সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট মহানগরে চার স্তরের নিরাপত্তা, সদর উপজেলায় ১৩০ মণ্ডপে ৮৩৪ আনসার সদস্য মোতায়েন ফেঞ্চুগঞ্জে হাকালুকিতে অভিযান, ৫ লাখ টাকার জাল জব্দ সিলেট সিটিতে কাউন্সিলর নেই, নাগরিক সেবায় ভোগান্তিতে নগরবাসী সিলেটে পুলিশের অভিযানে আটক ৩০০,মুক্ত ১৭০,১৩০ জনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা সিলেটে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু সিলেট সোতোকান কারাতে সেমিনারে সিসিক প্রশাসক উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব নিশ্চিতে কাজ করবে সিলেট আনসার ও ভিডিপি সিলেট ঝরনারপাড়ে উৎপাদক নলকূপ স্থাপনকাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক সিলেট সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক আলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষেআলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলা- প্রতিবাদে কর্মবিরতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

 হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি পালন করেন ডাক্তার, নার্সসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে হামলাকারীকে গ্রেফতারে সেনাবাহিনীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় ৪ ঘন্টা পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়।

এরপর থেকে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে হাসপাতালে ফের রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু হয়। জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কর্মরত ছিলেন ডা. আবিদুর রেজা। চিকিৎসা সেবা দেয়ার এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ২নং পুল এলাকার মৃত আব্দুল হকের পুত্র মঈনুল হকসহ কয়েকজন যুবক মঈনুলের বোনকে নিয়ে জরুরি বিভাগে আসেন। এ সময় ওই যুবক তার বোনের চিকিৎসা দেয়া নিয়ে ডা. আবিদুর রেজাকে অনুরোধ করতে থাকেন। এ নিয়ে তাদের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে ওই যুবক উত্তেজিত হয়ে প্রেসার মাপার মেশিন দিয়ে ডা. আবিদুর রেজার উপর ছুড়ে মারেন। তখন হাসপাতালে হট্টগোল শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক হলে ওই যুবক তার অসুস্থ বোনকে নিয়ে চলে যায়।

এ সময় তার ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল হাসপাতালের বারান্দায় রেখে যান। বর্তমানে সাইকেলটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনার পরপরই হাসপাতালের সকল চিকিৎসক ও নার্সরা হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানসহ ৩ দফা দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেন। আর এতে করে বন্ধ হয়ে যায় হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা। চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও তাদের স্বজনরা। এ সময় চান মিয়া নামের এক বৃদ্ধ হাসপাতালে শ^াসকষ্ট নিয়ে মারা যান। যদিও পরবর্তীতে বিকেল ৩টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মোমিন উদ্দিন চৌধুরীসহ চিকিৎসক নেতৃবৃন্দকে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য আশ্বস্থ করলে চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যার করেন। চিকিৎসক ও নার্সদের ৩ দফার মধ্যে ছিল, স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত পরিমান আনসার ও পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং যথাযথ বিচার নিশ্চিত করণ এবং জরুবি বিভাগসহ সকল বিভাগে দর্শনার্থী, বহিরাগত, দালাল, হাকার নিয়ন্ত্রণ করে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরী করা।


সদর আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মুমিন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে এসে একজন দুর্বৃত্ত ডাক্তারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এটি ন্যাক্কারজনক। এ ঘটনায় ডাক্তার, নার্সসহ কর্মকর্তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। আমরা হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবি জানাই। সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসে হামলাকারীকে গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে কর্মবিরতি আপাতত প্রত্যাহার করি। এদিকে হামলাকারী যুবকের ভাই এনামুল হক জানান, আমাদের ছোট বোনের শ^াসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু চিকিৎসক তাকে না দেখেই ব্যবস্থাপত্র সরবরাহ করেন। এ নিয়ে তার বড় ভাই মঈনুল হক ডাক্তারকে তার বোনের প্রেসার চেক করতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এতে ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে মঈনুল ডাক্তারের টেবিলে থাকা প্রেসার মাপার মেশিনটি ছুড়ে মারে। পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে তার বোনকে নিয়ে অন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করান।


এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান। গতকাল রাত ৯টায় ডাঃ আবেদুর রেজা বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষেআলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসকধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য ও শক্তির জায়গাসিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলা- প্রতিবাদে কর্মবিরতি

আপডেট সময় : ০৭:২১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

 হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি পালন করেন ডাক্তার, নার্সসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে হামলাকারীকে গ্রেফতারে সেনাবাহিনীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় ৪ ঘন্টা পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়।

এরপর থেকে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে হাসপাতালে ফের রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু হয়। জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কর্মরত ছিলেন ডা. আবিদুর রেজা। চিকিৎসা সেবা দেয়ার এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ২নং পুল এলাকার মৃত আব্দুল হকের পুত্র মঈনুল হকসহ কয়েকজন যুবক মঈনুলের বোনকে নিয়ে জরুরি বিভাগে আসেন। এ সময় ওই যুবক তার বোনের চিকিৎসা দেয়া নিয়ে ডা. আবিদুর রেজাকে অনুরোধ করতে থাকেন। এ নিয়ে তাদের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে ওই যুবক উত্তেজিত হয়ে প্রেসার মাপার মেশিন দিয়ে ডা. আবিদুর রেজার উপর ছুড়ে মারেন। তখন হাসপাতালে হট্টগোল শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক হলে ওই যুবক তার অসুস্থ বোনকে নিয়ে চলে যায়।

এ সময় তার ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল হাসপাতালের বারান্দায় রেখে যান। বর্তমানে সাইকেলটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনার পরপরই হাসপাতালের সকল চিকিৎসক ও নার্সরা হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানসহ ৩ দফা দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেন। আর এতে করে বন্ধ হয়ে যায় হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা। চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও তাদের স্বজনরা। এ সময় চান মিয়া নামের এক বৃদ্ধ হাসপাতালে শ^াসকষ্ট নিয়ে মারা যান। যদিও পরবর্তীতে বিকেল ৩টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মোমিন উদ্দিন চৌধুরীসহ চিকিৎসক নেতৃবৃন্দকে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য আশ্বস্থ করলে চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যার করেন। চিকিৎসক ও নার্সদের ৩ দফার মধ্যে ছিল, স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত পরিমান আনসার ও পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং যথাযথ বিচার নিশ্চিত করণ এবং জরুবি বিভাগসহ সকল বিভাগে দর্শনার্থী, বহিরাগত, দালাল, হাকার নিয়ন্ত্রণ করে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরী করা।


সদর আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মুমিন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে এসে একজন দুর্বৃত্ত ডাক্তারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এটি ন্যাক্কারজনক। এ ঘটনায় ডাক্তার, নার্সসহ কর্মকর্তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। আমরা হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবি জানাই। সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসে হামলাকারীকে গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে কর্মবিরতি আপাতত প্রত্যাহার করি। এদিকে হামলাকারী যুবকের ভাই এনামুল হক জানান, আমাদের ছোট বোনের শ^াসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু চিকিৎসক তাকে না দেখেই ব্যবস্থাপত্র সরবরাহ করেন। এ নিয়ে তার বড় ভাই মঈনুল হক ডাক্তারকে তার বোনের প্রেসার চেক করতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এতে ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে মঈনুল ডাক্তারের টেবিলে থাকা প্রেসার মাপার মেশিনটি ছুড়ে মারে। পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে তার বোনকে নিয়ে অন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করান।


এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান। গতকাল রাত ৯টায় ডাঃ আবেদুর রেজা বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।