ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদেরসম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি-সিসিক প্রশাসক হামে আক্রান্ত শিশুকে যা খাওয়াবেন পাকিস্তান ছাড়ল ইরানি প্রতিনিধিদল ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে বিজিবির অভিযানে সীমান্তে ৮টি ভারতীয় গরু জব্দ হবিগঞ্জ বাহুবলের হরিতলায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন , পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা জরিমানা ২১ হাজার টাকা,ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে র‍্যাব-৯ এর অভিযান, সিলেটে আটক যানবাহন ছেড়ে দিবে পুলিশ, মহানগর এলাকায় যানবাহনগুলো চালানো যাবে না সিলেটে সংস্কৃতি-যাত্রার ৩০ বছর উদযাপন করলো ‘চারুবাক’

বানিয়াচঙ্গের আগুয়া গ্রামে ৪টি হত্যাকান্ডের জেরে আসামীদের বাড়ি-ঘরে লুটপাটের তান্ডবের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন,,

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ বানিয়াচং প্রতিনিধি :

বানিয়াচং উপজেলার আগুয়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪ মার্ডারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামীদের বাড়ি-ঘরে ব্যাপক লুটপাটের তান্ডবলীলা চালানো হয়েছে।মামলায় প্রকৃত খুনীদের অর্থকোটি টাকার বিনিময়ে আসামী করা হয়নি বলে অভিযোগ।

বাদী পক্ষের লোকজন আসামীদের বাড়ি ঘরে থাকা ধান, চাউল, গরু, স্বর্ণালংকার, টিভি, ফ্রিজ ও ফার্নিচারসহ অন্তত ৫ শতাধিক বাড়ি ঘরে লুটপাট চালিয়ে নিয়ে গেছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার মালামাল। এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইয়াছমিন আক্তারসহ বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৯ মে ২০১৪ তারিখে আমাদের গ্রামে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়েছিল ওই ঝগড়ায় ৪ জন লোক খুন হয়।

খুন হওয়ার পরবর্তীতে উক্ত খুনের বিষয়ে মোঃ জুটন মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় অনেককে মিথ্যা ভাবে জড়িত করে আসামী শ্রেণীভূক্ত করা হয়। অথচ প্রকৃত খুনীরা অত্র খুনের মামলার বাদী মোঃ জুটন মিয়া ও তাদের দলনেতা আলী আহমদ সোহেল এর নেতৃত্বে প্রকৃত খুনীদের নিকট হইতে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে তাদেরকে খুনের মামলায় আসামী করা হয়নি। লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করা হয়, ওই খুনের পরপরই গ্রামের পুরুষরা বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে চলে যায়। এক পর্যায়ে গ্রামটি পুরুষ শূণ্য হওয়ার সুযোগে আলী আহমদ সোহেলের নেতৃত্বে মহিলা, শিশু ও বয়বৃদ্ধ লোকদের উপর নির্যাতন শুরু করে। এক পর্যায়ে বাড়ী ঘরসহ খুনের মামলার প্রত্যেকটি আসামীর বাড়ীঘর লুটপাট, ভাংচুর এবং বাড়ী ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র, ফ্রিজ, টিভি, সোফা, খাট, ডাইনিং টেবিল, চেয়ার সহ মালামাল নিয়ে যায়। এমনকি নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, পানির টিউবওয়েল, ঘরের টিন, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী, ধান-চাল, মোটর সাইকেল, পাওয়ার ট্রিলার, মারাইকল, রাইস মিল সহ অনুমান প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার মালামাল নিয়ে গেছে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।


