সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

চিকিৎসকদের কর্মবিরতির ঘোষণা,, সিলেটে চলছে বিরতির মধ্য দিয়ে সেবা,,

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১১১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে চিকিৎসকদের উপর হামলার অভিযোগ তুলে নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টা থেকে সারা দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ বা কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন চিকিৎসকরা।

দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক গেটে নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডের চিকিৎসক ডা. আবদুল আহাদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তবে  সিলেটে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সরকারি-বেসরকার হাসপাতালগুলোতে এখনো কর্মবিরতি পালন শুরু করেননি চিকিৎসকরা। ওসমানী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী বিকাল সোয়া ৩টার দিকে সিলেটভিউ-কে বলেন- আমি হাসপাতালে অবস্থান করছি। আমাদের এখানে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সব চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিচ্ছেন।

ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসক ডা. আবদুল আহাদ জানান- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যে দুইবার ইনসিডেন্ট ঘটেছে, সেখানে এ হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিজের জীবন বাজি রেখে ২৪ ঘণ্টা সেবা দিয়েছেন। এমনকি নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়েছেন, খাবার দিয়েছেন। বাংলাদেশের ডাক্তাররা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটা অংশ। গতকাল (শনিবার) যে ঘটনা ঘটেছে, নিউরোসার্জারির অপারেশন থিয়েটার থেকে রোগীর লোক এক ডাক্তারকে বের করে এনে মারধর করে। শুধু তাই নয়, মারতে মারতে ২০০/৩০০ মিটার দূরে পরিচালকের রুমে নিয়ে যায়। এ বিষয় নিয়ে চিকিৎসকরা দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। একটি হলো, অভিযুক্তদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। দ্বিতীয় দাবি- তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যারা জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন তাদের নিরাপত্তার জন্য আর্মি-পুলিশসহ অন্যান্য ফোর্স রাখা। কিন্তু দাবিগুলো পূরণ হয়নি, তাই এ কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। দাবিগুলো পুরণ না হওয়া পর্যন্ত সারা বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে সেবা দেওয়া বন্ধ থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চিকিৎসকদের কর্মবিরতির ঘোষণা,, সিলেটে চলছে বিরতির মধ্য দিয়ে সেবা,,

আপডেট সময় : ০২:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে চিকিৎসকদের উপর হামলার অভিযোগ তুলে নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টা থেকে সারা দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ বা কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন চিকিৎসকরা।

দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক গেটে নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডের চিকিৎসক ডা. আবদুল আহাদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তবে  সিলেটে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সরকারি-বেসরকার হাসপাতালগুলোতে এখনো কর্মবিরতি পালন শুরু করেননি চিকিৎসকরা। ওসমানী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী বিকাল সোয়া ৩টার দিকে সিলেটভিউ-কে বলেন- আমি হাসপাতালে অবস্থান করছি। আমাদের এখানে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সব চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিচ্ছেন।

ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসক ডা. আবদুল আহাদ জানান- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যে দুইবার ইনসিডেন্ট ঘটেছে, সেখানে এ হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিজের জীবন বাজি রেখে ২৪ ঘণ্টা সেবা দিয়েছেন। এমনকি নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়েছেন, খাবার দিয়েছেন। বাংলাদেশের ডাক্তাররা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটা অংশ। গতকাল (শনিবার) যে ঘটনা ঘটেছে, নিউরোসার্জারির অপারেশন থিয়েটার থেকে রোগীর লোক এক ডাক্তারকে বের করে এনে মারধর করে। শুধু তাই নয়, মারতে মারতে ২০০/৩০০ মিটার দূরে পরিচালকের রুমে নিয়ে যায়। এ বিষয় নিয়ে চিকিৎসকরা দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। একটি হলো, অভিযুক্তদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। দ্বিতীয় দাবি- তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যারা জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন তাদের নিরাপত্তার জন্য আর্মি-পুলিশসহ অন্যান্য ফোর্স রাখা। কিন্তু দাবিগুলো পূরণ হয়নি, তাই এ কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। দাবিগুলো পুরণ না হওয়া পর্যন্ত সারা বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে সেবা দেওয়া বন্ধ থাকবে।