠা চুরি ও অবৈধভাবে বিক্রি হয়েছে বলে প্রমানিত হবে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কিছু লোকের সংগে আলাপ করলে তারা বলেন আমরা সাধারণ মানুষ তার সাথে কিছু এলাকার প্রভাবশালী লোক যুক্ত আছে যা আমাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াঁবে সেজন্য কিছু বলা আমরার পক্ষে সম্ভব না, তাছাড়া আমাদের চাউল আঠা দেয়া বন্ধ করে দিবে, আমরা অনেকেই এখানকার ভাড়াটি আমরার এখানের ভোঠার আইডি কার্ডও অনেকের এখানকার নাই পরে ভোঠার আইডি কার্ডের যের ধরে ওটিসিবির মাল আর আমরা পাবনা সে বিষয়ে জানা থাকলেও আমরার পক্ষে কিছু বলা সম্ভবনা।

অফিসের লোক আসে কিনা জিজ্ঞাস করলে আসেন তারা দেয়ার তালিকায় অগ্রিম স্বাক্ষর করে তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে চলে যান। সরেজমিনে ৩ই নভেম্বর২৪ইং সকাল ৯টা ৩০মি; সময়ে দেখা যায় গোডাউনে বসে ডিলার নিজেই প্রথমে তালিখায় ৪০/৫০টি টিপসই দিয়ে ওটিসিবির চাউল ও আঠার ৪/৫ বস্তা সরিয়ে ফেলেন,পরে অন্যদের দেয়া শুরু করেন, অনেক সময় ১২টা বা ১টার দিখে দেয়া বন্ধ করে দেন । দুপুর ২টারপর দেখা যায় এক মহিলাকে ৫০কেজির আস্ত বস্তা প্রতিবস্তা পঁচিশশত টাকা দরে ২বস্তা চাউল রিক্সায় উঠিয়ে দেন।

৪ই নভেম্বর সকাল ৯টা২০শে সরজমিনে দেখা যায় পূর্বের ন্যায় ডিলার নিজেই প্রথমে ৪০/৫০টি টিপসই দিয়ে ৪/৫ বস্তা চাউল,আঠা আলাদা করে বস্তা দিয়ে ডেকে দেন পরে অন্যদের দেয়া শুরু করেন। দেখা যায় দুপুর-১২টার আগেই চাউল,আঠা শেষ হয়ে যায়। প্রায় আরও ৭০জন পুরুষষ,মহিলাকে চাউল না দিয়ে ৫০টাকা করে রেখে শুধু ২কেজি আঠা দিয়ে বিদায় করে দেন বাকি আরও অনেকেই খালি হাতে ফিরে যান।

৫ই নভেম্বর সকাল ৯টা ২০মি: সময়ে সরজমিনে দেখা যায় ডিলার তার সহকারী নিজেই প্রথমে কতটি টিপসই দিয়ে ৪বস্তা চাউল,আঠা সরিয়ে ফেলেন। খাতায় ৫কেজি চাউল,আঠা উল্যেখ করে আগেই লিখে ফেলেন কিন্তু প্রত্যেককে টিপ রেখে ৪কেজি আঠা ও ৫কেজি চাউল আবার কাউকে ৪কেজি চাউল,৪কেজি আঠা দেনঅেনেক সময় শেষ দেখিয়ে ৫কেজিরস্থলে শুধু আঠা ৩কেজিও দিয়ে অনেককে বিদায় দেন।

৪০টি টিপসই প্রতি টিপসইয়ে ৫কেজি হিসাবে ৪০ টিপসইয়ে আসে ২০০কেজি চাউল সমান ৫০কেজির ৪বস্তা। প্রত্যেককে শুরু তেকেই ১কেজি করে কমদিলে ২০০জনে আসে ২০০কেজি আঠা সমান ৫০কেজির ৪বস্তা। ১২টা বাজতেই চাউল শেষ বলে টিপসই রেখে ৫০জনকে চাউল না দিয়ে শুধু ৪কেজি করে আঠা দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হয়। এদিকে চাউলের পরিবর্তে ৫০জনকে আটা দিয়ে বুঝানো হয়। এতে প্রায় অর্ধেক চাউলেই অনিয়ম,অবৈধভাবে বিক্রি হয়।

বাহিরের জেলার ভোটাররা যারা বাসা ভাড়া দিয়ে থাকেন তাদের অনেককেই ফিরিয়ে দেন আবার মূখ দেখে কিছু লোককে দেন এবং বলেন শুধু ১৯নং ওয়ার্ডের ভোটার দের দেয়া হবে বাহিরের জেলার লোকজন দেরকে দেয়া হবে না বলেও ফিরিয়ে দেন। আবার তার পরিচিত পছন্দের ব্যক্তিদের চাউল,আঠা ঠিকিই দিয়ে দেন। আবার কাউকে ১৫কেজি আঠা,১০কেজি চাউল দিতে দেখা যায়।

একজন জিজ্ঞেস করলেন আপনি গোপনে ৫০কেজির চাউল ও আঠার বস্তা কিভাবে বিক্রি করেন সেটা তো অবৈধ। নিয়ম হল জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৫কেজি চাউল,,৫কেজি আঠা একই ভাবে সবাইকে দিতেন নতুবা সেটাতো অন্যায় এবং আইনত দন্ডনিয় আপরাধ,আপনি নিয়ম ভঙ্গ করছেন। আমি আপনার বিরুদ্ধে অফিসে অভিযোগ করব একথা বলতেই ওনাকে মারমূখি হয়ে তেরে আসেন এবং বলেন এটা আমার বিষয় তুই কে? তোর কোন প্রমাণ আছে কি পারলে যেয়ে অভিযোগ দিছ ,আমি একা খাইনা আমি অফিসারদের মেনটেইন করেই চলি।

এলাকার সচেতন মহলের দাবি ডিলার জাকির দীর্ঘ দিন যাবৎ অয়িম করে আসছে। তার বিরুদ্ধে কেহ ভয়ে মূখ খুলছেনা সচেতন মহলের দাবি তাকে বাদ দিয়ে ভাল সৎ একজন ভাল মানুষকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করলে এলাকার মানুষের কষ্ট লাগব হবে।

কর্তৃপক্ষ যদি ১ইজানুয়ারী২০২৪ই়ং থেকে ৫ই নভেম্বর২০২৪ইং পর্যন্ত চাউল ও আঠা দেয়ার লিষ্ট সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেন তাহলে বুঝা যাবে কতটুক সঠিক ও ধরা পরবে এ পর্যন্ত কত লক্ষ টাকার মালামাল কি পরিমান চাউল ও আঠা কত টাকা আত্মসাৎ করেছেন। শতভাগ সত্য যে, তারা যাতে ধরা না পরেন সেজন্য চুরির কৌশল অবলম্বন হিসেবে পুরো নাম ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর ও মোবাইল নাম্বার দেয়ার তালিকায় সঠিক তারিখ না উল্ল্যেখ করেই শুধু সংক্ষিপত নাম ও টিপসই রেখে দিয়ে দেন। যাতে করে কাহারও ফোন করে জিজ্ঞাসাবাদ করার কোন প্রমান করার সুযোগ না থাকে। জানা যায় তারা সাবেক পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার ও নাম বসিয়ে নিজেরাই টিপসই দিয়ে তালিকা পুরণ করে চাউল,আঠা আত্বস্বাদ করে আসছেন। সচেতন মহলের দাবি উক্ত ডিলারকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করে ভাল একজন যোগ্য ডিলার নিয়োগ করার জন্য কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের সূ-দৃষ্টি একান্ত কামনা করছেন।