এছাড়াও বাদীপক্ষের লোক আলী আহমদ সোহেল ও তার দলীয় লোকজন প্রতিদিন খুনের মামলার আসামীগণের স্ত্রী সন্তান মা-বাবা, ভাই-বোনদের প্রতি অন্যায় অবিচার ও প্রাণ হত্যার হুমকি প্রদর্শন করায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ জেলার অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট আলী আহমদ সোহেল ও তার দলীয় লোকজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানানো হয়। এদিকে লুটপাটের বিষয়ে একটি মামলা হলেও ১নং আসামী আলী আহমদ সোহেলসহ আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা প্রত্যাহার করার জন্য প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। তারা প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও রহস্য জনক কারনে তাদেরকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বানিয়াচঙ্গের আগুয়া গ্রামে ৪টি হত্যাকান্ডের জেরে আসামীদের বাড়ি-ঘরে লুটপাটের তান্ডবের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন,,

আপডেট সময় : ০৪:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

হবিগঞ্জ বানিয়াচং প্রতিনিধি :

বানিয়াচং উপজেলার আগুয়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪ মার্ডারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামীদের বাড়ি-ঘরে ব্যাপক লুটপাটের তান্ডবলীলা চালানো হয়েছে।মামলায় প্রকৃত খুনীদের অর্থকোটি টাকার বিনিময়ে আসামী করা হয়নি বলে অভিযোগ।

বাদী পক্ষের লোকজন আসামীদের বাড়ি ঘরে থাকা ধান, চাউল, গরু, স্বর্ণালংকার, টিভি, ফ্রিজ ও ফার্নিচারসহ অন্তত ৫ শতাধিক বাড়ি ঘরে লুটপাট চালিয়ে নিয়ে গেছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার মালামাল। এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইয়াছমিন আক্তারসহ বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৯ মে ২০১৪ তারিখে আমাদের গ্রামে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়েছিল ওই ঝগড়ায় ৪ জন লোক খুন হয়।

খুন হওয়ার পরবর্তীতে উক্ত খুনের বিষয়ে মোঃ জুটন মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় অনেককে মিথ্যা ভাবে জড়িত করে আসামী শ্রেণীভূক্ত করা হয়। অথচ প্রকৃত খুনীরা অত্র খুনের মামলার বাদী মোঃ জুটন মিয়া ও তাদের দলনেতা আলী আহমদ সোহেল এর নেতৃত্বে প্রকৃত খুনীদের নিকট হইতে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে তাদেরকে খুনের মামলায় আসামী করা হয়নি। লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করা হয়, ওই খুনের পরপরই গ্রামের পুরুষরা বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে চলে যায়। এক পর্যায়ে গ্রামটি পুরুষ শূণ্য হওয়ার সুযোগে আলী আহমদ সোহেলের নেতৃত্বে মহিলা, শিশু ও বয়বৃদ্ধ লোকদের উপর নির্যাতন শুরু করে। এক পর্যায়ে বাড়ী ঘরসহ খুনের মামলার প্রত্যেকটি আসামীর বাড়ীঘর লুটপাট, ভাংচুর এবং বাড়ী ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র, ফ্রিজ, টিভি, সোফা, খাট, ডাইনিং টেবিল, চেয়ার সহ মালামাল নিয়ে যায়। এমনকি নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, পানির টিউবওয়েল, ঘরের টিন, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী, ধান-চাল, মোটর সাইকেল, পাওয়ার ট্রিলার, মারাইকল, রাইস মিল সহ অনুমান প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার মালামাল নিয়ে গেছে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।


এছাড়াও বাদীপক্ষের লোক আলী আহমদ সোহেল ও তার দলীয় লোকজন প্রতিদিন খুনের মামলার আসামীগণের স্ত্রী সন্তান মা-বাবা, ভাই-বোনদের প্রতি অন্যায় অবিচার ও প্রাণ হত্যার হুমকি প্রদর্শন করায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ জেলার অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট আলী আহমদ সোহেল ও তার দলীয় লোকজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানানো হয়। এদিকে লুটপাটের বিষয়ে একটি মামলা হলেও ১নং আসামী আলী আহমদ সোহেলসহ আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা প্রত্যাহার করার জন্য প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। তারা প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও রহস্য জনক কারনে তাদেরকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ।