ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গে ভবনের উপর থেকে ইট পড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু হবিগঞ্জ বাহুবলে ফুলতলী ছাহেব কিবলা (রহ.)-এর স্মরণে ক্বিরাত ও তাজবিদ প্রতিযোগিতা সিলেট মদিনা মার্কেটে বিএসটিআই-এর অভিযান,পরিমাপ যন্ত্রের ভেরিফিকেশন সিলেটে অপরাধ দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান , ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৬৬ সিলেটে ৭৬ বোতল মদসহ গ্রেফতার ২ ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্নে অংশজনের সাথে সিলেট হাইওয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও ইফতার  সিলেটে নবাগত পুলিশ সুপার  ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক যোগদান পুলিশের রেশন সেন্টারে দু*র্নীতি, মামলা সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযান- ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার মালামাল আটক সিলেট গোয়াইনঘাটে বিপুল পরিমাণ পণ্যসহ আটক-৮

রমজানের শেষ দশকে রাসূলের ৬টি কাজ মনে করিয়ে দিলেন-শায়খ আহমাদুল্লাহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪ ২২৬ বার পড়া হয়েছে

 ইসলাম ও জীবন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

রমজানের শেষ দশক শুরু হয়ে গেছে। রহমত, মাগফিরাতের পর নাজাতের দশক চলছে। রমজানের শেষ দশ দিনে রাসূল (সা.) ছয়টি কাজ বেশি বেশি করতেন। সেগুলো মনে করিয়ে দিয়ে সবাইকে তা অনুস্মরণের আহ্বান জানিয়েছেন আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
 
রাসুল যা করতেন-
এক. ইতিকাফ করতেন। 
দুই. জীবনের অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ইবাদত সাধনায় রত থাকতেন। 
তিন. রাত্রি জাগরণ করতেন। 
চার. পরিবারকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। 
পাঁচ. কোমর বেঁধে ইবাদতে মগ্ন হতেন। 
ছয়. লাইলাতুল কদর খোঁজার আশায় শেষ দশ রাতে (বিশেষত বেজোড় রাতগুলোতে) ইবাদত করতেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, রমজানের শেষ দশক মহাসৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়। এই সৌভাগ্য লাভ করতে হলে আমাদেরকে ইবাদত ও রাত্রি জাগরণের পেছনে সর্বশক্তি ব্যয় করতে হবে। ঈদের কেনাকাটা এবং গ্রামের বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি যেন আমাদের শেষ দশকের ইবাদতে বাধা সৃষ্টি না করে। আল্লাহ তাওফীক দান করুন, আমীন।

রোজা নিয়ে আমাদের ২০ ভুল ধারণা: শায়খ আহমাদুল্লাহ

রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস হলো পবিত্র রমজান। সংযম ও সহনশীলতা অনুশীলনের জন্য আল্লাহ আমাদের ওপর রোজা ফরজ করেছেন। রমজানের রোজা সম্পর্কে আমাদের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। এই ভুলধারণাগুলো সংশোধন করে নিতে বলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

রোজা সম্পর্কিত ২০টি ভুল হচ্ছে-

১. রমজানের চাঁদ না দেখা।
২. রোজার জন্য শুধু খাবার মজুদ করা।
৩. বাচ্চাদের রোজা রাখতে না দেয়া।
৪. মুখের নিয়তকে জরুরি মনে করা।
৫. রোজা রেখেও পাপ কাজ করা।
৬. মিসওয়াক করাকে দোষের মনে করা।
৭. সেহরি বেশি দ্রুত বা বেশি দেরি করে খাওয়া।
৮. গোসল ফরজ হলে সেহরি খাওয়াকে দোষের মনে করা।
৯. সেহরি না খেলে রোজা হয় না মনে করা।
১০. সেহরিতে খেজুর না খাওয়া।

