সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিক্রির উদ্যোগ বা/তিলের দাবি বাসদের সিলেট সীমান্তে ৭৮ লক্ষ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ সিলেটে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করলেন এক চীনা যুবক সিলেট গোলাপগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ সিলেটসহ সারা দেশে গণপরিবহনের জন্য নির্দেশ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত বাধ্যতামূলক নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল

সিলেট চা শ্রমিকদের কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৭০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৭ সপ্তাহের বকেয়া বেতন না দেওয়া এবং ১৩ মাসের প্রফিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) চাঁদা শ্রমিক তহবিলে জমা না দেওয়ার প্রতিবাদে গত দুই সপ্তাহ ধরে কর্মবিরতি পালন করেছেন সিলেটের চা-শ্রমিকরা।

রবিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে লাক্কাতুরা চা বাগানের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন ন্যাশনাল টি কোম্পানির লাক্কাতুরা, কেওয়াচড়া, দলদলি চা বাগানের কয়েকশো শ্রমিকরা।

এসময় চা শ্রমিকরা জানান, বেতন ভাতা বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এ কারণে এখন আন্দোলন করছেন। মালিক কিংবা কর্তৃপক্ষ কেউই আমাদের খোঁজ নিচ্ছে না যে কীভাবে আমাদের চা-শ্রমিকেরা আছে। এই ৭ সপ্তাহ বেতন-ভাতা ছাড়া বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে কিভাবে চলছি, তা ওপরওয়ালা জানেন। আজ আমরা বাধ্য হয়ে আন্দোলন নেমেছি।

বকেয়া বেতন এবং প্রফিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) চাঁদা শ্রমিক তহবিলে জমা না দেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন হলে আরো কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিকরা।

 সিলেট জুড়ে শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে বন্ধ রয়েছে ন্যাশনাল টি কোম্পানির ১১ টি কারখানা। যার ফলে উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে পাতা। যার প্রভাব পড়বে চায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে।

এবছর সিলেটে ১০৮ মিলিয়ন কেজি (১০ কোটি ৮০ লাখ) চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও আগস্ট পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৪৯.৪৭ মিলিয়ন কেজি। বছরের বাকি মাসগুলোতে অবশিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার চা উৎপাদন অনেকটাই অসম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকা না থাকায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিতে পারছেন না তারা। কৃষি ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করা হয়েছে, সেখান থেকে টাকা পেলে শ্রমিকদের বেতন ভাতা দেওয়া যাবে বলে জানান তারা।

দেশের ১৬৮টি চা বাগানের মধ্যে ১৩৬টিই রয়েছে সিলেটে। ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনি ছাড়া চা-বাগান থেকেই বাংলাদেশের চা উৎপাদন শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট চা শ্রমিকদের কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৭ সপ্তাহের বকেয়া বেতন না দেওয়া এবং ১৩ মাসের প্রফিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) চাঁদা শ্রমিক তহবিলে জমা না দেওয়ার প্রতিবাদে গত দুই সপ্তাহ ধরে কর্মবিরতি পালন করেছেন সিলেটের চা-শ্রমিকরা।

রবিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে লাক্কাতুরা চা বাগানের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন ন্যাশনাল টি কোম্পানির লাক্কাতুরা, কেওয়াচড়া, দলদলি চা বাগানের কয়েকশো শ্রমিকরা।

এসময় চা শ্রমিকরা জানান, বেতন ভাতা বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এ কারণে এখন আন্দোলন করছেন। মালিক কিংবা কর্তৃপক্ষ কেউই আমাদের খোঁজ নিচ্ছে না যে কীভাবে আমাদের চা-শ্রমিকেরা আছে। এই ৭ সপ্তাহ বেতন-ভাতা ছাড়া বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে কিভাবে চলছি, তা ওপরওয়ালা জানেন। আজ আমরা বাধ্য হয়ে আন্দোলন নেমেছি।

বকেয়া বেতন এবং প্রফিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) চাঁদা শ্রমিক তহবিলে জমা না দেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন হলে আরো কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিকরা।

 সিলেট জুড়ে শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে বন্ধ রয়েছে ন্যাশনাল টি কোম্পানির ১১ টি কারখানা। যার ফলে উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে পাতা। যার প্রভাব পড়বে চায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে।

এবছর সিলেটে ১০৮ মিলিয়ন কেজি (১০ কোটি ৮০ লাখ) চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও আগস্ট পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৪৯.৪৭ মিলিয়ন কেজি। বছরের বাকি মাসগুলোতে অবশিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার চা উৎপাদন অনেকটাই অসম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকা না থাকায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিতে পারছেন না তারা। কৃষি ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করা হয়েছে, সেখান থেকে টাকা পেলে শ্রমিকদের বেতন ভাতা দেওয়া যাবে বলে জানান তারা।

দেশের ১৬৮টি চা বাগানের মধ্যে ১৩৬টিই রয়েছে সিলেটে। ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনি ছাড়া চা-বাগান থেকেই বাংলাদেশের চা উৎপাদন শুরু হয়।