সিলেটে ছাত্র জনতার ওপর গুলি বর্ষণ
- আপডেট সময় : ০২:৫৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
শেখ রেহানা সিন্ডিকেটের রণজিৎ সরকার সহযোগী ইউনুস চেয়ারম্যান ও আসামি
এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া :
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সিলেটে গড়েওঠে রেহানা সিন্ডিকেট । সেটি হচ্ছে আওয়ামী লীগসভাপতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার লন্ডনের ঘনিষ্ঠজনদের নেতৃত্বে। সেই রেহানা সিন্ডিকেটের একজন সিলেটের প্রধান নেতৃত্বদানকারী সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান।
ঘরে ওটা এই সিন্ডিকেটের অপরজন সিলেটের দক্ষিণ সুরমা আসনের সাবেক এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব, তৃতীয় কমান্ড সুনামগঞ্জের সাবেক এমপি রঞ্জিত সরকার। এই সিন্ডিকেটের সদস্য না হওয়ায় সিলেটে নমিনেশন হারিয়েছেন আওয়ামী লীগের অনেকেই। অনেকে বাদ পড়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য থেকে। সেই রঞ্জিত সরকার সুনামগঞ্জের এমপি হলেও নেতৃত্ব সিলেটের ছাত্রলীগ নামীয় অস্ত্র লীগের।
এবার ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় মামলার আসামি হলো রণজিৎ সরকারের ঘনিষ্ঠজন তাহেরপুরের স্থানীয় সিন্ডিকেটের সহযোগী তাহেরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড় দল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ইউনুস আলী।
সিলেট নগরের দরগা গেট এলাকায় হামলার ঘটনায় এ মামলাটি দায়ের করা হয় । ছাত্র -জনতার উপর গুলি বর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে দায়ের করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী , উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী , এমপি সহ আসামি করা হয় আওয়ামী লীগের ৮৬ নেতাকর্মী সিলেটের অতিরিক্ত চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সিলেট মহানগরীর কাজিটুলা এলাকার মাহবুব হোসাইন। মামলায় ৮৬ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত নামা ৪০০/৫০০ জনকে আসামি করা হয় সোমবার (২৬ আগস্ট) ।
একই মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালও রয়েছেন। মামলার বাদী সিলেট মহানগরীর কাজিটুলা এলাকার মাহবুব হোসাইন জানান, সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা মধ্যনগর) আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য রনজিত চন্দ্র সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা সব ধরণের চোরাচালান, জাদুকাটা নদীর বালু মহালসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।
গত ১৯ জুলাই সিলেট নগরীর দরগাগেইট এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার সময়ও সরাসরি জড়িত ছিলেন তিনি। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ইউনুছ আলীর মামলার প্রসঙ্গে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
তিনি বলেন, আমি ২০২২ সালে আওয়ামীলীগ দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করি। তবে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি রণজিৎ সরকারের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন তিনি
