১১. সেহরিতে দোয়া না করা।
১২. থুতু গিললে রোজা ভেঙে গেছে মনে করা।
১৩. ফজর পড়ে ঘুমানো।
১৪. মাগরিবের আজানের জবাব না দেয়া।
১৫. তারাবির নামাজে তাড়াহুড়ো ও চার রাকাত পরপর দোয়াকে জরুরি মনে করা।
১৬. রোজা রেখে সময় অপচয় করা।
১৭. ইফতারদাতার জন্য দোয়া না করা।
১৮. ইতেকাফ না করা।
১৯. রোজার শেষ দিন কেনাকাটায় বেশি ব্যস্ত হওয়া।
২০. ফিতরা সময়মতো আদায় না করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রমজানের শেষ দশকে রাসূলের ৬টি কাজ মনে করিয়ে দিলেন-শায়খ আহমাদুল্লাহ

আপডেট সময় : ০৭:০২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

 ইসলাম ও জীবন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

রমজানের শেষ দশক শুরু হয়ে গেছে। রহমত, মাগফিরাতের পর নাজাতের দশক চলছে। রমজানের শেষ দশ দিনে রাসূল (সা.) ছয়টি কাজ বেশি বেশি করতেন। সেগুলো মনে করিয়ে দিয়ে সবাইকে তা অনুস্মরণের আহ্বান জানিয়েছেন আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
 
রাসুল যা করতেন-
এক. ইতিকাফ করতেন। 
দুই. জীবনের অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ইবাদত সাধনায় রত থাকতেন। 
তিন. রাত্রি জাগরণ করতেন। 
চার. পরিবারকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। 
পাঁচ. কোমর বেঁধে ইবাদতে মগ্ন হতেন। 
ছয়. লাইলাতুল কদর খোঁজার আশায় শেষ দশ রাতে (বিশেষত বেজোড় রাতগুলোতে) ইবাদত করতেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, রমজানের শেষ দশক মহাসৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়। এই সৌভাগ্য লাভ করতে হলে আমাদেরকে ইবাদত ও রাত্রি জাগরণের পেছনে সর্বশক্তি ব্যয় করতে হবে। ঈদের কেনাকাটা এবং গ্রামের বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি যেন আমাদের শেষ দশকের ইবাদতে বাধা সৃষ্টি না করে। আল্লাহ তাওফীক দান করুন, আমীন।

রোজা নিয়ে আমাদের ২০ ভুল ধারণা: শায়খ আহমাদুল্লাহ

রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস হলো পবিত্র রমজান। সংযম ও সহনশীলতা অনুশীলনের জন্য আল্লাহ আমাদের ওপর রোজা ফরজ করেছেন। রমজানের রোজা সম্পর্কে আমাদের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। এই ভুলধারণাগুলো সংশোধন করে নিতে বলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

রোজা সম্পর্কিত ২০টি ভুল হচ্ছে-

১. রমজানের চাঁদ না দেখা।
২. রোজার জন্য শুধু খাবার মজুদ করা।
৩. বাচ্চাদের রোজা রাখতে না দেয়া।
৪. মুখের নিয়তকে জরুরি মনে করা।
৫. রোজা রেখেও পাপ কাজ করা।
৬. মিসওয়াক করাকে দোষের মনে করা।
৭. সেহরি বেশি দ্রুত বা বেশি দেরি করে খাওয়া।
৮. গোসল ফরজ হলে সেহরি খাওয়াকে দোষের মনে করা।
৯. সেহরি না খেলে রোজা হয় না মনে করা।
১০. সেহরিতে খেজুর না খাওয়া।

১১. সেহরিতে দোয়া না করা।
১২. থুতু গিললে রোজা ভেঙে গেছে মনে করা।
১৩. ফজর পড়ে ঘুমানো।
১৪. মাগরিবের আজানের জবাব না দেয়া।
১৫. তারাবির নামাজে তাড়াহুড়ো ও চার রাকাত পরপর দোয়াকে জরুরি মনে করা।
১৬. রোজা রেখে সময় অপচয় করা।
১৭. ইফতারদাতার জন্য দোয়া না করা।
১৮. ইতেকাফ না করা।
১৯. রোজার শেষ দিন কেনাকাটায় বেশি ব্যস্ত হওয়া।
২০. ফিতরা সময়মতো আদায় না করা।