আন্দোলনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা
- আপডেট সময় : ০২:১৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২৮ বার পড়া হয়েছে
সিলেট বিয়ানীবাজার সংবাদদাতা :
উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয় সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের পদত্যাগ সহ নানা দাবিতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে উপজেলাজুড়ে।
এদিকে শুধু উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নে নয় চারখাই ও শেওলা ইউনিয়নের কয়েকটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সরগরম হতে দেখা যায়। তবে এই হাতেগোনা এই বিদ্যালয়গুলো বাদে বিয়ানীবাজার পৌর শহরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নগুলোতে অবস্থিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোর সাবেক শিক্ষার্থীরা মুদ্রার উল্টো পীঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্যালয়ে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং শিক্ষকদের সাথে অশোভন আচরণ না করতে অনুরোধ করেছেন।
বিগত কয়েকদিন থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তার পদত্যাগের দাবী করে আসছিলেন শিক্ষার্থীর। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা করে একটি সমঝোতায় পৌছান সবাই।
এরই নিমিত্তে সোমবার সকালে যথারীতি এলাকাবাসীর লিখিত সমঝোতা পত্রে সাক্ষর করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অভিভবাবক কমিটির সদস্যরা এবং সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাদের প্রতি শিক্ষকদের অবমাননাকে নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ অবস্থায় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহায়কের কার্যালয়ের গ্লাস ভাঙ্গচুর করে। এসময় বিদ্যালয়ের প্রায় ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। এদের মধ্যে মেয়ে সহ ৫ শিক্ষার্থীকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। তার মাঝে গুরুতর আহত ২ জনকে সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে।
মুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ আল মামুন জানান, আমরা একটা সমঝোতায় পৌছেছিলাম কিন্তু কিছু শিক্ষকদের কারনে পরিস্থিতি আবারো অশান্ত হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁরা বিষয়টি আন্তরিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামিম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সকলের সহযোগিতায় বিষয় গুলো সমাধান হবে।
























